পাতা:ব্যবসায়ে বাঙালী.djvu/১৯৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


बादनांtग्न वांछांलौ ১৮৬ {} म१ घि १ब्रिन कब्रिध्न भञ्जूङ ब्रांथ काल । दांडांशैौड़ भाषा क'छन अङ টাকা বাহির করিতে পারে ? যাহাদের টাকা আছে, তাহারা আবার বিদেশে গিয়া এত ঝঞ্জাট করিতে ইচ্ছুক নহেন। কাজেই ইহার মধ্যে বাঙালী বড় নাই। খুরজা প্রভৃতি বড় বড় ধির মোকামে অনেক অ-বাঙালী ধনী মহাজন গুদাম প্রস্তুত করিয়া টাকা লইয়া বসিয়া আছে। তাহাদের গুদামে মাল মজুত রাখিলে মৃতের খরিদ-মূল্যের ৭৫ ভাগ টাকা তাহারা শতকরা ১০২।১২< স্বদে ধার দেয়। পরে যখন যে-পরিমাণ টাকা প্রদান করা হয়, তখন সেই পরিমাণ মাল ‘ডেলিভারি’ দিয়া থাকে। কাজেই বাঙালী ব্যবসায়ীরা যাহা লাভ করিবে, ঐভাবে টাকার স্বদ দিতে হইলে সে লাভ আর আসিবে না। কলিকাতার কোন ব্যাঙ্ক এই কাজে হাত দিতে সাহস করে না,কারণ বদ্ধ টীনে ঘির পরিবর্তে অন্য জিনিষ ভৰ্ত্তি হইয় প্রতারিত হইবার আশঙ্কা আছে । বর্তমানে অ-বাঙালীর মধ্যে বহুলোক ঘির ব্যবসা করিতেছে। কারণ সব ব্যবসা অপেক্ষ ইহাতে লাভ বেশী । যদি ত্রিশ সের খাটী ঘির মূল্য ৩০২ টাকা হয়, আর উহাতে ২৪২ টাকা দরের উৎকৃষ্ট ভেজিটেবিল যি দশ সের মিশানো যায়, তবে প্রতিমণ ৩৬২ টাকায় পড়তা হয়। বাজারে এই ৩৬২ টাকার পড়ত ঘি ৪৮।৫০২ টাকা দরে উৎকৃষ্ট খি বলিয়। অবাধে চলিয়া যায়। প্রতি মণে ১২।১৪২ টাকা লাভ । টাকার দিক্ দিয়া বিচার করিলে শতকরা প্রায় ২৫২ টাকা লাভ ; বর্তমানে আর কোন ব্যবসায়েই এ জাতীয় লাভ দেখা যায় না। ঘির ব্যবসায়ে লাভের মাত্রা বেশী থাকায় বাজারে ৩০.৪০ দিনের ডিউতে উহা বিক্রয় চলিতেছে। বাংলায় আড়তদারী প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হইলে বাঙালীর অনেকে পশ্চিমাঞ্চল হইতে ঐ সমস্ত ধি আমদানি করিয়া মজুত রাখিয়া ব্যবসা চালাইতে পারে, এবং তাহাতে ভেজালও কম হইতে পারে। বাংলার এতগুলি টাকার ব্যবসার লাভ সবই অ-বাঙালীরা খাইতেছে।