পাতা:শারদোৎসব - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


(*१ीनाः, আমি তা হলে কিছু কিছু উপার্জন করে আপনার হাতে দিতে পারব। তিনি বললেন, বাবা, এ বিদ্যা পেট ভরাবার নয় ; আমার আর-এক বিদ্যা জানা আছে তাই তোমাকে শিখিয়ে দিচ্ছি। এই ব’লে আমাকে রঙ দিয়ে চিত্র করে পুথি লিখতে শিখিয়েছেন । যখন অত্যন্ত অচল হয়ে উঠত তখন তিনি মাঝে মাঝে বিদেশে গিয়ে বীণা বাজিয়ে টাকা নিয়ে আসতেন । এখানে তাকে সকলে পাগল বলেই জানত । সন্ন্যাসী সুরসেনের বীণা শুনতে পেলেম না, কিন্তু বাবা উপনন্দ, তোমার কল্যাণে র্তার আর-এক বীণা শুনে নিলুম, এর মুর কোনোদিন ভুলব না — বাবা, লেখে। লেখে । ছেলেরা ঐ রে ঐ আসছে । ঐ রে লখা, ঐ রে লক্ষ্মীপেচা । দৌড় লক্ষেশ্বর আ সর্বনাশ ! যেখানটিতে আমি কোটো পুতে রেখেছিলুম ঠিক সেই জায়গাটিতেই যে উপনদ বসে গেছে! আমি ভেবেছিলেম ছোড়াটা বোকা বুঝি, তাই পরের ঋণ \О о