পাতা:ষোল আনি (জলধর সেন).djvu/৮৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ক্ষোeল-অমানি দরকার নেই। শীঘ্রই একটা সদ্বংশজাত সুস্থ-শল্পীরা মেয়ে দেখে কাষটা শেষ করে ফেল । তোমার যদি মন্ত হয়, তা হলে আমিই না হয় একদিন ও-বাড়ী গিয়ে বড় বেী ঠাকুরুণকে সমস্ত বলে শুভকার্য্যের ব্যবস্থা করে আমি ” সিদ্ধেশ্বর এ কথার কোনই উত্তর দিলেন না, নতমস্তকে চুপ করিয়া রহিলেন । তখন মনোহর বাবু বলিলেন “আরও একটা কথা । কথাটা আমার মুখ থেকে শোনা ভাল শোনায় না ; কিন্তু আমি ছাড়া তোমার হিতাকাজকীই বা কে আছে ? তুমি এখনও ছেলেমানুষ ; তোমার যৌবন কাল। পড়েছ ত অক্ষয় দত্তের চারুপাঠ-ীেবন বিষম কাল। পাপৰূপ পিশাচ কোন ভুলক্ষ্য স্থত্র অবলম্বন করে মনোমন্দিরে প্রবেশ করে তা বলা যায় না। এ উপদেশ ত আর তোমাকে দিতে হবে না ? কিন্তু কি করি বল ; আমার দুর্ভাগ্য, তাই বলতে হচ্চে। শুনলাম তোমার মা নাকি সুবর্ণপুর থেকে একটা সুন্দরী বিধবা নষ্ট-চরিত্র যুবতীকে এনে ঘরে তুলেছেন । এটা কি তার পক্ষে ভাল হয়েছে ? যে দুলক্ষ্য স্থত্রের কথা বলছিলাম, তা ত তোমার মা ঘরে ডেকে এনেছেন । দেখ, মানুষের মন না মতি। কখন কি হয়, কেউ বলতে পারে না। বিদ্য৷ বল, বুদ্ধি বল, সচ্চরিত্র বল, সব যুবতীর মোহিনী মায়ায় ভেসে যায়, এ কথা ত মান ? মানুষ ত কোন ছার, স্বয়ং যিনি মহাদেব, তারও ধ্যানভঙ্গ হয়েছিল। তার পর সেই বিধবাটি কুলটা, অসচ্চরিত্রা। সে যে তোমাকে প্রলুব্ধ করতে পারবে না, এ কি তুমি হলফ ዓ>