RR ঠাকুরদাদার গল্প। ক্ষসিনা দ ঠাকুরদাদ। নবীন বাবু জািম্প্রিয় বালকদিগকে সঙ্গে ' বেড়াইতে আসিয়াছেন। গোলাপ, মল্লিক, জুই, গন্ধরাজ, রজনীগন্ধা প্ৰভৃতি নানাবিধ পুষ্প বৃক্ষে বাগানটী সুশোভিত। চারিদিকে সুন্দর মেদী গাছের বেড়া। মধ্যে মধ্যে সবুজ কামিনী বৃক্ষের পাতাগুলি তিনি স্বহস্তে কাচী দিয়া কাটিয়া দিয়াছেন, পাতাগুলি স্তরে স্তরে সাজিয়া কেমন শোভাই ধারণ করিয়াছে, ঐ সবুজ বর্ণ পত্রগুলির উপরে ও | মধ্যে মধ্যে পরিষ্কার শ্বেতকুসুম কি সৌন্দৰ্য্য বিস্তার করিয়াছে। বাগানের মধ্যস্থলে একটী বিলাতী ঝাউগাছ কেমন সূক্ষ্ম চুড়া তুলিয়া যেন পাহারা দিতেছে। চারি দিকে মৌমাছি সকল ফুলের মধু আহরণে নিযুক্ত রহিয়াছে। অপরাহে উদ্যানের অতি সুন্দর শোভা হইয়াছে – গাছ গুলি সব যেন হাসিতেছে। কিশোরী, বিনয় ও অন্যান্য বালকগণের যত্নে গাছগুলির একটুও হানি হইতে পায় না । তাহারা সকলেই প্ৰিয় ভম ঠাকুরদাদার সঙ্গে প্রত্যহ উদ্যানে আসিয়া গাছগুলিতে জল দেওয়া, গোড়ী খুড়িয়া দেওয়া, ঘাস তোলা প্ৰভৃতি নানাবিধ প্রকারে বাগানটীর যত্ন করে ও গাছগুলিকে যেন আপনাদের ভ্রাতার মত স্নেহ করে | এরূপ করাতে তাহদের আরও একটী উপকার হয় । সমস্ত দিবসের লেখাপড়ার পর এইরূপ শারীরিক শ্রম করাতে আনন্দে ও স্ফৰ্ত্তিতে তাহদের শরীর সুস্থ ও সবল থাকে ও রাত্ৰিতে আবার পাঠাভ্যাস করিতে বিশেষ ইচ্ছা জন্মে ও তৎপরে অতি সুনিদ্রা হইয়া আহারীয় সামগ্ৰী সকল উত্তমরূপে পরিপাক হয় । এই সকল উপকার পায় বলিয়া এক দিনও তাহারা কালে স্বীকাৰ্য্য বিস্মৃত হয় না । আজিকার বাগানের কাৰ্য্য শেষ হইলে নবীন य१ । । বাবু সকলকে চারি দিকে লইয়া সুন্দর সবুজ মখমলের ন্যায় ঘাসের উপর বসিয়া গল্প করিতে আর্যস্ত করিলেন । চন্দ্ৰনাথ জিজ্ঞাসা করিলেন ‘দাদা মহাশয় । আমরা যে বোধোদয়ে পাড়িয়াছি “পদার্থ তিন প্রকার চেতন, অচেতন, ও উদ্ভিদ, আমার তাহাতে একটু কথা আছে। আমি বলি পদার্থ দুই প্রকার বলিলেই ঠিক হইত। আমার বোধ হয় যাহাদিগকে উদ্ভিদ বলা হইয়াছে, उशन्& Cङ| °र्थं । न क् ि?” মন্মথ্যা-ত কিরূপে হইবে ? বুক্ষদের তা চেতনা নাই, তাহারা ত ইচ্ছামত যেখানে সেখানে যাইতে পারে না, তাহার কথা কহিতেও পারে না । তাহদের যেখানে পুতিয়া দেওয়া যায় সেখানেই থাকে । অমূল্যঃ—তবে তা মাছেরাও চেতন পদার্থ নয়। তাহারাও ইচ্ছামত যথা তথা যাইতে পারে না, কথা কহিতে পারে না, একটী পুকুরেই চিরকাল থাকে ? তাত নয়। আমারও বিবেচনায় বৃক্ষ BBD LDDBD DS DBDS DBB SLDB D DB বৃক্ষ লতান্দিরাও চেতন নিশ্চিত। কিশোরীরও এই মত ছিল । মন্মথ ও বিনয় বলিল ‘তা কেন হইবে ? মাছেরাত সেই জলাশয়ের যেখানে ইচ্ছা! যাইতে পারে, মাছেদের ডিম ও ছানা হয়, তাহারা ডাকিতেও পারে। মাছ ও বৃক্ষ লতার তুলনা হয় না ৷’’ নলিন বালক, কোন পক্ষে না যোগ দিয়া ঠাকুরদাদার মুখেরদিকে চাহিয়া রহিল ; তখন কিশোরী বলিল “সেরূপ ত বৃক্ষদের ও শিকড় অছে— ঐ শিকড় মাটীর চারি দিকে ছড়াইয়া যে দিকে ইচ্ছা যাইতে পারে, আমি দেখিয়াছি হরিমোহন দের বাটীর সম্মুখের অশ্বথ গাছের শিকড় অনেক দূর অবধি গিয়াছে। আর আমি বলিতে পারি লতাদের জ্ঞান আছে, কেন না, আমাদের वर्फीप्ऊ @६ौ व्छे १छं छांtछ् उशिद्ध स्त्रांकफु| গুলি সব এক একটী কঞ্চিতে জড়াইয়া থাকে। TSMSSSLSSSSSSLSSSSTSSSTSLSSSLSSLSLSSLSLSSLSLSSLSLSSLSLS
পাতা:সখা (১ম ২য় ৩য় বর্ষ) - শিবনাথ শাস্ত্রী .pdf/১২৩
অবয়ব