পাতা:বিশ্বকোষ চতুর্দশ খণ্ড.djvu/৪৬৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


মহাবন Kł কাপ্তির নিদর্শন ইতস্ততঃ বিক্ষিপ্ত থাকিয় তত্ত্বৎ সাম্প্রদায়িক প্রভাবের অস্তিত্ব স্বচনা করিতেছে । [ মথুরা দেখ। ] কোন সমসামরিক ইতিবৃত্ত-লেখকের বৃত্তান্তপাঠে জানা যায় যে, ১২৩৪ খৃষ্টাব্দে কালিঞ্জর-বিজয়ার্থ দিল্লীশ্বর স্থলতান শামস উদ্ধানের প্রেরিত সেনাদল মহাবনে আলিমু অৰস্থান করে। রূপ গোস্বামীর বৃন্দাবন উদ্ধারকালে ইহা ৮৪ বনের | श्ररुभैऊ दगिब्रां फैौरुिंङ श्ब्र। २४०8 शृष्ठेiएक भश ब्रॉड़ेब्रास्त्र যশোবন্ত রাও হোলকর ফরুখাবাদ-রণক্ষেত্রে পরাজিত হইয়া এই স্থানের সন্নিকট দিয়া যমুনা পার ছইয়াছিলেন । উছার পর বৎসরেই প্রসিদ্ধ পাঠান-দস্থ্য স্বামীর খ" এখান দ্বিসু। যমুম। উত্তরণপুৰ্ব্বক স্বীয় দস্থ্যবৃত্তি চরিত্তার্থ করিয়াছিলেন। কালসহকারে এই প্রাচীন স্থান মহারণে পধ্যবসিত হইয়াছিল। ইতিহাসপাঠে জানা যায় যে, মোগল-সম্রাটু শাহজাহান এই বন্তভূমে শিকারে আসিয়া ৪টা ব্যাঘ্র শিকার করিয়াছিলেন। প্রসিদ্ধ গোকুলনগর হার উপকণ্ঠে অবস্থিত। মহাৰন ধ্বস্ত ও শ্ৰীহীন হইলে লোক সকল,অৰ্দ্ধক্রোশ সরিয়া আসিয়া যমুনাতীরস্থ গোকুলে পুনরায় নুতন বাসস্থান নিৰ্ম্মাণ করে। পুরাণে শ্ৰীকৃষ্ণের বাল্যলীলা ক্ষেত্র গোকুলেরই উল্লেথ দেখিতে পাওয়া যায়, এখনও তথাকার লোকে মহাবনের ধ্বংসাবশেষকেই কৃষ্ণলীলার আদি স্থান বলিয়া নির্দেশ করে। সম্ভবতঃ পুৰ্ব্বে ঐ সমগ্র স্থানই গোকুল নামে প্রসিদ্ধ ছিল। ক্রমে বর্তমান জনসমাকীর্ণ নদীতটৰী উপকণ্ঠই গোকুল নামে গণ্য হইয়া পড়িয়াছে। এই মছাবনের মধ্যে নন্দালয়ই সাধারণের দেখিবার জিনিস। সম্রাটু অরঙ্গজেবের রাজত্বকালে মুসলমানগণ সেই প্রাচীন নন-প্রাসাদের চতুর্দিষ্ট প্রাচীর-পরিবেষ্টিত করিয়া তথায় এক মসজিদ নিৰ্ম্মাণ করেন। এখনও হিন্দু ও বৌদ্ধকীৰ্ত্তির বহুশত নিদর্শন ঐ মসজিদগাত্রে গ্রথিত রহিয়াছে। ঐ স্থান আশী-খাম্বা নামে পরিচিত । ৮•ট স্তম্ভের মধ্যে সত্যযুগ, দ্বাপরযুগ, ত্রেতাযুগ, ও কলিযুগ নামক গুস্তুগাত্রে কালবৈচিত্র্যজ্ঞাপক চিত্রাবলী প্রদর্শিত হইয়াছে। এতদ্ভিন্ন অভ্যন্তরস্থ জস্তান্ত স্তম্ভেও বহুত্তর হিন্দুচিত্র থোদিত আছে । ফাদার টিফেন্‌থালয় ১৮শ শতাদের মধ্যভাগে মহাৰন পরিদর্শনে আসিয়া লিথিয়া গিয়াছেন যে, ঐ স্থৰ্বছৎ অট্টালিকার একাংশ হিন্দুর মন্দির ও অপরাংশ মুসলমানদিগের মসজিদরূপে ব্যবহৃত হইত । পুৱেই ৰলিয়াছি, নদীতীরবর্তী গোকুলগ্রাম মহাবন ধ্বংসের পর গঠিত হইয়াছে। এখানে অতি অম্লছ প্রাচীন কীৰ্ত্তির নিদর্শন দেখা বায়। অধিকাংশ জটালিকা ও মন্দি [ 8ులి ) षङ्क्तःि রাদি মাছ শ্ৰীকৃষ্ণেৱ লীলাম্বলক্ষপে ৰূপিত হইয়া তীর্থমাহাত্ম্য লাভ কন্ধিছে, তাছাও নিতান্ত আধুনিক কালের কল্পনা বলিয়া অনুমিত্ত হয় । ১৪৭৯ খৃষ্টাব্দে এখাৱে বল্লভাচার্য্য बाहब ५ sछभ ङajनैौ टेबसभषब्र श्रांविॐद इग्र । पिठनि चबांtभ বল্লভাচার মত স্থাপন করেন । এই স্থানে ৰঙ্গভাচার্ষ্য সম্প্রদান্ধের বা গোকুলস্থ গোসাইক্ষিণের প্রধান মাড রলিয়া ক্রমে প্রসিদ্ধি স্বাক্ত করে । গুজরাত ৰ ৰোম্বাইবাসী ঘাস্বতীয় হিন্দু বণিক এই সম্প্রধান্ধের শিষ্য। সুতরাং তাছাদের দ্বারা নবপ্রতিষ্ঠিত গোকুল নগরীর শোভাবুদ্ধি হঙ্কৰে তাছাতে আর আশ্চৰ্য্য কি ? প্রকৃতপক্ষে বল্লভাচার্য্যেঞ্জ অভু্যদন্তু হইতে গোকুলনগরের সমৃদ্ধির কল্পনা করা যায় । [গোকুল ও বল্লভাচাৰ্য্য দেখ । ] মহাবন, ছাঙ্গাৰু জেলা পেশবার সীমাস্তৱৰ্তী যাগিস্থান নামক প্রদেশের অন্তর্গত একটা পৰ্ব্বত। ইলাম-শৈলশৃঙ্গের পুর্কে ও সিন্ধুনদের দক্ষিণকুলে অবস্থিত। সমুদ্রপৃষ্ঠ হইতে ৭৪er ফিটু উচ্চ। ইহার দক্ষিণভাগ গর্তার জঙ্গলে আবৃত বলx এই পৰ্ব্বতের মহাবন নাম হইয়াছে। এছ গিৰিশৃঙ্গ বিশেষ স্বাস্থ্যপ্রদ। কিন্তু এখানে দুৰ্দ্ধৰ আফগান জাতির বাস থাকায় কেইখ এই শিখরভূম নিয়াপদ মনে করেন না । মহাবন্ধ (ক্লী) যোগপ্রক্রিয়াম হস্তপদাদির বন্ধনীবিশেষ। মহাবপ (পুং ) মহামেধ । ( শবচ০ ) মহাবর, বাঙ্গালার হাজারিবাগ জেলার অন্তর্গত একটা গিরিশ্রেণী । ইহা পুৰ্ব্বপশ্চিমে প্রায় ১৪ মাইল। পঞ্চতগাত্র দুরারোহ, কিন্তু উপরের অধিত্যকাভূমি প্রায় ১ মাইল প্রশস্ত। শক্রীনদী এই পৰ্ব্বতের পশ্চিম দিয়া প্রবাহত হইয়াছে। এথানে কোকলহাট নামে একটা ৯০ ফিটু উচ্চ জলপ্রপাত আছে। ঐ প্রপাতের সম্মুখে প্রতি বৎসর একটা মেলা বসে। মহাবরা (স্ত্রী) ব্ৰিয়তে ইসেী দেবাদিভিরিতি বু-আচ, টাপ, मश्डौ दब्रा । मूर्तीं । (*अब्रड्रां० ) মহাবরাহ (পুং ) মহাৰু ঈশ্বরেছিপি সন বরাহ, মহাংশালে। বরাহুশ্চেতি বা। বরাহরূপী ভগবান। “মহাবরাহে গোবিন্দঃ স্বপেন কনকাজী "(ভারত ১২১৭১৯) ২ পুরপুরের এক রাজ । “অস্তি শুরপুরং নাম যথাৰ্থং নগরং ভুবি। মহাবরাহ ইত্যাসাং রাজ্য তত্ৰাতি দুগ্ধদঃ (কথাসরিৎ• ২৯২) মহাবরোহ (পুং ) মহান অবরোধঃ শিফানাং অধোংবত্ত্বরণঃ যস্ত । প্লক্ষবৃক্ষ, পাকুড়গাছ । ( রাষ্ট্রনি ) মহাবল, জনৈক জৈনরাঙ্গ ।