পাতা:বিভূতি রচনাবলী (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৭২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


8や বিভূতি-রচনাবলী আঠারো-উনিশ বছরের মেয়ে, বিশেষ মোটাসোট হয় নাই, সেই রকমই আছে। গলার স্বর শুধু বদলাইয়। গিয়াছে। পটু হাসিমুখে বলিল, আজ কি হয়েচে জনিস দিদি, অপুর সঙ্গে দেখা হয়েচে–মেলার। বিনি বিস্ময়ের মুরে বলিল, অপু ! সে কি ক’রে-কোথা থেকে— পরে পটুর মুখে সব শুনিয়া সে অবাক হইয় গেল বলিল—বড় দেখতে ইচ্ছে করে— আহা সঙ্গে ক’রে আনলি নে কেন ?...দেখতে বড় হtে ? .. —সে অপুই আর নেই। দেখলে চেনা যায় না ; আর সুনীর হয়েচে দেথতে—তবে সেই রকম পাগলা আছে এখনে—ভারী মুনীর লাগে—এমন প্রয়েচে !...এতকাল পরে দেখা হয়ে আমার মেলায় যাওয়াই আজ সার্থক হয়েচে । পু{rয মনসাপোতা থাকে বললে। -সে এপ. থে: ক ক ও দূর ? . -সে মেক, রেলে যেতে হয় । মাম্জোয়ান থেকে ন’-দশ কোশ হবে । বি!ন বলিল. আগ একদিন নিয়ে আসিস না অপুকে, একবার দেখতে ইচ্ছে করে— ছদ-ভঙা রান্না-বাড়ির রোয় কে পটু থাইতে বসিল । বিনি বলিল, তোর চকত্তি মশায়কে একবার বলে দেখিস দিকি কলি ? বলিস বছর তিনেক থাকতে ছাও, তার পর নিজের চেষ্টা নিজে করবে।-- পটু বলিল, বছর তিনেকের মধ্যে পড়া শেষ হয়ে যাবে না—ছ'সাত বছরের কমে কি পাশ দিতে পারব ?...আপুদ বাড়িতে পড়ে কত লেখাপড জানত—আমি তো তাও পড়ি নি, তুমি একবার চকত্তি মশায়কে বলে না দিদি ? বিনি বলিল-আমিও বলবো এখন। বড় ভয় করে—পাছে আবার বট্ ঠাকুরঝি হাত-পা নেড়ে ওঠে-বট, ঠাকুরবিকে একবার ধরতে পারিস ?—আমি কথা কইলে তো কেউ শুনবে না, ও যদি বলে তবে হয়— পটু যে তাহ বোঝে না এমন নয়। অর্থাভাবে দিদিকে ভাল পাত্রের হাতে দিতে পারা যায় নাই, দোজবর, বয়সও বেশি। ও-পক্ষের গুটিকতক ছেলেমেয়েও আছে, দুই বিধবা ননদ বর্তমান, ইহারা সকলেই তাহার দিদির প্রভু। ভালমাচুর্য বলিয়। সকলেই তাহার উপর BB BB BK KBB BBBB BBS BBBB BB BBS BBBB BBBB BBB করে তাহাকে দিয়া ব্যক্তিগত ফরমাইশ খাটাইবার অধিকার উহাদের প্রত্যেকেরই আছে, কাজেই তাহকে কই দয়া করে না । * অনেক রাত্রে বিনির স্বামী অজুন চক্রবর্তী বাড়ি স্কিরণ । মামূজোয়ানের বাজারে তাহার থাবারের দোকান আছে, আজকাল মেলার সময় বলিয়া রাত্রে একবার আহার করিতে আসে মাত্র। থাইয়াই আৰাৱ চলিয়া যায়, রাত্রেও কেনা-বেচা হয়। লোকটি ভারি কৃপণ ; বিনি রোজই আশা করে—ছোট ভাইট এখানে কয়দিন হইল আসিয়াছে, এ পর্যন্ত কোন দিন একটা রসগোল্লাও তার জন্য হাতে করিয়া বাড়ি আসে নাই, অথচ নিজেরই তো খাবারের দোকান। এ রকম লোকের কাছে ভাইয়ের সম্বন্ধে কি কথাই বা সে বলিবে!