পাতা:বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu/২৮২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


লিচ্ছবিরাজবংশ [ ૨૧ના ] লিচ্ছবিরাঞ্জবংশ .ெ ভগবান যখন আমাদের অধিকার মধ্যে দেহ বিসর্জন - লাল गिष्कृदि-ब्रांजव:* । করিয়াছেন, তখন আমরাই দেহাবশেষ পাইবার একমাত্র পূৰ্ব্বে বলিয়াছি, মগধপতি অজাতশত্রুর নির্য্যাতনে লিচ্ছবিBBBBS BBB BBBBB BBBBBBBS BBBBB BBBS BB BBBB BBBB SBBB S BBB BBB DDBB শত্ৰ, অলকাপুরের বালেয় ক্ষত্ৰিয়গণ এবং উইম্বীপের ব্রাহ্মণগণ দেহাবশেষ পাইবার জন্য মররাজদিগের বিরুদ্ধে উপস্থিত। অবশেষে দ্রোণ নামক এক বৌদ্ধ ব্রাহ্মণের পরামর্শে ভগবানের দেহাবশেষ ৮ জ্ঞাগে বিভক্ত হইল। লিচ্ছবিগণ তাহার এক ভাগ পাইলেন । তাহারা সেই অপার্থিব পদার্থ মহাসমারোহে বৈশালীতে জানিয় তাহার উপর এত বৃহৎ শু,প নিৰ্ম্মাণ করিয়া দিলেন । অখকথা নামক পালি বৌদ্ধগ্রন্থে লিখিত আছে, যতদিন ভগবান ধরাধামে ছিলেন, ততদিন অজাতশত্রু লিচ্ছবিগণের কিছুই করিতে পারেন নাই। মগধরাজমী বিশ্বাকর বুদ্ধের নিকট লিচ্ছবিদিগের সাধারণতন্ত্র অবগত হইয় তাহাদিগের মধ্যে ভেদ ঘটাইবার সুযোগ খুজিতেছিলেন। পরিনিৰ্ব্বাণের ৩ বর্ষ পরে বহুকাল চেষ্টার পর তিনি কৃতকাৰ্য্য হইলেন । তাহার কূটনীতিগুণে লিচ্ছবিদিগের মধ্যে আৰুকলহ উপস্থিত হইলে অজাতশত্রু লিচ্ছবিরাজ্যে গিয়া বৈশালীনগর ধ্বংস করিলেন এবং তিন শত লিচ্ছবিকে সপরিবারে বন্দী করিয়া রাজগৃহে ফিরিলেন । অজাতশত্রর নির্যাতনে লিচ্ছবিরাজগণ জন্মভূমি পরিত্যাগ করিয়া কেহ নেপালে, কেহ তিব্বতে, কেহ বা লাদকে আশ্রয় লইলেন। পরে সেই সেই স্থানে এক একটা লিচ্ছবিরাজবংশের প্রতিষ্ঠা হইল । বৌদ্ধগ্রন্থের মতে মগধপতি নাগাশোকের ঔরসে লিচ্ছবিকম্বার গর্ভে সুস্থনাগ ( পুরাণোক্ত শিশুনাগ ) রাজার জন্ম । তিনি মাতামহকুলের কিছু পক্ষপাতী ছিলেন। তাহারই যন্ত্রে বিখ্যাত বৈশালী নগরী পুননিৰ্ম্মিত হইয়াছিল। তৎপুত্র কালাশোকের সময়েই বৈশালী নগরে দ্বিতীয় বৌদ্ধ মহাসমিতি আহূত হয়। যাহা হউক, মগধসম্রাটুগণের প্রতাপে আর লিচ্ছবিরাজগণ একতাস্থত্রে সম্মিলিত হইতে পারিলেন না । তন্মধ্যে যিনি একটু প্রধান হইয়া উঠিতেন, মগধপতি তাহার সহিত বৈবাহিকসূত্রে আবদ্ধ হইয়া উহাকে আপনার করিয়া লইতেন ;-বলিতে কি এই রাজনীতি মগধপতিগণ পুরুষপরম্পরায় রক্ষা করিয়া আসিয়াছেন। বরাবর মগধরাজ্যের সহিত সম্বন্ধ সুত্রে লিচ্ছবিরাঞ্জগণ পাটলিপুত্রের সভায় বিশেয সন্মানিত ছিলেন;–এই কারণেই বোধ হয় পাটলিপুত্রে অধিষ্ঠিত গুপ্তসম্রাটু সমুদ্রগুপ্ত লিচ্ছবিরাঙ্গকস্তার গর্ভে জন্ম বলিয়া আপনাকে গৌরবান্বিত মনে করিয়াই নিজ মুদ্রায় লিছবয়ঃ” ইত্যাদি স্থতি রাখিয়া গিয়াছেন। আধিপত্য বিস্তার করিতে সমর্থ হইয়াছিলেন। এই স্থান হইতে লিচ্ছবিরাজগণের বহুতর শিলালিপি আবিষ্কৃত হইয়াছে। তন্মধ্যে সুপ্রসিদ্ধ পশুপতিনাথের মন্দিরের দ্বারদেশে উৎকীর্ণ ২য় জয়দেব বা পরচক্রকামের শিলালিপি হইতে জানা যায় যে, সুপ্রসিদ্ধ রঘুবংশে এখানকার লিচ্ছবিরাজগণের জন্ম । লিচ্ছবির বংশে সুপুষ্প নামে এক রাজা পুষ্পপুরে ( পরে পাটলিপুত্র ) থাকিতেন, তিনিই নেপালে আগমন করেন । মহাপরিনিৰ্ব্বাণসুত্রেও লিখিত আছে, ভগবান বুদ্ধদেব যখন পাটলিপুত্রের নিকট দিয়া যান, তৎকালে মগধরাজমন্ত্রী বিশ্বাকর লিচ্ছবিদিগকে উৎপীড়ন করিবার জন্ত এখানে দুর্গ নিৰ্ম্মাণ করাইতেছিলেন । এই দুর্গ নিৰ্ম্মাণের পর যে লিচ্ছবিপতি সুপুষ্প বিতাড়িত হইয়াছিলেন, তাহাতে সন্দেহ নাই । উক্ত জয়দেবের শিলালিপিতে লিখিত আছে যে, স্বপুষ্পের পর ২৩জন রাজা ক্রমান্বয়ে রাজত্ব করিয়া গেলে তৎপরে সুপ্রসিদ্ধ জয়দেব নামে এক নৃপতি আবিভূতি চুইলেন। ইনিই নেপালের লিচ্ছবি ইতিহাসে প্রথম জয়দেব নামে খ্যাত । জয়দেবের পর একাদশ জন নৃপতি রাজসিংহাসন অলস্কৃত করেন, তৎপরে বৃষনামে এক পরাক্রান্ত নৃপতি অভিষিক্ত হইয়াছিলেন । তিনি বৌদ্ধধৰ্ম্মানুরাগী ছিলেন । তাহার বংশধর মানদেবের শিলালিপিতে তিনি অদ্বিতীয় ৰীর ও সত্যপ্রতিজ্ঞ বলিয়া কীর্তিত হইয়াছেন। তৎপুত্র শঙ্করদেব সংগ্রামে অজেয়, অতি তেজস্ব, অমুগতপ্রিয় ও সিংহসম বীৰ্য্যবান ছিলেন। তৎপুত্র রাজা ধৰ্ম্মদেব পরম ধাৰ্ম্মিক, অতি মন্ত্রপ্রকৃতি ও পুৰ্ব্বপুরুষাচরিত ধৰ্ম্মামুরাগী ছিলেন। ধৰ্ম্মদেবের ঔরসে মহিষী রাজ্যবতীর গর্ভে নিষ্কলঙ্ক শারদীয় শশাঙ্কসদৃশ সুন্দর রাজা মানদেব জন্ম গ্রহণ করেন। নেপালের চকুনারায়ণের মন্দিরদ্ধারে এই মানদেবের ৩৮৬ সংবতে উৎকীর্ণ একখানি শিলালিপি আছে। প্রত্নতত্ত্ববিদ ফ্লিট সাহেব এই অঙ্ক গুপ্তসংবৎজ্ঞাপক বলিয়া স্থির করিয়াছেন । কিন্তু মানদেবের লেখমালা আলোচনা করিলে উহা কোন মতেই এত আধুনিক বলিয়া মনে করিতে পারি না। তিনি আপন গ্রন্থে সমুদ্রগুপ্ত প্রভৃতি প্রথম গুপ্তসম্রাট্দিগের যে সকল শিলালিপি খৃষ্টীয় ৪র্থ ও ৫ম শতাব্দীর লিপি বলিয়া গ্রহণ করিয়াছেন,—সেই সকল আদিগুপ্তলিপির বর্ণবিস্তাসের সহিত উক্ত মানদেবের •Fleet's Corpus Inscriptionum Indicarum, Wolp. 182.