পাতা:বিশ্বকোষ ষষ্ঠ খণ্ড.djvu/৩১৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


চিত্রবিদ্যা ইংরাজ চিত্রকর। প্রতিমূৰ্ত্তি চিত্রণে ও যথাযথ বর্ণবিভাসে তাহার স্থায় অদ্ভুত শক্তি অল্প লোকেরই ছিল। ইনি ১৭২৩ খৃষ্টাব্দে জন্ম গ্রহণ এবং ১৭৯২ খৃষ্টাম্বে মানবলীলা সম্বরণ করেন। তাহার পর অনেক বিখ্যাত চিত্রকর প্রাকুভূত হন। of FirsfŘ (Paul Sandby o azt-Stros :) ইংলণ্ডে প্রথম জলীয় রঙে কাগজের উপর ছবি আঁকিবার প্রথা উদ্ভাবন করেন। ক্রমে তাহারই উন্নতি হইয়া বর্তমান আকার ধারণ করিয়াছে। মুসলমানদিগের মতে জীবস্তপ্রাণীর মুৰ্ত্তি অঙ্কিত করা পাপ, সেই জন্ত অনেক বাদসহ চিত্রবিদ্যার উন্নতিকল্পে উদাসীন ছিলেন। ভারতের বিখ্যাত মোগলসম্রাটু অকৃবর ঐ কুসংস্কার অপনোদন করিয়া অনেক বিখ্যাত চিত্রকর দিয়া সুন্দর সুন্দর চিত্র প্রস্তুত করাইয়াছিলেন। তিনি রাজমনাম নামে মহাভারতের সংক্ষিপ্ত পারসী অনুবাদ করান। জয়পুররাজপুস্তকাগারে হস্তলিখিত ও সচিত্র ঐ মহাগ্রন্থের এক খ গু আছে । ঐ গ্রস্থের ছবি প্রায় চারিলক্ষ টাকা ব্যয়ে সৰ্ব্বোৎকৃষ্ট পারসিক চিত্রকরণ কর্তৃক চিত্রিত হয়। তখনকার বাদশাহ ও নবাবদিগের বহুসংখ্যক চিত্র আজও বৰ্ত্তমান আছে। মুসলমানদিগের নিকট হইতে এদেশীয় চিত্রকরগণ কিছু কিছু শিক্ষালাভওঁ করেন। & অজস্তাগুহা নিৰ্ম্মাণের পর এদেশে চিত্রবিদ্যার বিশেষ দুর্দশা উপস্থিত হইয়াছে । বর্তমান দেশীয় চিত্রকরগণ যেরূপ চিত্র প্রস্তুত করেন, তাহ অতি কদৰ্য্য । তাহাদের চিত্রে আকারের সামঞ্জস্ত, কিম্বা চিত্র ও চিত্রিত বস্তুর সোসাদৃশু कुिरे नाहे । সম্প্রতি পাশ্চাত্য অনুকরণে পুনৰ্ব্বার ইহার উন্নতি হইতেছে। কলিকাতা, বোম্বাই, মান্দ্রাজ প্রভৃতি প্রধান নগরে গবর্মেন্টের সাহায্যে চিত্রশাল সংস্থাপিত হইয়াছে, এবং তাহ হইতে বহুসংখ্যক ছাত্র উত্তীর্ণ হইয়া চিত্রাদি অঙ্কিত করিয়াই স্বচ্ছনে জীবিকানির্বাহ করিতেছে । বলা বাহুল্য ঐ সকল চিত্রের অধিকাংশই পাশ্চাত্য রুচি অনুযায়ী, কিন্তু ইহাই এক্ষণে ভারতীয় চিত্রবিদ্যাকে পুনর্জীবন দান করিতেছে । কেবল চক্ষুর প্রতি সম্পাদন করাই চিত্রবিদ্যার মুখ্য উদেহু নহে। চিত্রবিদগণ ইহার অনুশীলনে বিমল আনন্দ | জ্যোতিৰ্ব্বিদ্‌ পণ্ডিত ধেমন অনুভব করিয়া থাকেন। গ্ৰহগণের গতিবিধি পৰ্য্যালোচনা করিয়া আনন্দিত হন, সেইরূপ চিত্রকর সুন্দর বর্ণবিদ্যাস বা প্রাকৃতিক দৃশুদর্শনে কিম্বা নানারূপ চিত্রাদি কল্পনা করিতে করিতে অপার আনন্দনীয়ে ভাসিতে থাকেন। ইহার অনুশীলন এক .[ ৩১২ ] फ़ेिब्दविलji ప-:* বিশুদ্ধ আমোদের আকর। চিত্রবিদ্যাদুশীলনে যুবকগণের क्र ि७ ७धशूखि जरुण भोल्लिङ ७ प्लेब्रुङ श्ख्न ! हेश्। इोग्न! उँडादनौ भखिब्र जबाङ् डे९कर्ष जापिङ श्ख्न । याङ्कठिरु সৌন্দর্য্যদর্শনের চক্ষু ফুটে এবং মানব-মনে ভাবের লহরী প্রবাহিত হয়। পঞ্চাশ পৃষ্ঠা পড়িয়াও কোন স্থানের দৃপ্ত বা কাহারও অঙ্গভঙ্গী হাবভাষাদির বর্ণনায় মনে যে ভাবের উদয় না হয়, হয়ত সুচিত্রকল্পের শুদ্ধ একটা মাত্র চিত্রদ্বারাই তাহ। অনায়াসে হইতে পারে। সুতরাং সুচিত্রকর মুকবি হইতে নুন নহেন। বরং অনেক অংশে উৎকৃষ্ট, কেননা কবির বর্ণনা যতই উৎকৃষ্ট ও সূক্ষ্ম হউক না কেন, তাহা চিত্রের ষ্ঠায় সুস্পষ্ট ও বিশদভাবের উদ্রেক করিতে পারে না। আবার কবির মনোভাব লেই ভাষাভিজ্ঞ লোকেরই বোধগম্য, কিন্তু চিত্রকরের মনোভাব সকল লোক সকলকালেই বুঝিতে পারে। এতদ্ব্যতীত চিত্রস্বারা অন্যান্ত শিল্পাদি ও ব্যবসা বাণিজ্যের প্রভূত উন্নতি ও তজ্জন্ত দেশের ধনাগম হইয়া থাকে এবং চিত্রবিদ্যায় প্রাচীন পরিচ্ছদাদি ও বিখ্যাত জনগণের মূৰ্ত্তি প্রভৃতি চিরজীবিত করে, সুতরাং ইতিহাসের সম্যক উন্নতি সাধিত হয় । বর্তমান চিত্রকাৰ্য্য প্রধানতঃ দুইভাগে বিভক্ত, রেখাদি দ্বারা অঙ্কিত করা ও পরে বর্ণাদি দ্বারা রঞ্জিত করা। প্রস্তর, প্রাচীর, কাষ্ঠ, বস্ত্র বা কাগজের উপর চাখড়ি, উড়পেনসিল বা কালির স্বারা প্রধানতঃ অঙ্কনকাৰ্য্য সম্পন্ন হয় । শিক্ষার্থী প্রথমে সরল, বক্র প্রভৃতি নানারূপ রেখা টানিতে অভ্যাস করে, তাহাতে দক্ষত জন্মিলে বৃত্ত ত্রিভুজাদি জ্যামিতিক ক্ষেত্র অঙ্কন করিতে শিখে। উহা সম্পূর্ণ আয়ত্ত হইলে পর নানাবিধ বস্তুর ও মনুষ্য, পশুপক্ষাদির প্রতিকৃতি আঁকিতে অগ্রসর হয় । প্রথম প্রথম বস্তু সকলের কেবল দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ মাত্র প্রদর্শন করিতে শিখে । পরে সমতলের উপর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও বেধ তিনদিকৃই আঁকিতে চেষ্টা করে । এই*•f fèTC* (Perspective drawing) <* | èxi scoposiকৃত কঠিন ও কিছু অধিক শিক্ষার প্রয়োজন । ক্রমে চিত্রকর অনেক বস্তু একত্র যথাযথ আকারে অঙ্কন করিতে আরম্ভ করে । এই প্রকার চিত্রে বস্তু সকলের আকার সমামুপাতিক হইবে এবং আলোকময় ও অন্ধকারময় ভাগ বিশেষ দক্ষতার সহিত অঙ্কন করা আবখ্যক । সুদক্ষ চিত্রকর এমন সুন্দরভাবে চিত্র অঙ্কিত করিতে পারেন যে, তাহ দেখিলে প্রকৃত বন্ধ বলিয়া ভ্ৰম জন্মে । আলোক ও অন্ধকার চিত্রে প্রদর্শন করিতে দৃষ্টির প্রখরতা ও বিশেষ অনুশীলন প্রয়োজন । প্রাকৃতিক দৃশু যথা, নগরমধ্যস্থ রাজপথ, নদীতীর, বন,