পাতা:সংবাদপত্রে সেকালের কথা প্রথম খণ্ড.djvu/৩৬১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ধৰ্ম্ম NeSN9 ( ১২ আগষ্ট ১৮২৬ । ২৯ শ্রাবণ ১২৩৩ ) নূতন গ্ৰীজাঘর –গত সোমবার কলিকাতার গড়েতে যে নূতন গ্ৰীজাঘর প্রস্তুত হইয়াছে তাহাতে ঐ দিবস প্রথম ঈশ্বরের আরাধনা হইয়াছে এবং তৎসময়ে শ্ৰীশ্ৰযুত লার্ড কম্বরমীর ও র্তাহার মোসাহেবের ও অন্ত২ অনেক সম্রাস্ত সাহেব লোকেরা তথায় ছিলেন । এই গ্ৰীজাঘর যে প্রকার প্রস্তুত হইয়াছে ইহার পূৰ্ব্বে এমত স্বন্দরস্কপে কোন গ্ৰীজাঘর হয় নাই । ( ৮ জুন ১৮২২ । ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১২২৯ ) জীসাহেব ॥—মোং বন্দেলথগুহইতে সম্প্রতি এক সাহেব মোং কলিকাতাতে আসিয়াছেন তিনি এক প্রকার লোকের বিবরণ কহিলেন । ঐ সাহেব ১৮১৪ শালের মে মাসে মোং পান্নাতে গিয়াছিলেন সেখানে হীরার মহাজনেরদের প্রমুখাৎ জ্ঞাত হইলেন যে ঐ পাল্লাতে জীসাহেবের মন্দির আছে । বৈকাল বেলা ঐ সাহেব আর ২ সাহেবেরদিগকে সঙ্গে করিয়া ঐ মন্দির দর্শনার্থ গেলেন কিন্তু সেখানকার অধিকারিরা জুতা পায়ে দিয়া মন্দিরের মধ্যে যাইতে দিল না। পরে সাহেবেরা জুতা খুলিয়া মন্দিরের মধ্যে প্রবিষ্ট হইলেন ও দেখিলেন যে তাহারদের পূজাদি ব্যবহার সকল নানকপস্থিরদের মত । এবং তাহারদের নিকটে ঐ জীসাহেবের বিবরণ শুনিলেন যে এক শত বৎসর পূৰ্ব্বে কোন এক বাদশাহ আপন উজীরকে এক দিন কহিলেন যে হিন্দু লোক কখনও মুসলমান হয় না। তাহাতে উজীর কহিল যে ভাল আমি হিন্দুকে মুসলমানের মধ্যে আনিতে পারি। ইহা কহিয়া কিঞ্চিৎ ধন লইয়া এক ছোকরা চেলাকে সঙ্গে করিয়া মোকাম পান্নাতে পন্থছিল এবং ঐ চেলাদ্বারা আপনার বুজুরুকী প্রকাশ করিতে লাগিল । পরে তাহার বুজরুকী কিঞ্চিৎ প্রকাশ হইলে কন্যা ভারাক্রাস্ত এক ব্রাহ্মণ আসিয়া কহিল যে হে সাই সাহেব আমি শুনিয়াছি যে আপনি যাহা মনে করেন তাহাই করিতে পারেন অতএব আমি দায়গ্রস্ত আমি যেরূপে কিছু টাকা পাই তাহ করুন। ইহা শুনিয়া ঐ বুজুরুক কহিল যে ভাল তুমি এখন যাও বৈকালে আসিও । ইহা কহিয়া ঐ ব্রাহ্মণকে বিদায় করিয়া আপন চেলাদ্বারা এক বুক্ষের নীচে গুপ্ত রূপে এক শত টাকা রাখিল । বৈকালে ব্রাহ্মণ আইলে কিঞ্চিৎ কাল ভ্ৰকুটা করিয়া কহিল যে অমুক বৃক্ষের নীচে তোমার কারণ ঈশ্বর টাকা রাখিয়াছেন। ব্রাহ্মণ অভ্যস্ত তুষ্ট হইয়া তথা গিয়া ঐ এক শত টাকা পাইল । ইহাতে ঐ বুজুরুকের প্রতি ঐ ব্রাহ্মণের নিত্যস্ত বিশ্বাস জন্মিল ও সে ক্রমেই আপন মত ত্যাগ করিয়া ঐ মতাবলম্বী হইল। কিন্তু ঐ বুজুরুক অতিশয় জ্ঞানী সে মৃত্তিকা বিবেচনা করিয়া মৃত্তিকার নীচস্থ বস্তুর বিষয় নিশ্চয় কহিতে পারিত তাহাতে এক স্থানের মৃত্তিক পরীক্ষা করিয়া চতুঃশাল নামে এক রাজাকে কহিয়াছিল যে এই স্থানে হীরা আছে। ঐ রাজা সে স্থান খনন করিয়া হীরা পাইয়াছিল তাহাতে ঐ রাজা অতিশয় ভক্তি করিয়া