পাতা:মানিক গ্রন্থাবলী (প্রথম খণ্ড).pdf/৭৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


會零記 সাহায্যের কথা নয়, ভারবহনের কথা নয়, ভাইএর জীবন BDE SS BiBB DBDS kDD BDSDD SDBBD DS DBKB ভুয় তো ছেলেবেলার কথা মনে পড়ে। শীতলের অসংখ্য পাগলামি আর অজস্র স্নেহ-বড় ভালবাসিত শীতল তাহাকে । সেই দিনগুলি কোথায় হারাইয়া গিয়াছে, কিন্তু এই বাড়িতেই সে সব ঘটিয়াছিল। এখানে বসিয়া অনায়াসে কল্পনা করা চলে সে সব ইতিহাস । হয় তো তাই মন্দার কান্না আসে। বলে, দাদার জন্যে কিছুই করবে না। তুমি ? ডাক্তার কবরেজ দেখাবে না ? শুষ্ঠামা বলে, ডাক্তার কি দেখানো হয় নি। ঠাকুরবি ? ডাক্তার না দেখিয়ে চুপ করে বসে আছি আমি ? ষোল টাকা ভিজিট দিয়ে ডাক্তার এনেছি, কলকাতার সেরা কবরেজকে । দেখিয়েছি।--জবাব দিয়েছে সবাই। আমি আর কি করব ? কেন, দুর্বল শরীরে খাটিয়া মরে কেন শুম ? ভায় সেবা করার জন্য ছেলে না তার বিবাহ করিয়াছে ? বেীকে আনাইয়া লইলেই তো এবার সে অনায়ালে বসিয়া বসিয়া আয়াস করিতে পারে। কিন্তু কেন যেন বৌকে আনিবার ইচ্ছা শুমারি হয় না! না আনিলে অবশ্য চলিবে না, ছেলের বেীকে কি বাপের বাড়ী ফেলিয়া রাখা ৰায় চিরদিন ? যাক, দুদিন যাক । একদিন বিধান আপিস গিয়াছে, কোথা হইতে রঙীন খাম আসিল একখানা, আকাশের মত নীল রঙের। হ্যামা অবাক হইয়া গেল। এর মধ্যে চিঠি লিখিতে সুরু করিয়াছে বৌ ? ওদের ভাব হইল কবে ? ক'দিনের বা দেখা-শোনা ! বিধান লুকাইয়া লুকাইয়া যায় না তো শ্বশুববাড়ি ? নিজের DLD LLLD DBS S SBBDDDS DBBBBS DE0LzD DBB তবে আর কি, কতব্য করেছ এবার টান দিয়ে ফেলে (বটে তার ! কি লিf iয়াছে বৌ ? চিঠিখান সে বিধানের দাও দাদাকে রাস্তায় ! আজি বুঝতে পারছি বেী দাদা দেন । বিবাগী হয়ে গিয়েছিল । এতকাল পরে মন্দা। তবে শ্যামাকে চিনিতে পারিয়াছে ? শীতলের পায়ের কাছে বসিয়া মন্দা দীর্ঘনিশ্বাস ফেলে। চমকাইয়া উঠিয়া বড় ভয় পায় শীতল। দাড়ির ফাকে একটু হাসিয়া জিজ্ঞাসা করে, আমার সেই কুকুরটা আছে মন্দা ? দাদা গো ! বলিয়া মন্দা হাউ হাউ করিয়া কঁাদিয়া ওঠে। শীতল থয় থর করিয়া কঁাপিতে থাকে । মনে হয়। আর কিছুদিন যদি বা সে বাচিত মন্দার বুকফাটা কান্নায় এখুনি মরিয়া যাইবে । বড় কষ্ট হয়। শীতলের, বড় ভয় করে। বড় বড় কালো লোমশ পা ফেলিয়া নিজের মরণকে সে যেন আগাইয়া আসিতে দেখিতে পায়! বিহবল দৃষ্টিতে সে চাহিয়া १icद भनाइ निgक । দরজ,ার কাছে দাড়াইয়া শ্যামা বলে, ঠাকুরবি, শোন, বাইরে এসে একবার সকলেই বুঝিতে পারে মরণাপন্ন মানুষের কাছে এভাবে কাদিতে নাই এই কথা বলিতে চায় শ্যামা। মন্দা চোখ মুছিয়া উদ্ধত ভঙ্গিতে সোজা হইয়া বলে। বেশ করিয়াছে কাদিয়া। শীতলও বুঝি তাই মনে করে। মন্দায় আকস্মিক কান্নায় আঁতকাইয়া উঠিয়া তাহার দিন বন্ধ হইয়া আসিয়াছিল, তবু শ্যামার বুদ্ধি বিবেচনার চেয়ে যে দরদের কান্না মার্সিয়া ফেলার উপক্রম করে তাই বুঝি ভাল শীতলের কাছে। কি উৎসুক সে মন্দার অশ্রুসিক্ত মুখের দিকে চাহিয়া থাকে। ছেলেবেল বকুল আর বনগায় মন্দার সেই কুকুরটা ছাড়া এ জগতে সকলে ফাকি দিয়াছে শীতলকে । দিন কুড়ি থাকিয়া মন্দা চলিয়া গেল। আসিল নববর্ষ আর গ্ৰীষ্ম। শীতের শেষে শ্যামার শরীরটা ভাল হইয়াছিল, গরমে আবার যেন সে দুর্বল হইয়া পড়িল। কাজ করিতে শ্ৰান্তি বোধ হয়। সন্ধ্যার সময় হাত-পা চিবাইতে থাকে। কিন্তু কাহাকেও সে তাহা বুঝিতে দেয় না, চুপ করিয়া থাকে। মশারির উপর রাখিয়া দিল । বিধান আসিলে বলিল, তোর একখানা চিঠি এসেছে খোকা রেখে দিয়েছি মশারির ওপোর। বিধান চিঠি পড়িয়া পকেট রাখিয়া দিল । বাগবাজারের চিঠি বুঝি ? ওরা ভাল আছে ?-শ্যামা জিজ্ঞাসা করিল। বিধান বলিল, আছে। ছেলের সংক্ষিপ্ত জবাবে শ্যাম যেন একটু রাগ করিয়াই সরিয়া গেল । কয়েকদিন পরে একটা ছুটির দিনে শ্যামা একটু বিশেষ আয়োজন করিয়াছিল রান্নার। রাধিতে রাধিতে অনেক বেলা হইয়া গেল। রান্নাঘরের ভিতরটা অসহ গরম, শ্যামা যেই বাহিরে আসিয়া দাড়াইয়াছে ওমনি মাথা ঘুরিয়া পড়িয়া গেল। সামান্য ব্যাপার, মূৰ্ছও নয়, সন্ন্যাস-রোগও নয় মাথায় একটু জলটল দিতেই শ্যামা সুস্থ হইয়া উঠিয়া বসিল। বিধান কিন্তু তাহাকে সে দান আর উঠিতে দিল না, শোয়াইয়া রাখিল । বিকালে বিধান বাহির হইয়া গেল। রাত্রি আটটার সময় ফিরিয়া আসিল সুবৰ্ণকে সঙ্গে করিয়া । বিধানের নিষেধ অমান্য করিয়া শু্যাম তখন রাধিতে গিয়াছে। সুবৰ্ণ প্ৰণাম করিতে সে একেবারে উত্তেজিত छ्छेच्चा ऐठेिल ! একি রে খোকা ? বলা নেই কওয়া নেই বৌমাকে নিয়ে এলি যে তুই ? জিজ্ঞেস করা দরকার মনে করলি নে বুঝি একবার ? এরকম অভ্যর্থনার জন্য বিধান প্ৰস্তুত ছিল না। সে চুপ কািরয়া রহিল। সুবৰ্ণকে দেখিরা শুমা খুশি হয় নাই ? তার সেবা করার জন্য সে যে হঠাৎ বৌকে লইয়া আসিয়াছে এটা সে খেয়াল করিল না ? বিধান দুঃখিত হইয়া দাড়াইয়া রহিল। সুবর্ণের কি হইল বোঝা গেল না। শ্যামা মণিকে বলিল, যা ত মণি, ত্তোর বৌদিকে ঘরে নিয়ে গিয়ে বসা গো • • •কি সব কাণ্ড বাবা এদের