পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (অচলিত) প্রথম খণ্ড.pdf/১২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


>२] রবীন্দ্র-রচনাবলী ইতিহাস বুড়ে বেড়াজাল তার পাতা, সঙ্গে রয়েছে হিসাবের মোট খাতা— ধরা যাহা পড়ে ফর্দে সকলি অাছে। হয় আর নয় খোজ রাখে শুধু এই, डांटव्न-भन्लन्न मज़न किछूझे ८नझे, মূল্যের ভেদ তুল্য তাহার কাছে। সৃষ্টির কাজ লুপ্তির সাথে চলে, ছাপা-যন্ত্রের ষড়যন্ত্রের বলে এ বিধান যদি পদে পদে পায় বাধা জীর্ণ ছিন্ন মলিনের সাথে গোজ কৃপণ-পাড়ার রাশীকৃত নিয়ে বোঝা সাহিত্য হবে শুধু কি ধোবার গাধা ! এই রচনাগুলি সম্বন্ধে কবির বিতৃষ্ণ ও ঔদাসীন্য কিরূপ সুগভীর তাহাই জানাইবার জন্ত এই পত্র ও কবিতা উদ্ধৃত করিলাম ; এগুলি পুনঃপ্রকাশের পূর্ণ দায়িত্ব আমাদেরই। এখন আমাদের তরফ হইতে কৈফিয়ৎস্বরূপ দু-একটা কথা বলি । ইতিহাসের খাতিরেই যে এই বর্জিত রচনাগুলি পুনঃপ্রকাশে ব্রতী হইয়াছি তাহ নয়— যদিও তাহা করিলেও অন্তায় হইত বলিয়া মনে করি না ; এই রচনাগুলি যে শুধু রবীন্দ্র-সাহিত্যের ইতিহাসের দিক দিয়াই প্রয়োজনীয়, যে বয়সে এগুলি তিনি লিখিয়াছিলেন সে বয়সের পক্ষে আদৌ বিস্ময়কর নয়, এমন নহে ; এগুলির রচনাকালে বাংলা-সাহিত্য উৎকর্ষের যে, পর্যায়ে ছিল তাহার পক্ষে এগুলির অধিকাংশই পরম বিস্ময়, এইজন্যই বঙ্কিমচন্দ্র একদিন রবীন্দ্রনাথকে জয়মাল্য পরাইতে কুষ্ঠিত হন নাই । ইতিহাসের কথা ছাড়িয়া দিলেও ভাব-ঐশ্বর্যের দিক দিয়াও এগুলি যে রচয়িতার দীনতাই ঘোষণা করিতেছে, এমন কথা অনেক পাঠকই মনে করেন না। এ-রচনাগুলির "শিল্প-আবরণ আজ ‘জীর্ণ মনে হইতে পারে, কিন্তু ইহার বাণী যে সম্পূর্ণ ‘অর্থভ্রষ্ট, রসহীন মরুপ্রদেশ’, কবির