বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:রাজা রামমোহন রায়ের সংস্কৃত ও বাঙ্গালা গ্রন্থাবলী.pdf/৬৫০

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

\96ło রামমোহন রায়ের গ্রন্থাবলী । প্ৰমাণ রূপে গ্ৰাহ হইতে পারে না। আর ১৩ পুষ্ঠে ৩ পংক্তিতে লিখি “বরঞ্চ মহাভারত শিব মাহাত্মাতে পরিপূর্ণ হয়।” ঐ পৃষ্ঠের ১৪ পংক্তিতে লিখি “সদাশিবাখ্য মূৰ্ত্তির তমোলেশ নাই।” তবে তঁহাদের শরীরকে জন্য ও নিশ্বর করিয়া যে কহি সে তাঁহাদেরি আজ্ঞানুসারে। কুলাৰ্ণবের প্রথমাধ্যায। ব্ৰহ্মা বিষ্ণু মহেশাদি দেবতা ভূতজাতিয়ঃ। সর্বে নাশং প্ৰব্যাস্তান্তি তস্মাচ্ছেয়; সমাচারেৎ ৷ ব্ৰহ্মা বিষ্ণু মহেশাদি দেবতা ও ভূত সকল ইহারা সকলেষ্ট বিনাশকে প্ৰাপ্ত হইবেন। অতএব আপনার হিতকৰ্ম্ম করিবেক।” বেদান্তাভাষ্যধৃত বচনে ভগবান কৃষ্ণের বাক্য। মায়া হোষা ময় সৃষ্টা যন্মাং পশ্যসি নারদ। সৰ্ব্বভূতগুণৈযুক্তং ন ত্বং মাং দ্রষ্ট, মৰ্হসি | হে নারদ তুমি সৰ্ব্বভূতগুণযুক্ত যে আমাকে দেখিতেছ। সে মায়ারচিত মাত্র যেহেতু আমাৰ যথার্থ স্বরূপ তুমি দেখিতে পাইবে না । অধ্যাত্ম রামায়ণে। পশ্যামি রাম তব রূপ সরূপিণ্যোহপি মায়াবিড়ম্বনীকৃত সুমনুষ্যবেশং । তুমি যে বস্তুত রূপারহিত বামচন্দ তোমাব সুন্দর মনুষ্যরূপ দেখিতেছি সে মায়া বিড়ম্বন দ্বারা হইয়াছে ৷ ২০ পৃষ্ঠের ১৪ পংক্তিতে কবিতাকার লিখেন যে এদেশেব ব্ৰাহ্মণকে আমরা বেন্দহীন বলিয়া নিন্দা করি । কবিতাকারকে উচিত ছিল যে কোন পুস্তকে কোন স্থানে লিখিয়াছি তাহার ধ্বনি দিয়া লিখিতেন আমরা গায়ত্রীর ব্যাখ্যানের ভূমিকাতে তৃতীয় চতুর্থ পৃষ্ঠায় লিখি “যে প্রণব ও ব্যাহতি ও গায়ত্রী জপের দ্বারা ব্ৰাহ্মণেদের পরব্রহ্মোপাসনা হয়। অতএব প্রণব ও ব্যাহতি ও গায়ত্রীর অনুষ্ঠান থাকিলে নিতান্ত বেদহীনত্ব ব্ৰাহ্মণেদেব হয়। না” ইহা বিজ্ঞলোক ঐ ভূমিকা দৃষ্টি করিয়া বিবেচনা করিবেন। যে সকল ব্যক্তি পরমেশ্বরকে জন্মমরণ ইত্যাদি অপবাদ দিতে পারেন তীব্বারা অকিঞ্চন মানুষ্যের প্রতি দ্বেষ হইলে যে মিথ্যা অপবাদ দিবেন। ইহাতে কি আশ্চৰ্য্য আছে অতএব এমৎ সকল ব্যক্তির মিথ্যা অপবাদ দিবাতে ক্ষোভ কি । কবিতাকার প্রথম পৃষ্ঠের ৯ পংক্তিতে লিখেন যে আমরা এই সকল পুস্তক