ভূপালদেশীয় ভূধরেন্দ্র ভূপাল স্বীয় পঞ্চম বর্ষীর স্বকুমার কুমারের বিদ্যারম্ভের সময় বিগত প্লায় বিবেচনায় এক দিবস নরবরেন্দ্র মন্ত্রিবরকে আহ্বান পুরঃসর আদেশ করিলেন যে মন্ত্রিন । ত্রমান রাজকুমারের বিদ্যারম্ভের কাল প্রায় উত্তীর্ণ পায়, অতএব অধ্যাপকের উপযুক্ত একজন পণ্ডিতকে আনয়ন এবং বিদ্যারম্ভের দিন নিৰূপণ কর, বিলম্বে ক{য নষ্ট ! (করপুটে) মন্ত্রীবর । যে আজ্ঞা মহারাজ বলিয়া তৎক্ষণাৎ উপস্তি ত জ্যোতির্বিং পণ্ডিত বর যোগেশ্বর তাচ - র্য্যের দ্বারা বিদ্যারম্ভেব শুভদিন নিৰূপণ করত নগরস্থ ভূদেবনামক প্রাচীন অধ্যাপক মহাশয়কে (যিনি ষড় দশনাদি পর্যান্তের দর্শক অথচ নীতিবোধে অতি নিপুণ) রাজকুমার ক্রমান রাজকুমারের বিদ্যাধ্যাপনার্থ মনোনীত করিয়া উভয় পণ্ডিতকে রাঞ্জ সন্নিহিত উপনীত করিলে মহারাজ (বিলোকনতঃ) কেও আচার্য্য মহাশয় ! প্রণাম হই, ই নি কি অধ্যাপক.? ভাল ভাল প্রণাম প্রণাম মহাশয় ! বস্তে আজ্ঞা হউক। মূঞ্জিবর । ই মঙ্গরাজ ইনিই অধ্যাপক বটেন, यात्राथैौं মাঘ মাসীয় ত্রয়োদশ দিবসে গুরুবাসরে শুক্লপক্ষীয় তৃতীয়া তিথিতে বিদ্যারম্ভ হইবেক, আচার্য্য মহাশয় কর্তৃক দিন নিৰূপণ হইয় ছে (পরে অধ্যাপক পানে অঙ্গুলী ভঙ্গিক্রন্থে দশটিয়া) ইনিষ্ট এতন্নগরীয় অধ্যাপকের শিরোমণি, ব্যাকরণাদি ষড় দর্শনবেক্তা, নীতিশাস্ত্র জ্ঞাতা বটেন, ইহাকে রাজকুমারের, অধ্যপর্কের”
পাতা:বোধমুক্তাবলি (দ্বিতীয় খণ্ড).pdf/২৭৬
অবয়ব