পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (সপ্তম খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/৩০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


こ ● রবীন্দ্র-রচনাবলী আচার্য আশিস করি শুধাইলা তবে, ‘কী গোত্র তোমার সৌম্য, প্রিয়দরশন ? তুলি শির কহিলা বালক, ভগবন, নাহি জানি কী গোত্র আমার । পুছিলাম জননীরে, কহিলেন তিনি, সত্যকাম, - বহুপরিচর্যা করি পেয়েছিছ তোরে, জন্মেছিস ভর্তৃহীন জবালার ক্রোড়ে— গোত্র তব নাহি জানি ।” শুনি সে বারতা ছাত্রগণ মৃদুস্বরে আরম্ভিল কথা মধুচক্রে লোষ্ট্রপাতে বিক্ষিপ্ত চঞ্চল পতঙ্গের মতো— সবে বিস্ময়বিকল, কেহ বা হাসিল কেহ করিল ধিক্কার লজ্জাহীন অনার্যের হেরি অহংকার । উঠিলা গৌতম ঋষি ছাড়িয়া আসন বাহু মেলি, বালকেরে করি আলিঙ্গন কহিলেন, ‘অত্রাহ্মণ নহ তুমি তাত । তুমি দ্বিজোত্তম, তুমি সত্যকুলজাত ’ ৭ ফণজ্বন ১৩০১ মস্তকবিক্রয় মহাবস্তুবদান কোশলৰূপতির তুলনা নাই, জগং জুড়ি যশোগাথ ; ক্ষীণের তিনি সদা শরণ-ঠাই, দীনের তিনি পিতামাত । সে কথা কাশীরাজ শুনিতে পেয়ে জলিয়া মরে অভিমানে—