পাতা:বিশ্বকোষ ঊনবিংশ খণ্ড.djvu/২৮৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


লীলারবিন্দ গোকুলে মথুরায়াঞ্চ দ্বারকায়াঞ্চ শাঙ্গিণ ৷ যাস্তত্র তত্রাপ্রকট-স্তত্র তত্রৈব সন্তিতা; ॥” (শ্ৰীভাগবতামৃত) ৭ ছন্দোভেদ । ইহার চারিট চরণ, প্রত্যেক চরণে ১, ৪, ৭, ১০, ১৫ ও ১৬ বর্ণ গুরু এবং ২৩, ৫, ৬, ৮, ৯, ১১, ১২,১৪, ১৫ বর্ণ লঘু। লালকমল ( ক্লী) লীলাৰ্থং কমলম। ক্রীড়াপদ্ম । ( মেঘ ৬৬ ) লীলাকর (পুং ) ছন্দোভেদ। লীলাকলহ (পুং) কলহের ভান। লীলাখেল (ত্রি) ক্রীড়াশীল। স্ক্রিয়াং টাপ, ছন্দোভেদ। উহার প্রত্যেক চরণে ১৫টা অক্ষর আছে, সকল গুলিই গুরু। লীলাগর (ী) লীলাৰ্থ আগারং। লীলাগৃহ, ক্রীড়াগৃহ। লীলাগৃহ (ক্ল) খেলাঘর। লীলাগেহ । (কী) ক্রীড়াগার। লীলাঙ্গ (ত্রি ) চঞ্চল বা নিরস্তর ক্রীড়েচ্ছ অঙ্কযুক্ত। (বৃষাদি ) লীলাচন্দ্র, একজন প্রাচীন কবি। লীলাজন, ( নৈরঞ্জন ) বাঙ্গালার হাজারিবাগ জেলায় প্রবাহিত একটা নদী। গয়াধামের ৩ ক্রোশ দক্ষিণে মোহনার সহিত মিলিত হইয় ফল্গু নামে গঙ্গায় মিলিত হইয়াছে। লীলাচল (পুং ) জনপদভেদ । [ নীলাচল দেখ। ] লীলাতলু (স্ত্রী) লীলাগ্রকটনার্থ ধৃতদেহ। লীলাতামরস (ক্লী) ক্রীড়াকমল, লীলাকমল । লীলাদগ্ধ (ত্রি) স্বেচ্ছায় ভস্মীভূত । লীলানটন (ক্লী) কৌতুকাবহ নৃত্য। লীলাদি (পুং ) লীলাচল। লীলাধর ভট্ট, দক্ষিণাত্যবাসী জনৈক কবি। কবীন্দ্রচন্দ্রায়ে ইহার উল্লেখ আছে। লীলাপদ্ম (রী) লীলাৰ্থং পদ্মং। ক্রীড়াকমল। লীলাপর্বত (পুং ) লীলাচল। লীলাব্জ (ক্লী) লীলাকমল। লীলাভরণ ( ক্লী) পদ্মমালায় নিৰ্ম্মিত অলঙ্কার। লীলামনুষ্য (পুং) ছদ্মবেশী মন্ত্র্য। ম্যাকার কিন্তু মনুষ্য নহে এইরূপ দেহাকৃতিবিশিষ্ট । লীলাময় (ত্রি) লীলাস্বরূপে ময়টু। লীলাস্বরূপ। লীলামাত্রে (অব্য) খেলিতে খেলিতে। লীলামানুষবিগ্রহ (ত্রি) ১ ছদ্মবেশী মন্ত্র্য। ২ ঐকৃষ্ণ। লীলাম্বুজ (স্নী) লীলাপয়। (কথাসরিৎসা ২৩। ৬৯) লীলায়ুধ (পুং) জাতিবিশেষ। [ নীলায়ুধ দেখ। ] লীলারতি (স্ত্রী) ক্রীড়া লীলারবিন্দ (কী) লীলাকমল। [ २४8 ] লীলোপবর্তী লীলাবজ্র (ক্লী) বজাকার শস্ত্রভেদ। লীলাবতার (পুং ) লীলাপ্রকটনার্থ বিষ্ণুর অবতার। লীলাবৎ (ত্রি ) লীলা বিস্তুতেহস্ত মতুপ, মন্ত ব: লীলা বিশিষ্ট, ক্রীড়াযুক্ত। * লীলাবতী (স্ত্রী) লীলাবৎ-স্থিয়াং ভীষ, ১ কেলিযুক্ত । ২ বিলাসবতী । ৩ শৃঙ্গারভাবচেষ্টাস্থিত । ৪ খেলাবিশিষ্ট । ৫ বিখ্যাত জ্যোতির্বিদ ভাস্করাচার্য্যের পত্নীর নাম লীলাবতী। এই লীলাবতী একখানি অঙ্কগ্রন্থ প্রণয়ন করেন, তাহার নামও লীলাবতী । লীলাবতীমঙ্গলাচরণ শ্লোকের টীকায় গণেশ লিখিয়াছেন যে,-- “গোদাবরীতীরনিবাসিনঃ মহারাষ্ট্রদেশোদ্ভবস্ত শ্ৰীভাস্করাচাৰ্য্যন্ত গ্রন্থক সুপ্রিয় লীলাবতী বিরহবিক্ষিঃস্থায়ন্ত তাং পদৈলীলাবত্যা লীলাবতীমিব” (লীলাবতীটীকায় গণেশ ) ভাস্করাচার্য্যও লীলাবতী নামে একখানি অঙ্কগ্রন্থ প্রণয়ন করেন। ঐ গ্রন্থের মঙ্গলাচরণ শ্লোক এইরূপ লিখিত আছে— “প্রীতিং ভক্তজনস্ত যে জনয়তে বিঘ্নং বিনিয়ন্‌ স্মৃতস্তং বৃন্দারকবৃন্দবদিতপদং নত্ব মতঙ্গাননম্। পাটাং সদ্‌গণিতস্ত বচমি চতুরপ্রতিপ্রদাং প্রস্টাং সংক্ষিপ্তাক্ষরকোমলামলপদৈলালিত্যলীলাবতীম্।"(লীলাবতী) ৬ অবিক্ষিৎ নৃপতির স্ত্রী। ( মার্কণ্ডেয়পু• ১২৩১৭ ) ৭ বেখাবিশেষ । ( মৎস্তপুরাণ) ৮ ন্তায়গ্রন্থ বিশেষ । “দ্রব্যং নাকুলমুজ্জলো গুণগণ: কৰ্ম্মাধিকং শ্লাঘাতে জাতির্বিপ্ন,তিমাগত ন চ পুনঃ প্লাঘা বিশেষ স্থিতিঃ। সম্বন্ধঃ সহজে গুণাদিভিরয়ং যত্রাস্তু সৎগ্ৰীতয়ে সান্ধীক্ষানয়বেশ্বকৰ্ম্মকুশল ঐন্তায়লীলাবতী।” (মগুনমিশ্র) লীলাবধূত (ত্ৰি ) স্বচ্ছন্দে বিচরণশীল। লীলাবাপ ( স্ত্রী) জলকেলির নিমিত্ত পুষ্করিণী। লীলাবেশ্মন (কী) লীলাগৃহ। লীলাশুক (পুং ) ভক্তকবি বিল্বমঙ্গলের নামান্তর। লীলাসাধ্য (ত্রি) সহজসাধ্য। যাহা অবহেলায় নিম্পন্ন করা যায় । লীলাস্বাত্মপ্রিয় (পুং ) তান্ত্রিক আচাৰ্য্যভেদ। শক্তি (তুর্গ ) ভক্তগণের মধ্যে সুপরিচিত। শক্তিরত্নাকরে ইহার উল্লেখ আছে। লীলোদ্যান (কী ) লীলাৰ্থমুস্তানং। দেববন। (ত্রিক ) “অখ মানসমুল্লত্য দেবধি-ব্রাতসেবিতম্। অতীত্য গণ্ডশৈলঞ্চ লীলোস্তানং ছাযোষিতাম্।।” (কথাসরিৎসা) লীলোপবর্তী (স্ত্রী ) ছন্দোভেদ। ইহার প্রতি চরণে ১৪টা গুরুবর্ণ থাকে।