পাতা:বিশ্বকোষ প্রথম খণ্ড.djvu/১৫৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অণ্ড - [ ১৩০ ] অণ্ড (Microphone) মাইক্রোফোন নামক এক প্রকার মন্ত্র, ইহা দ্বারা অতি স্থায় স্থঙ্ক শব্দ জনায়াসে শুনিতে পাওয়া খায়। ১৮৭৮ খৃঃ অক্টে অধ্যাপক হিয়ুজ এই যন্ত্রের আবিষ্কার করেন। এই যন্ত্র এমন চমৎকার যে, একট ক্ষুদ্র মাছী চলিয়া বেড়াইলে, দুই তিন ক্রোশ দূর হইতে তাহার পাদবিক্ষেপ শক অনায়াসে বেশ স্পষ্ট শুনিতে পাওয়া যায় । উইলে গাছের কয়লাই এই যন্ত্রের প্রধান উপাদান । अ७ (क्ली) अग शृङानिबू-उ अमरुि नष्टटग्रांश९ शांख्ि অনেন । * । এমস্ত ডঃ উশ ১ । ১১১। এম প্রত্যাহারের (এ ম ঙ ণ ন ) কোন বর্ণ ধাতুর অস্তে থাকিলে তাহার উত্তর ভ প্রতার বিহিত হয় । ডিম্ব, ডিম। কোষ। পেশি । মুন্ধ। বীর্য্য। ভূগনাভি । আগুং থগাদিকোষে স্তান মুক্ষে বীর্যোহপি চ কচিৎ, { ইতি বিশ্বপ্রকাশ: ) । অণ্ডশব্দের অপভ্রংশে এণ্ড । জীব উৎপত্তির প্রথমাবস্থায় মনুষ্য, গো, পশুপক্ষী, মংগু, কীটপতঙ্গ প্রভৃতি সকল প্রাণীরই স্ত্রীজাতির গর্তে ডিম জন্মে। তাহার মধ্যে মানুষ, গোরু গ্রভৃতি কোন .৯ান জন্তুর গর্ভের ডিতরেই ডিম পরিপক্ক হইয় থাকে; পরে জরায়ুতে সস্তান জন্মে। কোন কোন জন্তুর গর্ডের | ভিতর সম্ভান হয় না। পক্ষী, মৎস্ত প্রভৃতি কতকগুলি জন্তু ডিম পাড়ে। শেষে ভূমি.8র পর সেই ডিম পরিপক্ক যে, জগতে মনুষ্য হইতে কীট পতঙ্গ প্রভৃতি করিয়া যত প্রকার জন্তু আছে, তাহাদের সকলের উৎপত্তির নিয়ম সমান নয় । আমাদের শাস্ত্রকারের চারি প্রকার উৎभडिद्र रुषं गिषिग्रांश्न । रुषंt,-५ छङ्गायूछ cषभन ময়ুষ্য, গে, মহিষ প্রভৃতি। ২ জগুজ, যেমন পক্ষী, মৎস্ত ইত্যাদি । ৩ স্কোজ, যেমন ক্রিফি ইক্ত্যাদি । ও উদ্ভিদ, বৃক্ষ লতা প্রভৃত্তি। তাহাৰু সমস্ত প্রাণীকে ৮৪ চৌরাশি লক্ষ শ্রেণীতে বিভক্ত করিয়াছেন। এই টোঁৱাশি লক্ষ ঘোনির মধ্যে ও চারি লক্ষ মন্ত্রব্য, ২৩ ভেইশ লক্ষ চতুষ্পদ জন্তু, ১০ দশ লক্ষ পক্ষী, ১৯ এগার লক্ষ কীট, ২৭ সাতাইশ লক্ষ স্থলচর এৰং ৯ নম্ন লক্ষ জলচর শাস্ত্র- } কারদের লিখিত চারি শ্রেণীর মধ্যে এক শ্রেণী গেল উদ্ভিদের, বাকি তিন শ্রেণী জন্তুগণের ইউরোপেরও গ্রাণিত্তৰবিং পণ্ডিতেরা জৰুদিগের তিন প্রকার উৎ- } अख्द्रि निब्रम निक्लिफ कब्जिाएश्न । किस्त्र छैशष्शङ्ग J দ্বাৰা ৰক্ত কম। ব্ৰহ্মাণের অনুসন্ধানের পর তীক্ষায় { হইলে বাচ্ছ বাছির হয়। প্রাণীতত্ত্বঞ্জেরা দেখিয়াছেন | এই রূপ নিশ্চিত করিয়াছেন যে, কোন কোন প্রাণীর শরীর কাটিয়া চুই খানি করিয়া ফেলিলে তাহার এক এক খণ্ড হইতে পূর্কের মত এক একটা জন্তু উৎপন্ন হয় পুনৰ্ব্বার সেই এক একটা জন্তুকে দুষ্ট খগু করিলে সাৰার তাছার এক এক খণ্ড হটতে ঠিক তদ্রুপ জন্তু উত্তত হইয়া থাকে। এই রূপ একটা জন্তুকে যত বার দুখও করিয়া কাটিকে, তাহার প্রত্যেক খণ্ডে এক একটা প্রাণী উৎপন্ন হইবে । ইহাকে ৰাবচ্ছেদ (fission ) দ্বারা জীবোৎপত্তি কহে। জলে অনেক প্রকার কীট থাকে, তাছাদের উৎপত্তি এই রকম । গলিত মৎস্ত মাংস খাইলে পেটে ফিতার মত এক প্রকার ক্রিমি কক্ষে । প্রথমে উহাদের শরীরের স্থানে স্থানে গাইট হয়, ক্রমে ঐ গাইট খসিয়া গেলে তাহ হইতে স্বতন্ত্র এক একটা ক্রিমি উৎপন্ন হইয়া থাকে। বর্ষাকাল আসিলে পল্লী গ্রামের পচা ডোবায় পেটে রোকের মত এক প্রকার কীট জন্মে। কিছু দিন পরে তাহার পুচ্ছের দিকে আর একটী কীট উৎপন্ন হয়। দে কাতীফজি (De Quatrenges) নামক জনৈক প্রাণিতত্ত্ববিৎ পণ্ডিত, সিলিম (syllis) নামে এক গ্রকার কীটের শরীর পরীক্ষা করিম দেখিয়াছেন, ইহার দেহ ছিড়িয়া আরও মূতন নূতন কীট উৎপন্ন হুইবার সময় তাহার পুছের দিকে জাঙটর মত কতকগুলি গাইট দেখা দেয়, এবং প্রথম গাইটের উপরে একটা খাজ পড়ে। অল্পদিনের মধ্যে వ్రై লালচ্ছেন্দমদ ২ . . ७थोप्न ५, ३, ४, s, °,४४रै इङ्गझै बेंब अफ्राि कूल# कौं? ह९°ग्न झरेरणदइ ? . . ° बडि बाण्४ क्रमाद्रिक'े क्रम भक्कु