পাতা:বেতালপঞ্চবিংশতি.pdf/১৫৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটিকে বৈধকরণ করা হয়েছে। পাতাটিতে কোনো প্রকার ভুল পেলে তা ঠিক করুন বা জানান।
১৪৭
১৪৭
বেতালপঞ্চবিংশতি

দশান্তর প্রাপ্ত হইলেন। অনন্তর লজ্জাভঙ্গ হইলে এই রূপান্তরপ্রতিপত্তিরূপ অদ্ভুত ব্যাপারের নিগূঢ়তত্ত্ববোধার্থে কৌতুকাবিষ্ট হইয়া সবিশেষ কারণ জিজ্ঞাসা করিলেন। মনস্বী আপন বিচেতনদশা অবধি ভূদেবের তিরস্করণীবিদ্যাদানপ্রসাদপর্য্যন্ত আদ্যোপান্ত সমস্ত বৃত্তান্ত বর্ণন করিয়া পরিশেষে ধর্ম্ম সাক্ষী করিয়া গান্ধর্ব্ববিধান অনুসারে পাণিগ্রহ সমাধান করিলেন।

অল্প দিনের মধ্যেই রাজকুমারী অন্তর্বত্নী হইলেন। এই সময়ে এক দিবস রাজা সুবিচার সপরিবার অমাত্যভবনে নিমন্ত্রিত হইলেন। রাজকন্যা এক নিমিষের নিমিত্তেও ব্রাহ্মণবধূকে নয়নের অন্তরাল করিতেন না। সুতরাং তিনি অমাত্যভবনপ্রস্থানকালে তাহাকে আপন সমভিব্যাহারে লইয়া গেলেন। অমাত্যের পুত্ত্র ব্রহ্মাণবধূর অসামান্যরূপলাবণ্যদর্শনে মোহিত হইল এবং নিতান্ত অধৈর্য্য হইয়া আপন মিত্রের নিকট কহিল যদি এই নারী হস্তগত না হয় প্রাণত্যাগ করিব। ফলতঃ মন্ত্রিপুত্ত্রের ক্রমে ক্রমে বিরহবেদনা এরূপ বৃদ্ধি পাইতে লাগিল যে কেবল দশমী দশা মাত্র অবশিষ্ট রহিল।

তখন তাহার মিত্র অন্য কোন উপায় না দেখিয়া অমাত্যের নিকটে গিয়া আপন মিত্রের অবস্থা ও প্রার্থনা