পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (অচলিত) প্রথম খণ্ড.pdf/২৪০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২১৬ রবীন্দ্র-রচনাবলী রছিছু অধীর হয়ে মিলনের আশে। কিন্তু নলিনীর কেন চরণ উঠে না যেন, জুই পা চলিয়৷ যেন পারে না চলিতে । কেহ যেন তার তরে বসে নাই আশা ক’রে, সে যেন কাহারে সাথে আসে নি মিলিতে ! কোন কাজ নাই তাই এসেছে খেলিতে ! যেতে যেতে পথমাঝে যদি হেরে ফুল করতালি দিয়ে উঠে তাড়াতাড়ি যায় ছুটে— ধীরে ধীরে পা টিপিয়া যায় তার কাছে । কন্তু কহে, “চল সখি, সেই চাপা গাছে আজিকে সকাল বেলা কুঁড়ি দেখেছিছু মেলা, এতক্ষণে বুঝি তারা উঠিয়াছে ফুটে, চল, সখি, একবার দেখে আসি ছুটে !” কত-না বিলম্ব পথে করিল এমন, বড়ই অধীর হয়ে উঠিল গে৷ মন । কতক্ষণ পরে শেষে গান গেয়ে হেসে হেসে ৰেথা আমি বসেছিন্থ আসিল লেখায়— চলিয়া গেল সে, যেন দেখে নি আমায় ! একেলা বসিয়া আমি রহিন্থ আঁধারে সমস্ত রজনী, সখি, সেই পখধারে । কেন, সখি, এত হাসি, এত কেন গান ? কিসের উল্লাসে এত পূর্ণ ছিল প্ৰাণ ? মন এক দলিবার অাছে গো ক্ষমতা, वथम उथन धूनैौ क्रिड नांदब्र बाषl, তাই গর্বে কোন দিকে ফিরেও মা চায় ? তাই এত হাসে হাসি, এত গান গায় ? কৃপাণ ষে হাসি হালে কলসি নয়ন, বিদ্যুৎ যে হালি হাসে অশনিকশন ।