পাতা:বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu/৬৮৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


६जेकझ४ ● [ eحان ] सबैंकङ्गक्ष বশিত্ব ( ) বশি গবে । আয়ত্তত্ব । শাস্ত্ৰং সুচিস্তিতমপি প্রতিচিন্তনীয়মারাধিতোহপি নৃপতিঃ পরিশক্ষনীয়: । অঙ্কে স্থিতাপি যুবতি: পরিরক্ষণীয় শাস্ত্রে নৃপে চ যুবতে চকুতো বশিষ্ণং।” ( বড় ভু ১) ২ অণিমাদি অষ্টবিধ ঐশ্বর্য্যের মধ্যে ঐশ্বর্যবিশেষ । যোগ দ্বারা এই ঐশ্বর্য লাভ হইয়া থাকে। এই ঐশ্বৰী লাভ হইলে স্বতন্ত্রভাবে বিচরণ করিৰার ক্ষমতা হয় এবং সকলই তাহার বশ হইয়া থাকে। ‘অণিমা লঘিমা প্রাপ্তিঃ প্রাকাম্যং মহিমা ভথা । ঈশিত্বঞ্চ বশিত্বঞ্চ তথা কামবশায়িতা ॥’ ( ভয়ত ) বশিন (ত্রি) বশ ইনি। জিতেন্ত্রির, বশযুক্ত। বশিনী ( স্ত্রী) বশে বর্ণীকরণ সাধ্যত্নোস্ত্যন্ত ইতি বশ-ষ্টনি | উীপ, ১ ঘন । ২ শমীবৃক্ষ । বশিষন (ত্রি) যোগের ঐখাভেদ। “বশিত্বাৎ বশিমা নাম যোগিন: সপ্তমোগুণ: " (માજૂિ. 8 જા૭૨ ) বশির (ক্লী) উৎতে ইষ্যতে ইতি বশ বাছলকাৎ কিরচ, যা বশং বশত্বং রাতীতি রা-ক। ১ সামুদ্র লবণ । ২ গজপিপ্পলী। (অমর ) ৩ চব । ( রাজনি• ) ৪ অপামার্গ। ( মেদিনী ) ৫ বচা । ( শব্দচন্দ্রিক ) বশিষ্ঠ , পুং) বশবতা বশিনীং শ্ৰেষ্ঠ, বশবং ইষ্ট (ন্সিতোলুক। পা ৫।৩৬৫ ) ইতি মতোলুক, যা বরিষ্ঠঃ পূর্যোদরাদিত্বাৎ সাধু । স্বনামখ্যাত মুনি, প্যায়-অরুন্ধতীজানি, অরুন্ধতীনাথ, বশিষ্ঠ । (হেম বশিষ্ঠ ব্ৰহ্মার প্রাণ হইতে জন্মগ্রহণ করেন, কদমকন্ত অরুন্ধতী ই হার স্ত্রী এবং পুত্র সপ্তর্ষি । ( ভাগবত ) কুৰ্ম্মপুরাণের । মতে ই হার ৭ পুত্র ও এক কস্তা। [ বসিষ্ঠ দেখ। ] “বশিষ্টশ্চ তয়োর্জায়াং সপ্ত পুত্রানজীজনৎ। কাঞ্চ পুওরীকাক্ষাং সৰ্ব্বশোভাসমন্বিতাম্।।” (কুৰ্ম্মপু১২অ') ২ মিত্রাবক্ষণের পুত্র। ( অগ্নিপু• ) বর্ণীকরণ (*) বশ কভাবে লুট, অদ্ভূততবেছি। গণিমনোদি দ্বারা আয়তীকরণ, আথৰ্ব্বশক্রিয়াকে, যে ক্রির দ্বার সকলে বশ হয়, তাহাকে বর্ণীকরণ কহে, ইহা মণি, মন্ত্র ও eবৰ বার হইয়া থাকে। মণি প্রকৃতি ধারণ এবং মন্ত্র ও ঔষধ अप्ल्याण कप्णि बनौकब्रम श्छ। व्यङ्ग बनौकब्रम्मत्र अरबबगिब्र বিশেৰ বিবরণ বর্ণিত হইয়াছে, অতি সংক্ষেপে তাঁহায় বিষয় জালোচনা করা হইল । নিনিবারণ, উচাটন ও বর্ণীকরণাদি কাৰ্য্য করবেন, তাহার अनिरु श्हेप्ड श्हेब, भइनिक न रहेथ्रा गरे गरूण मन्द्रि | | | | i t f \ | t | | | कब्रिरण छोश निरु हरेरब जी ! गोषक हिब्रफ़िरख विश्वङि जङटव षङ्ग झ* क्षेिष्व। ५्रं विनैौलिङ्ग१ सॆग्नेिहश्, नििौशङ्गं सूर्य्] ੋਸ छाशरक क्लॅममाज जिडूश्म चूक-इ३ग्रा थाहङ्ग । * ভূমিকুমাও ও বটবৃক্ষের মূল জলের সুতি ধর্ষণ করিয়া বিভূতির সহিত কপালে ডিলক করিযে, এই করিয়া বাছাকে দেখা যায়, তিনিই ঘণীভূক্ত হন । পুস্থানক্রত্রে পুনর্নবার মুল ও ब्रजनखैौन्न मूल फेरख्णन कब्रिब्रl uहे भूरणब्र नश्ठि शबबैौछ शकमकारण ‘é भैः शूद्र ८भगउद्र उशदङि आउँौब्रध्न हृ चाश' uहें भई দ্বারা ৭ বার অভিমন্ত্ৰণ করিবে। ইহা ৰন্ধন করিবার পূর্কে ঐ মন্ত্র বিংশতি সহস্ৰ জপ কল্পিৰে । ইহাতে লোক সকল বশীভূত হয় । বায়ু দ্বারা উৎক্ষিপ্ত পত্র, মঞ্জিষ্ঠ, অর্জুনস্তৃক্ষ, তগৰকাঠ এই সকল দ্রব্য সমভাগে ৰাহাকে ভক্ষণ এবং যাহার গাত্রে প" করান যায়, সেই ব্যক্তি ৰণীভূত হয় । পুষ্যানক্ষত্রে কণ্টকারীর মূল উত্তোলন করিয়া কটিতে বন্ধন এবং কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশীর রাত্রিতে শ্মশানস্থিত মহানীল বৃক্ষে: মূল উদ্ধৃত করিয়া নরতৈলায় অঞ্জন করিলে জগৎ বশীভূত হয়। শ্মশানোৎপন্ন মহানীলবৃক্ষের মুল ও স্বীয় শুক্র একত্র পেষণ করিয়া অঙ্গল করিলে বণীকরণ করিতে পারা যায় এবং উক্ত মূল হন্তে বন্ধন করিলে সেই ব্যক্তি সৰ্ব্বলোকপ্রিয় হয় । পুষ্য নক্ষত্রে ইড়া নাটী বহন সময়ে ব্রহ্মদত্তীর মূল উত্তোলন করিয়া যাহাকে ভোজন করাম যায়, সে বগু হয় । পেচকের সদয়, ঘৃতকুমারী ও গোরোচনা, এই সকল দ্রব্য সমপরিমাণে লইয়া চক্ষুতে অঞ্জন করিলে ত্রিভুবন বশীভূত হয় । চক্ষুতে অঞ্চল দিবার পূৰ্ব্বে ও নমো মহাৰ্যক্ষিণি অমুকং মে বশমনের স্বাঙ্গ” এই মন্ত্র ১০ হাজার জপ করিতে হয় । মৃগশিরানঙ্গত্রে রক্তকরণীয় মূল উদ্ভূত করিয়া তাহার নয় জজুল পরিমাণে কীলক —‘ওঁ ঐ স্বাহা’ এই মন্ত্রে ৭ বার অভিমন্ত্রিত কfরয়। যাহায় নাম উল্লেখ করিয়া ভূমিতে নিখনন করা যায়, সেই ব্যক্তি নিশ্চয়ষ্ট বশীভূ । हग्न । $ भइ ¢श्वटम ४० झांख्ञांग्न छ* कङ्ग ब्यांबछुक । অপামার্গের মূল উত্তোলন করির তাহার তিম অঙ্গুল পরিমিত কীলক ৭ বার অভিমন্ত্রিত করিয়া যাহার গৃহ মধ্যে নিক্ষেপ করা शाब्र, cगहें दाडि बलैडूठ शहेग्रा थाएक। ‘७ मनन कमtनबाग्न স্বাহা’ এই মন্ত্র অষ্টোত্তরশত বার জপ করিয়া সিদ্ধ হইলে এই কাৰ্য্য করিবে । অভিমন্ত্রণও এই মন্ত্রদ্বারা হইবে । অপামার্গের মূল দ্বারা কপালে তিলক করিলেও বশীকরণ হয় । স্বল্পকূকুসুম বস্ত্র মধ্যে গ্রহণ করিয়া ত্রিপথের মধ্যস্থানে শনি বা মঙ্গলবারে দগ্ধ করিবে । তৎপরে ঐ বস্ত্রদগ্ধভন্মস্বারা কপালে তিলক করিৰে। ইহাতে রাঙ্গাও বশীভূত হন। দস্থ করিবার সময় ‘ওঁ নমো তৈরবীতরে জাঙ্গাকালে কমলমুখে