পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (দ্বাবিংশ খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/৫৩১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গ্রন্থপরিচয় & e a ৬ । তুমি কি কেবল ছবি ৪ । তোমার আনন্দ ওই এল দ্বারে ৫ । বাজো রে বঁাশরি, বাজে ৬। লহে লহো তুলে লহো নীরব বীণাখনি ৭ । ৰে কেবল পালিয়ে বেড়ায়, দৃষ্টি এড়ায় ৮। কোথা বাইরে দূরে যার রে উড়ে ৯ । আনমনা গে৷ আনমনা ১• । আমি এলেম তারি স্বারে ১১ । চোখ যে ওদের ছুটে চলে গো ১২ । বসন্তে ফুল গাথল আমার জয়ের মালা ১৩ । এসে আমার ঘরে ১৪। বাহিরে ভুল হানবে যখন ১৫ । পাখি আমার নীড়ের পাখি ১৬ । না যেয়ে না যেয়ো নাকে৷ ১৭। সখী, আঁধারে একেলা ঘরে ১৮। অরূপবীণা রূপের আড়ালে ১৯ । মোর বীণা ওঠে কোন স্বরে বাজি 'পরবাসী চলে এসে ঘরে’ ও ‘দে পড়ে দে আমায় তোরা’ এই দুইটি গান পুস্তিকায় মুদ্রিত না থাকিলেও অভিনয়ে সংযোজিত হইয়াছিল। ১৯৩৪ সালের অক্টোবর মাসে শাপমোচন মাদ্রাজে মঞ্চস্থ হইবার অনতিপূর্বে রবীন্দ্রনাথ কয়েকটি নূতন গান বিশেষভাবে এই নাটিকাটির জন্যই রচনা করেন । গানগুলি বর্তমান খণ্ডে শাপমোচনের সংযোজন-অংশে মুদ্রিত হইল। উহার মধ্যে দুই-একটি গান শেষ পর্যন্ত উক্ত অভিনয়ে ব্যবহৃত হয় নাই বলিয়া মনে হয় । মাদ্রাজের এই অভিনয়প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ১৯৩৪ সালের ৩১ অক্টোবর তারিখের এক পত্রে প্রতিমা দেবীকে লেখেন— আমাদের এখানকার পালা আজ শেষ হবে। জিনিসটা [ শাপমোচন ] এবার সবসুদ্ধ অন্তবারের চেয়ে অনেক বেশি সম্পূর্ণতর হয়েছে। —পত্রে 88, চিঠিপত্র, ৩য় খণ্ড, বধু, কোন মায়া লাগল চোখে’ ও ‘মায়াবনবিহারিণী হরিণী গান দুইটি বাদে