পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (তৃতীয় খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/৫৪০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


st or ब्रदौडज-झछमांयलौ ভাষায় নেশন গঠন করে না । ভূখণ্ডের উপর যুদ্ধক্ষেত্র ও কর্মক্ষেত্রের পত্তন হইতে পারে, কিন্তু নেশনের অন্তঃকরণটুকু ভূখণ্ডে গড়ে না। জনসম্প্রদায় বলিতে যে পবিত্র পদার্থকে বুঝি, মচুন্যই তাহার শ্রেষ্ঠ উপকরণ। স্বগভীর ঐতিহাসিক মন্থনজাত নেশন একটি মানসিক পদার্থ, তাহা একটি মানসিক পরিবার, তাহা ভূখণ্ডের আকৃতির স্বারা আবদ্ধ নহে । | দেখা গেল, জাতি, ভাষা, বৈষয়িক স্বার্থ, ধর্মের ঐক্য ও ভৌগোলিক সংস্থান, নেশন-নামক মানস পদার্থ স্বজনের মূল উপাদান নহে। তবে তাহার মূল উপাদান কী ? নেশন একটি সজীব সত্তা, একটি মানস পদার্থ। দুইটি জিনিস এই পদার্থের অস্তঃপ্রকৃতি গঠিত করিয়াছে। সেই দুটি জিনিস বস্তুত একই । তাহার মধ্যে একটি অতীতে অৰস্থিত, আর একটি বর্তমানে । একটি হুইতেছে সর্বসাধারণের প্রাচীন স্মৃতিসম্পদ ; আর-একটি পরম্পর সম্মতি, একত্রে বাস করিবার ইচ্ছা,—যে অখণ্ড উত্তরাধিকার হস্তগত হইয়াছে তাহাকে উপযুক্ত ভাবে রক্ষা করিবার ইচ্ছা। মানুষ উপস্থিডমতো নিজেকে হাতে হাতে তৈরি করে না। নেশনও সেইরূপ সুদীর্ঘ অতীত কালের প্রয়াস, ত্যাগস্বীকার এবং নিষ্ঠ হইতে অভিব্যক্ত হইতে থাকে। আমরা অনেকটা পরিমাণে আমাদের পূর্বপুরুষের দ্বারা পূর্বেই গঠিত হইয়া আছি। অতীতের বীর্ঘ, মহত্ব, কীর্তি, ইহার উপরেই ন্যাশনাল ভাবের মূলপত্তন। অতীত কালে সর্বসাধারণের এক গৌরব, এবং বর্তমান কালে সর্বসাধারণের এক ইচ্ছা ; পূর্বে একত্রে বড়ো কাজ করা, এবং পুনরায় একত্রে সেইরূপ কাজ করিবার সংকল্প ; ইহাই জনসম্প্রদায়-গঠনের ঐকান্তিক মূল। আমরা ষে-পরিমাণে ত্যাগস্বীকার করিতে সম্মত হইয়াছি এবং যে-পরিমাণে কষ্ট সহ করিয়াছি, আমাদের ভালোবাসা সেই পরিমাণে প্রবল হইবে । আমরা ষে-বাড়ি নিজেরা গড়িয়া তুলিয়াছি এবং উত্তরবংশীয়দের হস্তে সমর্পণ করিব, সে-বাড়িকে আমরা ভালোবাসি। প্রাচীন স্পার্টার গানে আছে, SBBD DDD BBS DDD BBBDS BBD DDS DDD BBD DD S gD অতি সরল কথাটি সর্বদেশের দ্যাশনাল গাধাস্বরূপ। অতীতের গৌরবময় স্মৃতি ও সেই স্মৃতির অনুরূপ ভবিষ্যতের আদর্শ ; একত্রে ঃখ পাওয়া, আনন্দ করা, আশা করা ; এইগুলিই আসল জিনিস, জাতি ও ভাষার বৈচিত্র্যসত্ত্বেও এগুলির মাহাত্ম্য বোঝা যায়— একত্রে মাস্থলখানা-স্থাপন বা সীমান্তনির্ণয়ের অপেক্ষা ইহার মূল্য অনেক বেশি। একত্রে দুঃখ পাওয়ার কথা এইজন্য বলা হইয়াছে যে, আনন্দের চেয়ে দুঃখের বন্ধন দৃঢ়তর । অতীতে সকলে মিলিয়া ত্যাগছুঃখ-স্বীকার এবং পুনর্বার সেইজন্ত সকলে মিলিয়া