পাতা:বিশ্বকোষ চতুর্দশ খণ্ড.djvu/৮৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


মধুসূদন সরস্ব তী [ vq j মধুসূদন সরস্বতী মধুসূদনগোস্কামিন, জনৈক বিখ্যাত পণ্ডিত। ব্ৰঙ্গরাজ গোস্বামীর পুত্র। ইনি মহারাজ রণজিৎ সিংহের দানের অধ্যক্ষ ছিলেন। রাধাকৃষ্ণ ও দেবীদত্ত প্রসাদ নামে ঠাহীর श्हे ग्रुङ्ग झ्णि । ४४११ वृहेोप्क cनवीनप्ख्द्र शृङ्ख श्छ। मधू স্বদন স্বীয় জীবৎকালে গোদানবিধিসংগ্রহ, জীবংপিতৃকবিভাগব্যবস্থা, জীবৎপিতৃকবিভাগ-ব্যবস্থাসার, তড়াগাদি। প্রতিষ্ঠাবিধি, গির্ণয়সংগ্রহ, পঞ্চকশান্তিবিধি, মহাপ্রভা নামে সিদ্ধান্তমুক্তাবলী টকা, মিতাক্ষরাসার, মূলশাস্তিবিধি, বুযোৎসর্গবিধি, ব্যবহারসারোদ্ধার, ব্যবহারার্থসার ও সপ্রাসাদ রাধাকৃষ্ণ প্রতিষ্ঠাবিধি নামে কএকখানি গ্রন্থ রচনা করেন। মধুসূদনঠকুর, তত্ত্বচিস্তামণ্যালোক কণ্টকোদ্ধার, স্বৈতনির্ণয় বা দ্বৈতনির্ণয় প্রকাশ ও সময় প্রদীপজীৰ্ণোদ্ধার প্রভৃতি গ্ৰন্থরচল্পিতা । মধুসূদনদত্ত, বাঙ্গালার একজন প্রসিদ্ধ কবি । { মাইকেল মধুসূদন দত্ত দেখ ] মধুসূদনদীক্ষিত, স্বfওরত্নাবলী প্রণেতা। ইনি মহেশ্বর দীক্ষি তের পুত্র । মধুসূদন দুজন্তী, অস্থাপদেশশতক প্রণেতা । মধুসূদন নাপিত, নাপিত জাতীয় একজন বাঙ্গাল কবি। তনি ‘নলদময়ন্তী’ লিখিয়া প্রসিদ্ধ হইয়াছেন । এই গ্রন্থে কবি আপনার পরিচয় দিয়াছেন,— “ব্রাহ্মণের দাস নাপিত কুলেতে উদ্ভব। যাহার কবিত্ত্ব কীৰ্ত্তি লোকেতে সম্ভব । তাহার তনয় বাণীনাথ মহাশয় । পৃথিবী ভরিয়া যার কীৰ্ত্তির বিজয় ॥ তাহান তনয় শিষ্য শ্ৰীমধুসূদন। শুনিয়। প্রভূর কীৰ্ত্তি উল্লাসিত মন ॥” উক্ত পরিচয় হইতে বুঝা যাইতেছে যে, কবির পিতামহও একজন কবি ছিলেন । মধুসূদনপণ্ডিত, আমাৰ্য্যাশভকংগ্রণেতা। মধুসূদনবাচস্পতি, অৰৈতমঙ্গল, অশৌচসংক্ষেপ ও মধু মষ্টী নামী মুগ্ধবোধটকারচয়িত। মধুসূদন সরস্বতী,বঙ্গদেশীয় পাশ্চাত্য বৈদিক শ্রেণীর একজন ৰিখ্যাত পণ্ডিত। কাপ্তপগোত্রীয় পুরস্কারাচার্য্যের তৃতীয় পুত্র । ইনি সকল শাস্ত্রে পারদর্শী ছিলেন। একদিন ॐाशब्र भषाम जांडा यांषcवब्र नप्त्र भधूरमम बाकूणा भवन করেন, ভখায় বাংলাপিত্তিনের কাব্য সকল গুনিয়া আতিশয় স্ত্রীতি লাভ করেন, এবং তাহাঙ্ক প্রতি সন্তুষ্ট হইয়া उँक्षिप्य द८णन,-पभाभि अपिछ*ब्र £ौड झहेब्राझि, चन्हांन डिग्न ΧΙV আপন আমার নিকট যাহা প্রার্থনা করিবেন, আমি জাপनाएक ठाशइँ निव । মধুসূদন নৃপতি কর্তৃক সৎকৃত হইয়। মনে মনে স্থির করিলেন, মামুষের প্রশংসা নিষ্ফল, অতএব আমি ভগবদায়াধনায় জীবন অভিবাচিত করিব। এইরূপ স্থির করিয়া শঙ্করের উদ্দেশে প্রণাম করিয়া প্রথমে কাশীপুরে যাত্রা করিলেন; পথে মধুমতী নামে নদী ছিল। মধুসূদন এই নদীতীরে গমন করিরা তাহার উপাসনা করেন। পরে নদী মূৰ্ত্তিমতী হইয়া মধুস্থদনের নিকট আসিয়া তাহাকে বর দিলেন। এইরূপ প্রবাদে অস্থাপিও তাছার ভ্রাতৃবংশীয়গণ নীৰক্ষে নিভীকচিত্তে যাতায়াত করিতেছেন । মধুসূদন বৎসরের সময় বাৰুণুমীপুর গমন করিয়া তথায় বিশ্বেশ্বর সরস্বতী নামক এক দণ্ডীর নিকট হহন্তে দ গুগ্রহণ করেন । বিশ্বেশ্বর ভিন্ন ঐধরসরস্বতীর নিকটও তিনি শাস্বাধ্যয়ন করিয়াছিলেন। জওগ্রহণের পর শ্ৰীক্ষেত্রের সমীপে নদীতীরস্থ কোন বনে ১৭ বৎসর তপস্তা করিয়া তিনি সিদ্ধিলাভ করেন । র্তাহার ঐক্ষেত্রে অবস্থানকালে উৎকলে অজন্মাহেতু দারুণ দুর্ভিক্ষ হইয়াছিল । উৎকলপতি মুকুন্দদেব দৈব শাস্তির জন্য ঐক্ষেত্রে আগমন করেন। এখানে মধুসূদনের সঙ্গে তাহার দেখা সাক্ষাৎ হইল। রাজার স্তবে ও সৎকারে মুগ্ধ হইয়া মধুসূদন শস্য বৃদ্ধি হইবে বলিয়। রাজাকে আশীৰ্ব্বাদ করেন । তাহার আশীৰ্ব্বাদ সফল হইয়াছিল । দিল্লীশ্বর মধুসূদনের পাণ্ডিত্য ও প্রভাবের পরিচয় পাই। র্তাহাকে নিজ সভায় আহবান করিয়াছিলেন। বীরসিংহ নামে এক রাজার পুত্র সস্তান হয় নাই । তিনি একদিন স্বপ্নে জানিলেন যে, মধুস্থদন নামে এক যতি আছেন, তাহার সেবা করিলে নিশ্চয়ই পুত্র হইবে। তদনুসারে রাজা মধুস্থদনের অন্বেষণে বাহির হইলেন। সে সময়ে মধুস্থদন এক নদী তীরে বৃত্তিক মধ্যে ধ্যানস্থ ছিলেন । ঘটনাক্রমে রাজ! সদলে সেই খানে আসিয়া উপস্থিত হন । শিবিরের স্তম্ভরোপণার্থ মৃত্তিক খননকালে সকলে মধুসূদনকে দেখিতে পাইল। রাজাও নিশ্চয় করিলেন যে, “ইনিই মধুসূদন।” তথায় রাজা মন্দির নির্মাণ করাইলেন এবং মধুসূদনের সেবার জন্ত লোক নিযুক্ত করিয়া দিলেন। এই ঘটনার তৃতীয় বর্ষে মধুসূদন নেত্র উন্মীলন করিলেন। অনেকেই তাছার এই অলৌকিক ক্ষমতা দৃষ্ট্রে বিশ্বিত ছইল। মধুসূদন রাজভোগ ও প্লাজদত্ত মন্দির পরিত্যাগ করিয়া তীর্থভ্রমণে বাছির হইলেন । 求●