পাতা:বাঙ্গলা ব্যাকরণ - লোহারাম শিরোরত্ন.pdf/২০১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

১৯২

বাঙ্গলা ব্যাকরণ।

গদ্যময় কাব্য বলে। যথা; কাদম্বরী, টেলিমেকস্ ইত্যাদি। আর যাহা কেবল পদ্যে বিরচিত, তাহার নাম পদ্যময় কাব্য। যথা: অন্নদামঙ্গল, বিদ্যাসুন্দর প্রভৃতি। যাহাতে গদ্য ও পদ্য দুই আছে, তাহাকে গদ্যপদ্যময় কাব্য বলে। যথা; সুধীরঞ্জন প্রভৃতি।

 ঐ গদ্যপদ্যময় কাব্যের প্রকারভেদে পৃথক্ পৃথক্ নাম হইয়া থাকে[১]। যথা; মহাকাব্য, খণ্ডকাব্য, কোষকাব্য, চম্পুকাব্য, গীতকাব্য ও উপাখ্যান ইত্যাদি।

 মহাকাব্য।—কোন দেবতা বা বিখ্যাত রাজা কিংবা ব্যক্তির বৃত্তান্ত লইয়া যে অতিবিস্তৃত কাব্য বিরচিত হয়, তাহার নাম মহাকাব্য। যথা; রামায়ণ ইত্যাদি। কোন কোন মহা-কাব্য সর্গ বা পরিচ্ছেদ দ্বারা বিভক্ত থাকে।


  1. সংস্কৃত আলঙ্কারিকেরা পদ্যময় কাব্যকেই মহাকাব্য, খণ্ডকাব্য, কোষকাব্য এই কয় ভাগে বিভক্ত করেন। আর গদ্যময় কাব্যকে কথা ও আখ্যায়িকা এই দুই ভাগে বিভক্ত করেন। কিন্তু বঙ্গভাষায় কাব্য ঐরূপে বিভাগ করা সঙ্গত হয় না বলিয়া উপেক্ষিত হইল।