পাতা:শ্রীশ্রীহরি লীলামৃত.djvu/১৮৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


* গোসাই বলেন ঘরে র্কাথ এস খুঁয়ে । একখানি কথা দেহ কিনিয়ে আনিয়ে ॥ তারক কহিল কাথ। কেহ নাহি বেচে । গোসাই কহিল কায়স্থ বাটতে আছে। বাটীর নিকটে তব পশ্চিম দিকেতে । বিধবা ছুইটী মেয়ে আছে সে বাড়ীতে ॥ সিংহ বাট গেলে কঁথা পারিব কিনিতে। শুনিয়া তারক ঘান তাদের বাড়ীতে ॥ জিজ্ঞাসিল কাথা নাকি করিব বিক্রয়। তাহারা বলিল খরিদার পেলে হয় ॥ অমনি রমণী কথা করিল বাহির । নিৰ্দ্ধাৰ্য্য করিল মূল্য দুই টাকা স্থির । আনিয়া দিলেন কঁথা গোস্বামীর স্থানে। দুই টাকা মূল্য হ’ল বগিল তখনে ॥ আইল সিংহের নারী মূল্য লইবারে। তারক দিলেন দুই টাক। মূল্য তারে ॥ গোস্বামী কহিছে কথা কঁথাখান খুলে । এ র্কাথার মূল্য তুমি কয় টাকা দিলে। সুন্দর সেলাই নাহি এ কথার তুল্য। এ কথার হইবেক চারি টাকা মূল্য। এ কঁথার মূল্য হইবেক চারি টাকা । দুই টাকা দিব কেন আমি নহে বোকা । স্বামীর নিকটে তবে কহে দুই নারী। গললগ্নী কৃত বাসা করঘোড় করি ॥ কি কারণে চারি টাকা মূল্য মোর নিব । লইয়া সাধুর টাকা পাপিনী হইব। তোমরা বিধবা নারী গোস্বামী কহয় । কেহ কিছু সাহায্য করিলে ভাল হয় । কথা মূল্য দুই টাকা কর অনুমান । আর দুই টাকা আমি করিলাম দান । অবশু অামার বাক্য করহ গ্রহণ । কদাপি আমার বাক্য না কর হেলন ॥ সাধু ব'লে আমারে করহ যদি গণ্য। বাক্য না রাখিলে হবে সাধুর অমান্ত ॥ চারি টাকা নিল তারা সন্তুষ্ট হইয়। গোস্বামী সন্তুষ্ট হ’ল চারি টাকা দিয়া ॥ ভাদ্রমাসে একদিন বৈকাল বেলায় । গোসাই আসিয়া ঘাটে হাটিয়া বেড়ায় ॥ বরষার জল গেছে বাড়ীর নিকট । জলকুল জড়াইয়া নিৰ্ম্মাইল ঘাট ॥ অন্ত খণ্ড । ᎼᏄᏜ কাষ্ঠ বেচা নৌকা ধায় লোহাগড়া হাটে । ডাক দিয়া সেই নৌকা লাগাইল ঘটে ৷ তারক আসিল সেই কাষ্ঠ কিনিবারে । কাষ্ঠ কিনিলেন নয় আন ঠিক করে ॥ কাষ্ঠ নামাইয়া দিল কাষ্ঠ বিক্রে তারা । ফেদিগ্রামে বসতি মুসলমান তার৷ নয় আনা মুল্য এনে তারক দিয়াছে। কি কর কি কর ডেকে ঠাকুর কহিছে ৷ তারক বলেছে এ কাঠের দাম দেই । I গোস্বামী বলেন তুমি কর নাকি এই ॥ কত কষ্টে কাষ্ঠ বেচে ইহার দুঃখিত। বুঝে এর মূল্য দেওয়া তোমার উচিত ৷ তারক কহিছে যে সময় হ’ল কেনা। দাম ঠিক ইহার করেছি নয় আন । সাধু কহে নয় আনা দিতে পারিবান । অার চারি অনা দিয়৷ দেহ তের আন ॥ মেয়ার কহিছে মোর বেশী কেন নিব । নয় আনা বেচিয়াছি তাহ ল’য়ে যt’ব ৷ -লোচন কহিছে দাম নেও তের আন । তাহা না নিলে নিতে হ’বে সতর আনা ॥ মেয়ারা কহিছে সাধুচরণে সেলাম । ন আনার বেশী মোরা না লইব দাম ॥ তারক দিলেন এক টাকা এক আনা । মেয়ারা কহিছে তাহ নিতে পারিব না ৷ তের আনা দিয়া শেষে কত সাধাসাধি । তার কহে বেশী নিলে হ’ব অপরাধী ! তোমরা বলহ পাপ মোরা কহি গোণ।। মুখের ঘবান গেলে কিছুই থাকে না। দনিয়ায় খাটিযর মুখের যবনি । দনিয়ার মধ্যে সেই খাটি মুসলমান ॥ নয় আনা নিয়া তারা অতিরিক্ত মূল্য। কুলে ফেলে দিয়া, নৌকা ভাসাইয়া দিল । লোচন তারকে কহে এইত ক্ষমতা । মূল্য দিতে পরিলে না গেল মোর কথ। । তারক টানিয়া ধরে নৌকা মেয়েদের। তোমরা নিলেন মূল্য মোর কৰ্ম্ম ফের। অামাদের গুরু তোমাদের মুরসিদ । গুরু বাক্য শিরোধাৰ্য্য সবার সুহৃদ ॥ লয়ে ষাও দেtয নাই নিজে ভেঙ্গে খাও। অথবা ফকিরে গিয়া খয়রাৎ দেও ৷