f며 에ft ra করিলেন যে, প্রাচীরের পার্শ্ব দিয়া লোকের গতায়াত করিবার জন্য কিছু জমি ফেলিয়া রাখিবেন। কিন্তু দেখিলেন যে দুই হাতের অধিক জমি রাখিতে গেলে প্রাচীরটিকে বঁাকাইয়া দিতে হয়, অথচ দুই হাত মাত্র জমি থাকিলে লোকের গতায়াতের পক্ষে সুবিধা হইবে না। অবশেষে নিজ জমির পার্শ্বস্থ ভূমির অধিকারীকে ডাকাইয়া তাহার ভূমি হইতে দুই হাত ভূমি ক্রয় করিবার প্রস্তাব করিলেন। সে ব্যক্তি বলিল, “সে কি কথা, আপনি এত বড় একটা বাগান ও পুষ্করিণী লোকের জন্য দিলেন, আর আমি দুই হাত জমি দিতে পারব না, তার আবার দাম নিতে হবে ? আমি দুই হাত জমি ছেড়ে দেব। দাম চাই না।” তর্কভূষণ মহাশয় ব্ৰাহ্মণ পণ্ডিত মানুষ, সাদা সিন্দা লোক, তিনি তাহার মৌখিক কথা অবলম্বন করিয়াই কাৰ্য্য করিতে লাগিলেন । বিষয়ী লোক হইলে ঐ ব্যক্তির কথার উপরে নির্ভর না করিয়া একটা পাকা লেখা পড়া করাইয়া লইত । কিন্তু তঁাহার সরল বুদ্ধিতে তাহা যোগাইল না। কেহ কেহ পাকা লেখাপড়ার কথা স্মরণ করাইয়া দিয়াছিল, তাহাতে তিনি বলিলেন,-“সে পরে হবে, তাড়াতাড়ি কি, ভদ্রলোকের ছেলে দুই হাত জমি দিয়ে কি আবার না বলবে ?” তৎপরে তিনি সেই পথ দিয়া পার্শ্ববৰ্ত্তী গ্রামের যে সকল লোক গতায়াত করিত তাহদের অনেককে ডাকাইয়া ঐ প্ৰস্তাব উপস্থিত করিলেন । সকলেই আনন্দের সহিত র্তাহার পরামর্শে সন্মতি জানাইল । সুতরাং দুই হাত জমি ফেলিয়া রাখিয়া প্রাচীর গাথা আরম্ভ হইল । এদিকে রামহরি মিত্র ও চিমে ঘোষের নিকট এই সংবাদ পৌছিল, যে তর্কভূষণ মাঠের মধ্যে এক বাগান করিতেছেন, তাহাতে সাধারণের রাস্তা ঘিরিয়া লইয়াছেন, ও তৎপরিবর্তে প্রাচীরের পাশ দিয়া রাস্তা zYS BDO DBDBDBDDS Sg D DB DBB S D DDB BDBD
পাতা:যুগান্তর - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৩০০
অবয়ব