পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (পঞ্চদশ খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/৯৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


রবীন্দ্র-রচনাবলী যে-রাগিণী অসীমের উৎস হতে আনে অনাদি বিরহরস, তাই দিয়ে ভরিয়া আঁধার কোন বিশ্ববেদনার মহেশ্বরে দেয় উপহার। তারি সাথে মিলায়েছ তব দৃষ্টিখানি, চোখে অনির্বচনীয় বাণী, মিলায়েছ যেন তব জন্মান্তর হতে নিয়ে আসা দীর্ঘনিশ্বাসের ভাষা । মিলায়েছ, সুগম্ভীর দুঃখের মাঝারে ষে-মুক্তি রয়েছে লীন বন্ধহীন শাস্ত অন্ধকারে । অরণ্যে অরণ্যে আজি সাগরে সাগরে, জনশূন্ত তুষারশিখরে কোন মহাশ্বেতা, কোন তপস্বিনী বিছাল অঞ্চল, স্তন্ধ আচঞ্চল, অনন্তেরে সম্বোধিয়া কহিল সে উর্ধ্বে তুলি আঁখি,— তুমিও একাকী। ১৮ আশ্বিন ১৩৩৫ আশীৰ্বাদ জলিল অরুণরশ্মি আজি ওই তরুণ প্রভাতে হে নবীন, নবরাগরক্তিম শোভাতে সীমস্তে সিন্দুরবিন্দু তব জ্যোতি আজি পেল অভিনব, চেলাঞ্চলে উদ্ভাসিল অস্তরের দীপ্যমান প্রভা, শরমের বৃন্তে তুমি আনন্দের বিকশিত জবা | সাহানা রাগিণীরসে জড়িত আজি এ পুণ্যতিথি, তোমার ভুবনে আসে পরম অতিথি । আনো আনে৷ মাঙ্গল্যের ভর, দাও বধূ, খুলে দাও দ্বার,