সহমরণ বিষয় ३३७ ব্যতিরেকে বিধবার অন্য ধৰ্ম্ম নাই, ইহার ব্যাখ্যাতে স্মাৰ্ত্ত ভট্টাচাৰ্য্য লিখেন, । “ইন্দন্তু সহমরণস্তুত্যৰ্থং” । এ বচন সহমরণের স্তুতি মাত্ৰ । মুগ্ধবোধচ্ছাত্রের মতে যদি উত্তর কাণ্ডীয় শ্রুতি ও ভগবদগীতাদি শাস্ত্ৰ অর্থ বাদ মন্ত্র কিম্বা বচনের দ্বারা বাধিত হইয়া থাকে, আর ঐ হারীতের কিম্বা পুরাণের বচন মাত্র প্রমাণ হয়, অর্থাৎ সহমরণ ব্যতিরেকে বিধবার অন্য ধৰ্ম্ম নাই, তবে গৃহস্থিত যে সকল বিধবা সহমৃতা না হইয়াছেন সে সকল বিধবাকে মুগ্ধবোধচ্ছাত্র কি কহিবেন, অবশ্য সেই সেই বিধবাকে ধৰ্ম্মত্যাগিনী কহিতে হইবেক এরূপে মুগ্ধবোধচ্ছাত্র সকল ঘরেই উত্তম দক্ষিণা পাইবেন । কি আশ্চৰ্য্য শাস্ত্রের অন্যথা করিয়া আপন কুমত রক্ষার নিমিত্ত তাবৎ বিধবাকে ধৰ্ম্মত্যাগিনী কহিতে প্ৰবৰ্ত্ত হইলেন, স্ত্রীবধরূপ অতিপাতকে প্ৰবৰ্ত্ত হইলে এই রূপ প্ৰবৃত্তি ঘটিয়া থাকে ইতি৷ *ሣትቕ†♥††: S ዓ@ S
পাতা:রাজা রামমোহন রায়ের সংস্কৃত ও বাঙ্গালা গ্রন্থাবলী.pdf/২২৩
অবয়ব