পাতা:মহাত্মা কালীপ্রসন্ন সিংহ.djvu/১৩০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পঞ্চম পরিচ্ছেদ । ( AASAASAASAAAS ASAeeSAJSAMSJAMSJAJSAAAA আজও আমার মনে পড়ে। সেই বড় চৌকা বইটাকে বুকে লইয়া আমাদের শোবার ঘরের তক্তাপোষের উপর চীৎ হইয়া পড়িয়া নর্হাল তিমি মৎস্তের বিবরণ, কাজির বিচারের কৌতুকজনক গল্প, কৃষ্ণকুমারীর উপন্যাস পড়িতে পড়িতে কত ছুটির দিনের মধ্যাচু কাটিয়াছে।” এই ক্ষুদ্র মাসিকপত্ৰখানি রবীন্দ্রনাথের চিত্তবিকাশে কতটা সাহায্য করিয়াছিল, কে বলিতে পারেন ? রবীন্দ্রনাথ পুনশ্চ বলিতেছেন :– “ এই ধরণের কাগজ একখানিও এখন নাই কেন ? একদিকে বিজ্ঞান, তত্ত্বজ্ঞান, পুরাতত্ত্ব, অন্য দিকে প্রচুর গল্প কবিতাও তুচ্ছ ভ্রমণকাহিনী দিয়া এখনকার কাগজ ভর্তি করা হয়। সর্বসাধারণের দিব্য আরামে পড়িবার একটি মাঝারি শ্রেণীর কাগজ দেখিতে পাই না। বিলাতে চেম্বার্স জার্নাল, কাস্লস্ ম্যাগাজিন, ষ্ট্যাগু ম্যাগাজিন প্রভৃতি অধিকসংখ্যক পত্রই সর্বসাধারণের সেবায় নিযুক্ত। তাহারা জ্ঞানভাণ্ডার হইতে সমস্ত দেশকে নিয়মিত মোটাভাত মোটা কাপড় জোগাইতেছে। এই মোটাভাত মোটাকাপড়ই বেশির ভাগ লোকের বেশি মাত্রায় কাজে লাগে ।” এরূপ কাগজ জনসাধারণের অত্যন্ত উপকারী, ইহা বুঝিতে পারিয়াই কালীপ্রসন্ন এই কাগজখানি বিলুপ্ত হইতে দিলেন না। তিনি রাজেন্দ্রলালের সম্পাদনকালেই লেখক-রূপে বিধার্থ সংগ্রহের সহিত সংশ্লিষ্ট ছিলেন। র্তাহার লিখিত পুস্তক