পাতা:বিটকেলের দপ্তর - বিপিনবিহারী বসু.pdf/১৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


>* বিটকেলের দপ্তর। মোর এ রকম সুন্দর ও উপাদেয় বৈজ্ঞানিক খাদ্য তিনি কখন ভক্ষণ করেন নাই” । আমি ভাবিতে লাগিলাম যে, বিলাতে যাইলে বুঝি শ্রবণশক্তি খুব তীক্ষু হয় । কারণ মামরা যেখানে বলিয়াছিলাম সেখান থেকে বক্তৃতার কিছু শোনা যায়নি। তা ছাড়া সমস্ত ক্ষণই আমব গল্পে উন্মত্ত ছিলাম। কিন্তু আমার আর ভাবিবার সময় ছিল না। কারণ পরক্ষণেই বক্তৃতা ঘর থেকে “হুড হ্ড” করিয়া লোক বাহির হইতে লাগিল । আমিও ভিড়েব সঙ্গে মিশিয়ে পড়লুম। তাছার পর আব “এসিয়া মাইনবে” ষাইনি। মনে মনে ঠিক করিলাম যে যদি সুবিধা হয ভাল ভাল সাহেব মহলে ঢুকিতে চেষ্ট কবিব । তাঙ্গ , ন হইrল আর নয় । আtশ্চর্ষ্য স্বপ্নদশন।

  • অচেতনে চেতন, ঘুমন্তে জাগা, স্বপনের কাও, সকলি বিচিত্র,

নাহি গোডা আগ ।” কথাগুলো ঠিক মনে না পড়ক ভাবটা আনিয়াছি। অামি লেখককে মনে মনে চিরকাল শ্রদ্ধা ও ভক্তি করি । তাহার কথা যে ঠিক হুইবে সে বিষয়ে আমার কোন সন্দেহ ছিল না । তবে এ রকম উদ্ভট স্বপ্নদর্শন আমার ভাগ্যে ইতিপূৰ্ব্বে কথন ঘটে নাই । ডাকগাড়ী নাই রেলের গাজী