পাতা:বিশ্বকোষ ত্রয়োদশ খণ্ড.djvu/৪৭২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


[ 8१२ ] ভুবনেশ্বর ভুবনেশ্বর অঙ্ক ও প্রবন্থতি-সংবৎসর পাওয়া গিয়াছে। চাটেশ্বরের শিলালিপি ও ২য় নরসিংহদেবের সুবৃহৎ তাম্রশাসনে झुहेछन अनक्रडौंब या अनौग्नकडौप्यव्र नाम श्रो७द्र शोग्न, ১ম অনঙ্গভীম উৎকলবিজেতা জগন্নাথের স্বপ্রসিদ্ধ মন্দিরনিৰ্ম্মাতা চোড়গঙ্গের ৪র্থ পুত্র, ১০ বৰ্ষমাত্র রাজত্ব করেন। ২য় ব্যক্তি ১ম ব্যক্তির পৌত্র ও রাজরাজের পুত্র, ইনি ৩৪ বৎসর थाद्र १०१८ *रु (०२४७ १हेाक) नर्षारु ब्रांछरु करछन । छूवप्नऋग्रग्न लिणाणिनिष्ठ ‘ब्रांअग्नांछठछूछ’ ७ अन्नैौब्रहउँौtभग्न ७8 ब्रांछrांश शांकाम्न श्रांभग्ना ¢लएषांख् अनैौब्रक द! अनन्नखैौभरमदारु ভুবনেশ্বরের মহামন্দিরনিৰ্ম্মাতা বলিয়া স্থির করিলাম। সম্ভবতঃ এই গঙ্গরাজের রাজ্যারম্ভে মহামন্দিরেরও নিৰ্ম্মাণকাৰ্য্য আরম্ভ এবং তাহার রাজ্যাবসানকালে প্রায় সম্পূর্ণ হইয়াছিল, যে অংশ বাকি ছিল, তাছা নাটমন্দির ও ভোগমগুপের সহিত তৎপুত্র বীর নরসিংহদেব কর্তৃক সুসম্পূর্ণ হইয়াছিল। [ চাটেশ্বর দেখ। ] কেহ কেহ মনে করেন, দেউলের গর্ভগৃহ অর্থাৎ যেখানে ভুবনেশ্বরলিঙ্গ অধিষ্ঠিত, তাহা দেউল ও মোহন অপেক্ষা বহু প্রাচীন। কিন্তু এই গর্ভগৃহের অন্তর্ভাগের দেওয়ালে উৎকীর্ণ শিলালিপির বণমালা ও অনীয়ঙ্কর্তীমের শিলালিপির বর্ণমালা দেখিলে একই সময়ে একই ব্যক্তির করনিঃস্থত বলিয়া সহজেই মনে হয়। সুতরাং গর্ভগৃহসন্থ দেউল ও মোহন কলিঙ্গাধিপতি গঙ্গবংশীয় অনীরঞ্চভীমের কীৰ্ত্তি। মহারাজ অনীয়ঙ্কতাম "কৃত্তিবাস’ ও "কৃত্তিবাসেশ্বর’ নামেই লিঙ্গরাজের উল্লেখ করিয়াছেন, তাহ। শিলালিপি হইতে স্পষ্ট জানা যায়। এই ২য় অনীয়ঙ্ক উীমই কটক, পুরী ও গঙ্গাম জেলার নানাস্থানে স্ববৃহৎ শিবभमिद्र ७धडिई। कब्रिग्रा छिब्रप्रग्नगैब्र इश्ब्राइम । [ फ्रांप्लकेश्वद्र ও গাঙ্গেয় শঙ্গে বিস্তৃত বিবরণ দ্রষ্টব্য। ] সহস্রলিঙ্গসরঃ । মহামশিরের প্রদক্ষিণার বাহিরে সিংহদ্বারের সম্মুখে একটা ক্ষুদ্র উদ্ধান ও তন্মধ্যে একটা সরোবর আছে, এই সরোবরের নামই সহস্রলিঙ্গসর: । এই সরোবরের চারি ধারে চতুর্হস্ত উচ্চ শতাষ্ট্র শিবালয় আছে, বহুসংখ্যক শিবলিঙ্গ চারিদিকে প্রতিষ্ঠিত থাকায় সরোবল্পের নাম সহস্রলিঙ্গ হইয়াছে। কোন প্রাচীন গ্রন্থে অথবা একাম্রচঞ্জিকায় এই সরোবরের উল্লেখ নাই, কিন্তু স্বর্ণাত্রিমহোদয়ে ইহার মাহাম্বা বর্ণিত আছে। ॐौहर्षचाद्भग्न झनिमग्न । সছক্সলিঙ্গসর হইত্তে ৰিন্দুসাগরে যাইবার পথে চৌমাথার উপর তীর্থেখয়-মন্দির অৰস্থিত্ত । এই মন্দিরে বিশেষ শিল্প ব। কারুকাৰ্য্যেয় পরিচয় নাই, তবে দেখিলেই মহামন্দির এমন কি, অনম্ভবামুদেবের মন্দির অপেক্ষা প্রাচীন বলিয়ু বোধ হয়। চড়কপূজার সময় এই মন্দিরে ভুবনেশ্বরের সচলমূৰ্ত্তি আনীত হইয়া থাকে। কোটিতীর্থেখর । অনন্তবাসুদেবের মন্দির হইতে পূৰ্ব্বোত্তরে এক পোয়। পথ গেলে এক ক্ষুদ্র আম্রবন মধ্যে ৪• ফিটু উচ্চ মোহনযুক্ত একট দেউল দেখা যায়, ইহারই নাম কোটিতীর্থেশ্বর । এই মন্দিরটা দেখিলেই অতি প্রাচীন বলিয়৷ ”বোধ হয়। রাজ রাজেঞ্জলাল মিত্রের মতে, অতি প্রাচীন দেউল ও বৌদ্ধচৈত্যের মাল মসল লইয়া এই দেবায়তন নিৰ্ম্মিত হইয়াছে। এই মন্দিরের পশ্চাদ্ভাগে পাথরে বঁাধান একটি অপরিস্কার সরোবর আছে, তাহারই নাম কোটিতীর্থ। বহু তীর্থযাত্রী এথানে স্নান করিতে আসে। ব্ৰঞ্জেশ্বর } কোটিতীর্থের অন্ধক্রোশ পুঝে উচ্চ স্তুপের উপর একটা সুন্দর, জাকাল, নানা শিল্পযুক্ত মন্দির ও তদনুরূপ মোহন আছে । ইহাই ত্রহ্মেশ্বর নামে প্রসিদ্ধ। ইহার মধ্যে যোনিচিহ্নবিরহিত ব্ৰন্ধেশ্বর নামক ক্ষুদ্র লিঙ্গ প্রতিষ্ঠিত। একাম্রপুরাণে ( ১৪শ অধ্যায়ে ) লিখিত আছে, মহাদেব ব্রহ্মার নিকট ভুবনেশ্বর ক্ষেত্রের সবিস্তার মাহাত্ম্য বর্ণনা করিয়া মহামন্দিরের ১১২• ধনু দূরে তাহার বিশ্রামস্থান নির্দেশ করিয়াছিলেন, তদনুসারে ব্ৰহ্মার আদেশে বিশ্বকৰ্ম্ম। এখানে ব্রহ্মেশ্বরমন্দির নিৰ্ম্মাণ করেন। ভক্তগণের বিশ্বাস, এখন যে ব্রহ্মেশ্বরের মন্দির আছে, ইহাই সেই বিশ্বকৰ্ম্ম-নিৰ্ম্মিত প্রাচীন মন্দির । কিন্তু এই ব্ৰন্ধেশ্বর হইতে আবিষ্কৃত শিলালিপি হইতে জানা যায় যে, সোমবংশীয় রাজ উস্তোতকেশরীর মাতা কোলাবর্তা এই মনোহর মন্দির নিৰ্ম্মাণ করাইয়াছিলেন। খৃষ্টীয় একাদশ শতাকে রাজ উস্তোতকেশরী বিদ্যমান ছিলেন, তাহারছ সময়ে এই বিখ্যাত মন্দির নিৰ্ম্মিত হয়। একান্ত্রপুরাণের উপাখ্যান পাওদিগের স্বকপোল-কল্পিত্ত বর্ণনামাত্র । মন্দিরের পশ্চিমে একটা বৃহৎ সরোবর আছে, ইহার নাম ব্ৰহ্মকুণ্ড । স্বর্ণাত্রিমহোদয় ও একান্ত্রপুরাপে মন্দিয়স্থ লিঙ্গ ও কুও উভয়ের মাহাত্ম্যই বর্ণিত আছে। জঙ্কিশেখর। ব্ৰন্ধেশ্বরের উত্তরপূর্বে একটা বিস্তীর্ণ প্রাপ্তর মধ্যে ভাস্কয়েশ্বরের মন্দির অবস্থিত। একান্ত্রপুরাণে লিখিত थारह, चर्भवांगैौ cशबभ१ षषम उकांद्र मिको गजूझऊँौब्रदर्सी

  • अभब्राष चंच *४०-ev* श्रृंछे जड़ेद ।