পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (দ্বিতীয় খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/৪৫৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ઇંડોના ब्रशैक्ष-ब्रध्नाबजौ “७३ निषहे ८डामाब भङ्ग, उोश बन ? छूमि बाबदrन शब्रिाइ-कषाकाब ७* बछाउकूलनॆन नि७ ८ङाभांब्र भाथ श्रङ भूकू कांक्लिब नहे८ङ चानिशंtछ् उांश कि জান ? যে সিংহাসন তোমার জন্য অপেক্ষা করিতেছিল, সেই সিংহাসনে তাহার জন্ত স্থান নির্দিষ্ট হইয়াছে তাহা কি ছটো চক্ষু থাকিতে দেখিতে পাইতেছ না।” নক্ষত্র রায়ের কাছে এ সকল কথা নূতন নহে। তিনিও পূর্বে এইরূপ ভাবিয়াছিলেন। সগর্বে বলিলেন, “তা কি আর বলিতে হইবে ঠাকুর । আমি কি আর এইটে দেখিতে পাই না ।” রঘুপতি কছিলেন, “তবে আর কী। তবে আমাকে জানিয়া দাও। তোমার সিংহাসনের বাধা দূর করি। এই ক-টা প্রহর কোনোমতে কাটিবে, তার পর—তুমি কখন আনিবে ?” নক্ষত্র রায় । “আজ সন্ধ্যাবেলায়-অন্ধকার হইলে ।” পইতা স্পর্শ করিয়া রঘুপতি বলিলেন, “যদি না আনিতে পার তো ব্রাহ্মণের অভিশাপ লাগিবে। তা হইলে, যে মুখে তুমি প্রতিজ্ঞ উচ্চারণ করিয়া পালন না কর, ত্রিরাত্রি না পোহাইতে সেই মুখের মাংস শকুনি ছিড়িয়া ছিড়িয়া খাইবে।” শুনিয়া নক্ষত্র রায় চমকিয়া মুখে হাত বুলাইলেন—কোমল মাংসের উপরে শকুনির চকুপাত কল্পনা র্তাহার নিতান্ত দুঃসহ বোধ হইল। রঘুপতিকে প্রণাম করিয়া তিনি তাড়াতাড়ি বিদায় লইলেন । সে-ঘর হইতে আলোক বাতাস ও জনকোলাহলের মধ্যে গিয়া নক্ষত্র রায় পুনর্জীবন লাভ করিলেন। সপ্তদশ পরিচ্ছেদ সেই দিন সন্ধ্যাবেলায় নক্ষত্র রায়কে দেখিয়া ধ্রুব “কাকা" বলিয়া চুটিয়া জাগিল, দুটি ছোটাে হাতে তাহার গলা জড়াইয় তাহার কপোলে কপোল দিয়া মুখের কাছে মুখ রাখিল। চুপি চুপি বলিল, “কাকা ।” নক্ষত্ৰ কহিলেন, “ছি, ও-কথা ব'লো না, আমি তোমার কাকা না।” 曦 ধ্রুব র্তাহাকে এতকাল বরাবর কাকা বলিয়া আসিতেছিল, আজ সহসা বারণ শুনিয়া সে ভারি আশ্চর্ষ হইয়া গেল। গষ্ঠীর মুখে কিছুক্ষণ চুপ করিয়া বসিয়া রছিল—তার পরে নক্ষত্রের মুখের দিকে বড়ো বড়ে চোখ তুলিয়া জিজ্ঞাসা করিল, “তুমি কে " নক্ষত্র রায় কহিলেন, “আমি তোমার কাকা নই। শুনি সহসা জবের অত্যন্ত হাসি পাইল—এত বড়ো জগতৰ ৰখা সে ইতিপূর্বে