পাতা:বিক্রমোর্ব্বশী (রামসদয় ভট্টাচার্য্য).pdf/৮৮

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

চতুর্থ অঙ্ক । 切"○ কহিতে, লাগিলেন হায় ! দুর্ভাগ্যের সময় অবশ্যম্ভা বিষয়ও ঘটির উঠে না । ষাঁহা হউক ইহাকে জিজ্ঞাসা করি এই স্থির করিয়া কহিলেন, হে ভূধরনাথ ! তুমি সেই সৰ্ব্বাঙ্গসুন্দরী সুরকামিনীকে নয়নগোচর করিয়tছ ? পৰ্ব্বতগুহায় এই শব্দের প্রতিধ্বনি শ্রবণ করিয়া বোধ করিলেন, ষেন দেখিয়াছি বলিয়। উত্তর প্রদান স্বাক্য মিগত হইল ; কিন্তু কিঞ্চিৎ পরেই আত্মরত জিজ্ঞাস বাক্যের প্রতিধ্বনি হইল বুঝিতে পারিয়া দুর্ভর শোকভারে আক্রান্ত হুইয়। মুগ্ধ ও বিচেতন হইলেন । অনেক ক্ষণ পরে সচেতন হইয়া বিষ4মনে কম্ভিতে লাগিলেন আঃ নিতান্ত পরিশ্রান্ত হইয়াছি আর ভ্রমণ করিতে পারি না ; কিয়ং ক্ষণ এই গিরিনদীর তীরে উপবেশন করিয়া তরঙ্গালিলসেবনে তাপিত হৃদয় শীতল, করি. এই বলিয়৷ তথায় উপবিষ্ট হইয়া নদীর নানাৰূপ শোভা নিরীক্ষণ করিতে লাগিলেন । অমবরত তরঙ্গ উত্থিত হওয়াতে"বোধ হইল যেন নদী ভ্ৰূভঙ্গী করিয়া তত্তর্জন করি, তেছে ; হংস সারস চক্ৰবাক প্রভৃতি জলবিহঙ্গমকুল শ্রেণীবদ্ধ হইয়া ক্রীড়া করিতেছে, তাহাতে বাধ হইল ক্ষেম মণিময় মেখলা পরিধাম করিয়ছে ; স্রোতের উপর ভাসমান ফেনরাশি দেখিয়া বোধ হইল যেন নিতম্বস্বলিত বসন আকর্ষণ করিতেছে এবং বক্রগামিনী হইয়া যেন যে কমমূলভ বিলাসগমন প্রকাশ করিতেছে। নরপতি এই সকল কামিনীসদৃশ ভাব বিলোকন করিয়া মনে মনে কহিতে লাগিলেন, বোধ করি কোপনা অতিমান