পাতা:বিশ্বকোষ প্রথম খণ্ড.djvu/১০৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


जङ्गी - মানুষের জীবন পদ্মপাতার জল, নাগাদের জীবন তাহার চেয়েও অধিক—অষ্টপ্রহর পরস্পর এত বিবাদ ! কথায় কথায় বিবাদ ; বুক চিরিয়া রক্ত বাহির করিতে না পারিলে রাগ পড়ে লা—বিবাদের সময় তাহদের এত জেদ। তাই গৃহস্থের ঘর বাড়ী জুৰ্গম স্থানে কেল্লার মত না করিলে চলে না । ঘরগুলি এদেশের দোচাল কুঁড়ের মত, কাঠে ও বাশে নিৰ্ম্মিত। দুই দিকের চাল ও পশ্চাদ্ভাগ গড়েন। পাছে ঝড়ে উড়াইয় দেয়, সে জন্য ছ’চ প্রায় মাটীতে ঠেকিয়া থাকে। সম্মুখের চাল মেজে হইতে অনুনি বিশ হাত উচ্চ, পশ্চাতের চাল আট দশ হাত । মেজে চল্লিশ হাত দীর্ঘ এবং বিশ হাত প্রশস্ত । একটু সম্পন্ন ব্যক্তির চালের ঢালুর উপর কাঠের অনেক রকম কারিগরি করা, দরিদ্র লোকের সে সব গৃহসজ্জা নাই। এক একটা কুটীরের ভিতর দুই তিনটা প্রকোষ্ঠ থাকে। সন্মুখের খোপে শস্যাদি রাখিবার জন্ত বাশের বড় বড় ডোল । মাঝের কুঠুরীতে আগুন জাগাইবায় কুণ্ড । কুণ্ডের চতুৰ্দ্ধারে তক্ত বিছানো । তাহাই গৃহস্থের বসিযায় শয্যা ও গুইবার খাট। পশ্চাতের কুঠুরীতে পচাই মদের গাম। আর কিছু না হউক, ঘর গৃহস্থালী করিতে সকলের মদের সরঞ্জম আগে চাই। নাগাদের মধ্যে অনেকে আফিম ও তামাকু থায়, কিন্তু অঙ্গামীদের ভক্তি কেবল পচাই মদে। ইহারা বাশের বা শিঙের বাটতে পচাই . ঢালিয়। বেণার নলে তাহ টানিয়া পান করে। কেহ কেহ বাশের কি কাঠের চামচে করিয়া থাইতে ভাল বাসে । সকাল নাই সন্ধ্যা নাই, অঙ্গামীরা একটুন। একটু মদের ঝোকে সৰ্ব্বদাই ভোর হইয়া থাকে। বোধ হয়, তাহদের এতটা অস্তুবিচ্ছেদ কেবল এই মদ্যপানের জন্য। কুটীরের চারিদিক উচ্চ পাথরের পাচিলে ঘেরা। কাহারও কাহারও বাটার চতুর্দিকে প্রাচীর নাই, বড় বড় বাশের খাম্বার বেড়া । পাচিলের ও ঘরের কপাট | গাছের গুড়ী হইতে খুদিয়া বাহির করা, তাহাই দ্বারে লাগানো থাকে। কপাটের এবং বেড়ার ও প্রাচীরের গায়ে ছিদ্র কাটা , শত্রু আসিলে গৃহস্থের তাহার ভিতর দিয়া গুলি মারে। প্রাচীরের বাহিরে দুই তিন হাত গম্ভীর গর্ত। সেই গর্বে র্যাশের কিম্ব বেতের তীক্ষ গৈাজা পোতা। তাহার পর গৃহস্থের সেই গর্ত জয় মাটী কিম্বা পাতায় ঢাকা দিয়া রাখে। শত্রুর হঠাৎ জাসিলে Тяs] - * - - *-* * > . ـافـ ~ *-*-----

  • -->

পায়ে ধিধিয়া যায়। প্রাচীরের ভিতরে গোরু, বাছুর, ছাগল, শূকর, কুকুর, মুগী প্রভৃতি গৃহপালিত পশুপক্ষী থাকে। প্রত্যেক গ্রামে অঙ্গামীদের প্রায় সাত আট রকম জাতি আছে। . তাহারা কেহ কাহারও সংস্রবে থাকে না । এক একটী জাতির এক একটী স্বতন্ত্র পাড়া। পাড়ার চারিদিক উচ্চ প্রাচীরে ঘেরা। কোথাও গভীয় খাই, তাহার ভিতর দিয়া যাওয়া আসা করিবার পথ । * নাগাদের মধ্যে কোন কোন জাতি কাপড় পরে না, ভূষণ চিনে না। স্বভাবের কাজের উপর আজও কেহ হস্তক্ষেপ করিতে শিখে নাই—ৰিখাত যেমন গড়িয়াছেন, এখনও তাহারা সেই রূপ বিবস্ত্র জান্থে । অঙ্গামীরা কাপড় পরে, নিজে কাপড় বুনে। ইহাঙ্গের প্রধান পরিচ্ছদ কতকটা ধড়ার মত। বছরে এক হাত, লম্বে আড়াই হাত, ছোট কাপড় ধড়া করিয়া পরে। * floo ধড়ার আঁচল সম্মুখে ঝুলিতে f74 থাকে, তাহাতে থরে থরে গেটে কী বসানো। ভূলয় কিম্বা গাছের ছালের জায় এক খানি কাপড় চাদরের মত গারে দেয় । এ সাজ ঘরে বাছিয়ে অষ্ট প্রহর وی ه۹ : সামান্ত অবস্থার অঙ্গামী। পরিবার। নাচ গাহন কি লড়াই ঝগড়া এ বেশে হয় না । মৃত্য গীত ও যুদ্ধের সজ্জা অন্য প্রকার। গাঢ় নীলবর্ণ চাদরের দুই আঁচলে ঝালরদার হাসিয়া, তাহার দুই ধারে লাল ও হরিদ্র। পা’ড়—সেই চাদর পিঠের উপর দিয়া বুকে বাধা থাকে—ইহাই অঙ্গামীদের যুদ্ধের ও নাচের সাজ। স্ত্রীলোকদেরও কাপড় দুই খানি। গায়ের উপর প্রথমে একটী ছোট জামা কঁকাল পর্য্যন্ত খুলির থাকে। তাহার পর একখানি চাদর কাধের উপরে বেড় দিয়া কোমরে । লাগানো । শীত পড়িলে তাহার। ইহার উপর আর এক খানি চাদর গারে দেয় । अत्रागैौ शूक्षरनद्र माथाब्र दफ़ दफ़ ठूण ; cकबन সম্মুখে ছোট, তাহাই সীখা করিয়া আঁচড়ানে। অনেকে আবার "খা কাটে না, চুলের বালি জয় $भद्र बूगाहेब बाध्ष। दफ़ इन इका दीक्षा इण्ड পাৰ্বন জাগিলে ভাষার উপর গান্ধীরপাগন্ধ জাগাইং,