পাতা:যশোহর-খুল্‌নার ইতিহাস প্রথম খণ্ড.djvu/১৪৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

দশম পরিচ্ছেদ-সুন্দরবনের জীবজন্তু। సిసి অনুরূপ নানাবিধ কৌতুকাবহ ক্রীড়া প্রদর্শন করে। সুন্দরবনে ইহার হরিণের অভিভাবকের মত ভঙ্গী করে। কেওড়া গাছে উঠিয়া নিজেরা যেমন পাতা ও ফল খায়, গাছের তলে সমাগত হরিণদিগকেও সেইরূপ ডাল ভাঙ্গিয়া দেয়। কোন শিকারী দেখিবামাত্র দূর হইতে প্রথমে মুখভঙ্গী পরে চীৎকার করিয়া উঠে, উহা শুনিবামাত্র হরিণগণ শশব্যস্ত হইয়া পলায়ন দ্বারা জীবন রক্ষা করে। বানরগুলা কখনও বা হরিণের পৃষ্ঠে চড়িয়া বেড়ায়। বানরের বান্দরামি সৰ্ব্বত্র সমান । এই সকল জন্তু ছাড়া সজারু, বনবিড়াল প্রভৃতিও সুন্দরবনে দেখা যায়। বনবিভাগে শৃগাল বা শিয়াল থাকে না। বড় শিয়াল অর্থাৎ বান্ত্রের ভয়ে ক্ষুদ্র জন্তুমাত্রেই বন ত্যাগ করিয়া পলায়ন করে। তবুও সুন্দরবনের গহন জঙ্গলে জীবের অভাব নাই। ডাঙ্গায় বাঘ এবং জলে কুমীর ব্যতীত ডাঙ্গায় অসংখ্য প্রকার সৰ্পের সমুদ্ভব হওয়াতে সুন্দরবনের ভীষণত্ব আরও বাড়িয়াছে। প্রায় সকল প্রকার সর্পই সুন্দরবনে আছে। তন্মধ্যে কেউট, গোখুর, পাতরাজ ও নানাবিধ বোড়া সাপই অধিক । ইহার বাস্ত্র অপেক্ষাও ভীষণ ; কারণ বন্দুকে, বৃক্ষারোহণে, পলায়নে ব্যান্ত্রের হাতে হয়ত প্রাণরক্ষার সম্ভাবন আছে, কিন্তু জঙ্গলের মধ্যে চক্ষের অন্তরালে অকস্মাৎ এই সকল ভীষণ সৰ্পের আঘাতে তৎক্ষণাৎ মৃত্যু হওয়া বিচিত্র নহে। যশোহর খুলনার লোকালয়ে এবং সুন্দরবনে অসংখ্য প্রকার সর্প দেখা যায়। তদ্বিষয়ে একটু সাধারণ জ্ঞানের অভাবেও অনেক সময়ে অনেক বিপদ অনিবাৰ্য্য হয়। এজন্য সর্প সম্বন্ধে দুই চারিট কথা অনর্থক বা অপ্রাসঙ্গিক নী হইতে পারে। বিশেষতঃ শ্রেণীবিভাগবিষয়ক জ্ঞান ব্যতীত কেবলমাত্র কয়েকটি সৰ্পের নাম করিলেই কিছু বুঝা যায় না। সৰ্পের মধ্যে কতক বিষধর, অন্তগুলি বিষহীন। বিষধর সর্পকে প্রথমতঃ তিন ভাগে বিভাগ করা যায় ; (১) চেীসাপ, (২) বোড়া ও (৩) বীজজড়ী। কেউট, গোখুর, আইরাজ ও কানড় এই চারি প্রকার সর্পই চৌসাপা সংজ্ঞাভূক্ত। ইহাদের প্রত্যেকের আবার . প্রকারভেদ রহিয়াছে। কেউটার S BBBS BB BBBS BB BBBS SS BBBB BBS BBS BBBDS ggBBBS gS BB BD SDDDDSS SD BBBB BBBS S BBDD DDBB BBB DDS