পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (দ্বিতীয় খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/৬২২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


હોન્સ ब्रवैौठ-ब्रळ्नांवलैौ দরিত্র যুবকের প্রবাসবাসের সহিত কি কম করুণা #उद्रडा डारण बल्डि श्वा ছিল । नश्नां ८गहे ब्रारज्ज ७हे निर्द१थांब्र क्रूज «थानंत्रिथा ७क चभूणा भश्भिाग्न चाभाब निका? দীপ্যমান হইয়া উঠিল। বুঝিতে পারিলাম, এই তুচ্ছ লোকটিকে যদি কোনো মতে বাচাইতে পারি তবে এক বৃহৎ কাজ করা হয়। সমস্ত রাত্রি জাগিয়া তাহার সেবাশুশ্ৰুষা করিলাম কিন্তু পিলিমার ধনকে পিসিমার নিকট ফিরাইয়া দিতে পারিলাম म-चांभांब्र ८गझे ठेिक भूहब्रिब्र शृङ्गा श्हेन । उँौश्र-cजॉ१-डौभांखूनं भूब भइ९ उषानि ७हे ८नांकब्रिस भूना चम्न नरश् । डांशद्र ग्ला ८करना कबि चश्मान कtब नाहे, কোনো পাঠক স্বীকার করে নাই, তাই বলিয়া সে মূল্য পৃথিবীতে অনাবিষ্কৃত ছিল না—একটি জীবন আপনাকে তাহার জন্ত একান্ত উৎসর্গ করিয়াছিল—কিন্তু খোরাকপোশাকসমেত লোকটার বেতন ছিল আট টাকা, তাহাও বারো মাস নহে। মহত্ত্ব আপনার জ্যোতিতে আপনি প্রকাশিত হইয়া উঠে আর আমাদের মতো দীপ্তিহীন ছোটো ছোটো লোকদিগকে বাহিরের প্রেমের আলোকে প্রকাশ করিতে হয় ;– পিলিমার ভালোবাসা দিয়া দেখিলে আমরা সহসা দীপ্যমান হইয়া উঠি । যেখানে অন্ধকারে কাহাকেও দেখা যাইতেছিল না, সেখানে প্রেমের আলোক ফেলিলে সহসা দেখা যায় মানুষে পরিপূর্ণ। স্রোতস্বিনী দয়াগ্নিগ্ধ মুখে কহিল,—তোমার ঐ বিদেশী মুহরির কথা তোমার কাছে পূর্বে শুনিয়াছি । জানি না, উহার কথা শুনিয়া কেন আমাদের হিন্দুস্থানি ৰেহার নিহরকে মনে পড়ে। সম্প্রতি দুটি শিশুসন্তান রাখিয়া তাহার স্ত্রী মরিয়া গিয়াছে। এখন সে কাজকর্ম করে, দুপুরবেলা বসিয়া পাখা টানে, কিন্তু এমন শুক नै4 उघ्रं लकौझांज्जांब्र भटङ श्झेब्रा c१८छ् ! ऊांशरक पथनहे ८बथि कडे झग्न-क्रूि cन कहे ८षन हेशव्र ७कलांब्र छछ नटश्-ज्रांधि ठेिक दूकांझेरङ नॉब्रि नl, किरू भरन श्ञ tषन সমস্ত মানবের জন্য একটা বেদনা অমৃভূত হইতে থাকে। আমি কহিলাম,—তাহার কারণ, উহার যে ব্যথা সমস্ত মানবের সেই ব্যথা । সমস্ত মানুষই ভালোবাসে এবং বিরহ-বিচ্ছেদ-মৃত্যুর দ্বারা পীড়িত ও ভীত । তোমার ঐ পাখাওয়ালা ভূত্যের আনন্দহারা বিষণ্ণ মুখে সমস্ত পৃথিবীবাসী মাছুষের বিষাদ জঙ্কিত হইয়া রহিয়াছে। cवांउचिनौ कश्णि,-८कवण उांशहे नञ्च । भtन श्छ, शृषिबैौष्ठ बङ कृषि उठ बग्न কোথায় আছে। কত দুঃখ আছে যেখানে মানুষের সাত্বনা কোনোকালে প্রবেশও করে না, অথচ কত জায়গা আছে যেখানে ভালোবাসার অনাবগুক অতিবৃষ্টি হইয়া বায়। যখন দেখি আমার ঐ বেহার ধৈৰ্বসহকারে মূবতাৰে পাখা টানিয়া বাইতেছে,