পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (অষ্টম সম্ভার).djvu/২২৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


*खेिड प्रथाहै দিল । গে চমকিয়া উঠিয়া বলিল, কি হয়েটে চরণের ? দাসী অপ্রতিত হইয়া বলিল, বালাই, বাট । হয়নি কিছু-জায় বাবা চরণ, কাছে चांद्र-यायां छांद्रकम । অত্যন্ত সঙ্কুচিত হইয়া ধীরপথে আড়াল হইতে স্বমুখে আসিয়া দাড়াইতেই বৃন্দাবন ছটিয়া গিয়া তাহাকে বুকে চাপিয়া ধরিয়া কাদিয়া কেলিল—চরণ, তুইও কি যাবি নাকি রে । मानौ शभक ब्रिां कश्लि-हिः, ७ कि कथां नाम ? বৃন্দাবন লজ্জিত হইয়া চোখ মুছিয়া ফেলিয়া আজ অনেকদিনের পর একবার হাসিবার চেষ্টা করিল। দাসী নিজের কাজে চলিয়া গেলে চরণ চুপি চুপি আবেদন করিল, মার কাছে যাব বাবা | সে যে ঠাকুমার কাছে যাইতে চাহে নাই, ইহাতেই বৃন্দাবন মনে মনে ভারি আরাম বোধ করিল ; আদর করিয়া বলিল, তোর মা ত সে বাড়িতে নেই চরণ। কখন আসবেন তিনি ? - সে ত জানিনে বাবা । আচ্ছা, আজই আমি লোক পাঠিয়ে খবর নিচ্চি । চরণ খুশী হইল। সেইদিনই বৃন্দাবন অনেক ভাবিয়া চিস্তিয়া, চরণকে আসিয়া লইয়া যাইবার জন্য কেশবকে চিঠি লিখিয়া দিল। গ্রামের ভীষণ অবস্থাও সেই পত্রে লিখিয়া জানাইল । মায়ের শ্রান্ধের আর দুইদিন বাকি আছে ; সকালে বৃন্দাবন চওঁীমগুপে কাজে ব্যস্ত ছিল, খবর পাইল, ভেতরে চরণের ভেদ-বমি হইতেছে। ছুটিয়া গিয়া দেখিল, সে নিজীবের মত বিছানায় গুইয়া পড়িয়াছে এবং তাহার ভেদ-বমির চেহারায় বিস্তুচিকা মূৰ্ত্তি ধরিয়া রহিয়াছে। বৃন্দাবনের চোখের স্বমুখে সমস্ত জগৎ নিবিড় অন্ধকারে ঢাকিয়া গেল, হাত-পা ছাড়াইয়া ভাঙিয়া পড়িল একবার কেশবকে খবর দাও, বলিয়া সে সন্তানের শয্যার নীচে মড়ার মত গুইয়া পড়িল । ঘন্টা-খানেক পরে গোপাল ডাক্তারের বসিবার ঘরে বৃন্দাবন তাহার পা ছুটে আকুলভাবে চাপিয়া ধরিয়া বলিল, দয়া করুন ডাক্তারবাৰু, ছেলেটিকে বাচান ! আমার অপরাধ যতই হয়ে থাক, কিন্তু সে নির্দোষ। অতি শিশু, ডাক্তারবাৰু-একবার পায়ের খুলে দিন, একবার তাকে দেখুন। তার কষ্ট দেখলে আপনারও মায়া হবে । ३S>