পাতা:বিশ্বকোষ একাদশ খণ্ড.djvu/২৪৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পারঙ্গ -o পারদ ক্লোরাইড অব মার্কারি অত্যন্ত পচননিবারক এবং পারদঘাটত সমুদায় ঔষধ অপেক্ষ বীৰ্য্যবান। ১• • • ভাগ জলের সহিত ১ ভাগ পায়ক্লোরাইড, মিশ্রিত করিয়া ক্ষতস্থান ধৌত করা হয় । • এই লোশন উপদংশজনিত ক্ষতে ব্যবহার করিলে বেশ উপকার পাওয়া যায়। এতদ্ব্যতীত ইহা দ্বারা দক্ৰ ধৌত করা হয়। উপদংশ এবং কোন কোন জাতীয় উদরাময়রোগে हेशद्र श्रांठाखब्रिद ७थप्प्रां★ इछ । ক্যালোমেল বাহ ও জাভ্যস্তরিক প্রয়োগ করা যায় । জাভাস্করিক প্রয়োগে ইহা অতিথিরেচক, ধাতুপরিবর্তক এবং উপদংশবিষনাশক । ইহা এক প্রকার শ্বেতবর্ণ গুড়া এবং স্বাদ ও গন্ধবিহীন। ইহা অতি স্বনার বিরেচক, মূত্রকারক এবং যকৃতের কার্য বৃদ্ধি করিয়া থাকে। ক্যালোমেল আফিমের সহিত মিশ্রিত করিয়া বাতরোগে এবং আভ্যস্তরিক প্রদাহে প্রয়োগ করা যায়। ইহ দুই বা তিনদিনের অধিক ব্যবহার করা উচিত নছে। অধিক দিন ব্যবহার করিলে মুখ দিয়া লাগ-নিঃসরণ হইতে থাকে। মস্তিষ্কবিকারে, বাতশ্লেষ্মরোগে এবং ওলাউঠা হইলে ক্যালোমেল কখন কখন রোগীকে সেবন করান হয়। • অন্ত্রিীয়জরে ( Typhoid fever ) প্রথম সপ্তাহে যদি ক্যালোমেল দুই বা তিনবার সেবন করান হয়, তাহা হইলে জরের প্রকোপ অনেক কমিয়া যায় । চৰ্ম্মরোগে কালোমেলের মলম করিয়া প্রয়োগ করিলে উপকার দর্শে। শিশুদিগের পক্ষে মধ্যে মধ্যে ক্যালোমেল সেবন অত্যন্ত উপকারী ; ১ হইতে দুই গ্রেণ ক্যালোমেল শর্করার সহিত জিহবার অগ্রভাগে লাগাইয়। দিতে হয়। তবে কিছু মাত্রাধিক্য সেবনে সময়ে সময়ে অনেক কুফল ফলিয়া থাকে। তাঁহাতে রক্ত খারাপ হইয়া যায়। পারদ ক্লোরিন ব্যতীত অম্লজান, আইওডিন, আমোনিয়া প্রভৃতি পদার্থের সহিত সংযুক্ত হই থাকে । এই মিশ্র পদার্থ সকল উপদংশ এবং চৰ্ম্মরোগে ব্যবহার্য্য । পারদঘটিত ঔষধ সকল অতি সাবধানে ব্যবহার করা কৰ্ত্তব্য। রোগী অত্যন্ত দুৰ্ব্বল বা রকহীন হইয় পড়িলে ইহ কোন ক্রমেই সেবন করিতে দেওয়া উচিত নহে। যদিও উপদংশরোগে ইহা অধিক পরিমাণে ব্যবহৃত হইয়া থাকে, তথাপি প্রয়োগকালে রোগীর অবস্থা সম্যক বিবেচনাপূৰ্ব্বক ৰ্যবহার করা কর্তব্য । পারদঘটিত ঔষধ অধিক দিবস সেবন করিলে শিশুদিগের দস্ত খারাপ হইয়া যায়। স্কুলেশ্রুযারসংগ্রহে পারদের বিষয় এইরূপ লিখিত আছে— রসের মধ্যে পারদ সৰ্ব্বাপেক্ষ শ্রেষ্ঠ । তত্ত্ববিদ পণ্ডিতের যtধ্য ও অসাধ্যরোগে পারদ ব্যবস্থা করিয়াছেন । এইজন্ত [ ૨8૭ ] . পারদ |- --- অন্যান্য ধাতু হইতে পারদ শ্রেষ্ঠ । ইহার মধ্যে ভষ্ম পারদ জরা ও ব্যাধিনাশক, মুছিত পারঙ্গ ব্যাধিঘাতক। রসেক্স, পারদ, স্থত, স্বতরাজ, স্বতক, শিবতেজঃ ও রস এই ৭ট পারদের নাম। কাহারও কাহারও মস্তুে-শিববীজ, রস, হুত, র্যন্ত্র এবং বিপর্যাকশন সকলনীর নাম পারদের লক্ষণ।—অস্তঃমুনীল, বহির্ভাগ উজ্জল, এবং মধ্যাহ্ন शृश्éigऊिभ cष *ांब्रन ऊांशहे खैषt५ब्र छछ &इ५ कब्रिह्छ হইবে। ষে পারদ ধূম্ৰবৰ্ণ, বহির্ভাগ পাণ্ডুৰণ, কিংবা নানাবর্ণে সুঞ্জিত তাহ ঔষধে প্রশস্ত নহে। পারদ শোধন না করিয়া ব্যবস্থার করিতে নাই। ষে হেতু পারদে পীসক, রঙ্গ, মল, ৰহি, চাঞ্চল্য, বিধ প্রভৃতি দোষ থাকায় ব্রণ, কুষ্ঠ, দাহ, জাডা, বীর্যনাশ, মৃত্যু ও স্ফোট প্রভৃতি রোগ উৎপন্ন হইয় থাকে। এইজন্য চিকিৎসকগণ পারদ উত্তমরূপে শোধন করিয়t প্রয়োগ করিবেন । বিশুদ্ধ পারদ অমৃতভূল্য এবং দোষযুক্ত পারদ বিষসম। নির্দোষ পারদে জর, ব্যাধি, এমন কি মৃত্যু পর্য্যস্ত প্রশমিত হয় । বিজ্ঞ চিকিৎসক বিশেষ যত্নসহকারে পারদশোধন করিবেন। পারদশোধন ।—শুভনক্ষত্রে ৮০০ তোল, বা ৪• •, ২০ •, ৯৫, বা ৪ • তোলা বিশুদ্ধ পারদ গ্রহণ করিয়া শোধন করিতে হইবে । ৮ তোলার কম পারদশোধন বৈদ্যশস্ত্রাসুমোদিত নহে } মতান্তরে দেখিতে পাওয়া যায়, কেহ কেহ বলেন পূর্বে যে পরিমাণ লিখিত হইল তাহ এবং ৪, বা ২ তোলা, ইহার কম পারদ শোধনের জন্ত গ্রহণ করিতে নাই। কেহ কেহ বলেন ঔষধ প্রস্তুত করিতে হইলে যে পরিমাণে পারদ অবিশুক, সেই পরিমাণ পারদই শোধন করা যাইতে পারে । বিজ্ঞচিকিৎসক বিশুদ্ধদিনে ভক্তিপূৰ্ব্বক বিষ্ণুস্মরণ করিয়া কুমারী ও বটুকাৰ্চনপুৰ্ব্বক চারি অঙ্গুল পরিমিত গভীর লৌহ ব৷ পাষাণনিৰ্ম্মিত দৃঢ় থলে নিজমস্ত্রে রক্ষা বিধান করিয়া অনন্তচিত্তে পারদশোধন করিবেন । পারদশোধনে এই রক্ষীমস্ত্রে রক্ষণকাৰ্য্য করিতে হয় । মন্ত্ৰ— “অঘীয়েভ্যৌহখ ঘোরেন্ড্যো ঘোরঘোরতরেভ্যশ্চ } সৰ্ব্বতঃ সৰ্ব্বেভো নমস্তে রুস্ত্ররূপেভ্যঃ ॥” পারদের তপ্তথল্পবিধি।—ছাগলিষ্ঠা ও তুর্য অগ্নিগৰ্ত্তমধ্যে রাখিয়৷ তদুপরি থলস্থাপন করিলে উহাকে তগুখল বলা যায়। পারদের নিগড় —আকল্প ও লীজের জাট, পলাশ ৰীজ, গুগগুলু এবং দ্বিগুণ সৈন্ধব লবণসহ পারদ মর্দন করিতে হুইবে । ইহাই পারদের শ্রেষ্ঠ নিগড় । পারদের সাধারণ শুদ্ধি।--পারদমীরণপ্রব্যের চুর্ণ ষোড়শাংশ