পাতা:বিশ্বকোষ সপ্তম খণ্ড.djvu/৭১১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


তাল তাৰ্ত্তাত্বিকং পুরায়েস্তদবতু মদনপ্লোষণঃ লোচনং বঃ ” $ • ( মালতীমা ) তাপ্য (ল্পী) ভূপণ্যৎ । তৃপানামক লতাজাত বস্ত্রভেদ। (লায়ণ) তার্ষ্য (ত্রি ) তর কৰ্ম্মণি গ্যৎ । ১ তরুণীয়। তরে তরণে দেৱং ব্যুঞ । ২ তরণার্থ দেয় গুপ্ত, তরুপণ্য, পারানি কড়ি। তাষ্টধি । পুং) বৃক্ষভেদ। " তাল (পুং ) তলএব-অ’ । ১ করতল। তাডাতে তড়-কৰ্ম্মণি অচ্ ড়ন্ত ল। (ক্লী) ২ হরিতাল। ৩ তালীশপত্র । ৪ দুর্গাসিংহাসন। তলত্যত্র তল-ঘঞ । ৫ বৃক্ষবিশেষ, তালগাছ, পৰ্য্যায়—তালক্ৰম, পত্রী, দীর্ঘস্কন্ধ, ধ্বজক্ৰম, তৃণরাজ, মধুরস, মদাঢ্য, দীর্ঘপাদপ, চিরায়ুং, তরুরাজ, দীর্ঘপত্র, গুচ্ছপত্র, আসবদ্রু, লেথ্যপত্র, মহোন্নত। ( রাজনি" ভাবপ্র” ) ভারতের নানস্থানে, সিংহল, ভারতমহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ, ব্ৰহ্মদেশ ও পারস্তোপসাগরের দুইধারে তাল গাছ জন্মে । বাঙ্গালায় পুষ্করণীর পাড়েই এই গাছ অধিক দেখা যায়। এক একটা ৭০ ফিটু পর্য্যস্ত বড় হয়, কিন্তু গুড়ি ৫ ফিটের অধিক প্রায় মোট হয় না। তালবিলাস নামক তামিল গ্রন্থে এই তালগাছের ৮০১ প্রকার গুণের পরিচয় বর্ণিত হইয়াছে। বাস্তবিক তালের সৰ্ব্বাংশই এক রকম না এক রকমে লাগান মাইতে পারে। পুরাতন তালই অধিক ব্যবহার্য্য । গাছ বয়সে যত বৃদ্ধ হইতে থাকে, ততই কঠিন ও কৃষ্ণবর্ণ হইয় আসে । ততই তাহার পেটী উত্তম বলিয়া গণ্য। ইহার পেটতে বরগা, বাত প্রভৃতি প্রস্তুত হয়। সিংহলের জাফনার তালকাঠ বিশেষ খ্যাত ছিল । ইহাতে নানা দ্রব্য প্রস্তুত হইবার জন্য পূৰ্ব্বকালে নানা দেশে রপ্তানী হইত। ডাক্তার ওয়াইটু পরীক্ষা করিয়া দেখিয়াছেন যে ভাল তালকাঠ শালকাঠ অপেক্ষ কোন অংশে নিকৃষ্ট নহে। তালগাছের আট হইতে কৃষ্ণোজ্জলবর্ণের গদ হয়। পত্রগুচ্ছের আঁশ বা তন্তুতে বেশ সক্ত দড়ি প্রস্তুত হয় । এক এক গাছ। তন্তু ২ ফিটু পর্য্যস্ত লম্বা হয় । ইহাতে মৎস্তজীবিগণ একপ্রকার মুন্দর জাল প্রস্তুত করে । পাতায় পাখ, চুবড়ী, পেটিক প্রস্তুত হয় ও দক্ষিণাত্যে অনেক স্থলে কাগজের পরিবর্তে লেখাপড়ার কার্য্যে ব্যবহৃত হয়। ইহাতে অতি সহজে দেশালাইএর বাক্স তৈয়ারি হইতে পারে, তাহাতে খরচাও বড় কম পড়ে। কোন কোন স্থানে डांढण*ांउॉम्न श्रृंद्र झाँ७ब्रां क्रुझ । তালগাছের রস হইতে প্রধানত: সির্ক, তাড়ি ও মদ্য देिखुङ हङ्ग ! 據 * * { ৭০৯ ] : তাল তালের স্বল প্রধানতঃ তেজস্কর, শ্লেয়ানাশক ও টাটুক' अवशंग्र अठिणग्न भधूझ । शनि अङाइ यांटङ शैदुिमड পান করা যায়, তাহা হইলে মৃদ্ধ বিরেচমের কার্য্য করে। প্রদাহিক রোগ ও শোথেও ধিশেষ উপকারী । , - শুষ্ক তালগুচ্ছ বুকজালায় অল্পনাশক । তালের ফেনাযুক্ত রসকে তাড়ি বলে । [ তাড়ি দেখ। ] তাড়ির পুলটিস পচা ক্ষত, নালী ও কঠিন স্ত্রণরোগে উপকারী। টাটুক। তালের রস ময়দায় মিশাইয়া অল্প অগ্নির উত্তাপে ধরিলেই গাজ উঠিতে থাকে, তখনই পুলটিস হইল । পাক তালের মজ্জা চৰ্ম্মরোগে উপকারী। শরীরের কোন স্থান ক্ষত হইলে সিংহলের চিকিৎসকের রক্তবন্ধ করিবার জন্য তাল আঁটির রোয়া ক্ষতস্থানের উপর চাপড়াইয়া দেন । যে রসে সবে মাত্র গেজ উঠিয়াছে, তাহ খাইলে মূত্র কৃচ্ছ রোগ কতকটা ভাল থাকে ; ইহা শোথেও উপকারী। তালশাসের জলে বমন ও বমনোদ্রেক লিবারিত হয় । তালের টাটুকা রসে উত্তম গুড় ও চিনি হয় । [চিনি দেখ। ] তাড়ি চোয়াইয়া লইলে ভাল আরক বা সুরা হয় । [মদ্য দেখ। ] চৈত্রের প্রথমে তালগাছে ফুল ধরে এবং বৈশাখে ফুল হয় ; ভাদ্রমাসে তাহ বেশ পাকিয় উঠে । এক একটা ফলে প্রায় ৩টা করিয়া আঁটি থাকে, তবে আয়তনে ছোট হইলে প্রায় ছটা দেখা যায়। অপক অবস্থায় তালগুচ্ছ ছাড়াইয়া যে কোয়া পাওয়া যায়, তাহাকেই আমরা তালশাস বলি। অপঙ্ক অবস্থায় উহার মধ্যে জল থাকে। যতই পাকিতে থাকে, তত জল চাপ বাধিয়া শাসের সহিত কঠিনাকার ধারণ করে। শেষে সেই আঁটির মধ্যে ফোপর হয়। তাহ খাইতে মিষ্ট, মুখপ্রিয় ও গুণ অনেকটা নারিকেলের ফোপরের ਸਝ ` পূৰ্ব্বেই লিখিয়াছি, তালকাঠে নানা প্রকার গৃহসামগ্ৰী প্রস্তুত হইতে পারে। সেইরূপ রসও আহারাদি ভিন্ন আরও অনেক কাজে লাগে। তন্মধ্যে একটা উল্লেখ করিব । ডিম্বের লালায় তালের রস ঢালিয়া শঙ্খ বা শুক্তির চুণ মিশাইয়া মসলা করিয়া মেজের উপর লেপন করিলে উৎকৃষ্ট পালিস হয়, তাহ দেখিতে ঠিক মৰ্ম্মর পাথরের মত झुद्देग्न थाप्टक् । তালের অসংখ্য গুণ দেখিয়া হিন্দুগণ ইহাকে পবিত্র বৃক্ষ মধ্যে গণ্য করেন। কেহ কেহ ইহাকেই কল্পদ্রুম মনে করিয়া থাকেন । \ পশ্চিমদেশে এই বৃক্ষকে তার বা তাড়বৃক্ষ কহে । বৈদ্যক মতে ইহার গুণ-মধুর, শীতল, গন্ত, দাহ ও শ্রমনাশক । ইহার রসের গুণ-কফ, পিত্ত, দাহ ও শোধনাশক এবং