বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:সখা (১ম ২য় ৩য় বর্ষ) - শিবনাথ শাস্ত্রী .pdf/৪১২

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

সখা । S AAAAA AqAqA qq SAA AAASAAA LSS A LAAS AA AAASLSAL ALALLSSAA ALM MLLAA AqAAA AALLLLLSSLLLLLSSSA ALH LA SLA AMAeAASASAASASSLALA LALSLA LSLALASLLASLLAqAAA SLLLLLLS LLLLLLS - : ال. یا ۹ - ۰ - : একটানা । সুতরাং বুঝিতেই পারিতেছি যে গঙ্গা ও অন্যান্য সব নদীর জোয়ার সাগরের উপর নির্ভর করে । নদী সকল সাগরে পড়ে, এজন্য যতক্ষণ সাগরের জল নদীর মুখ অপেক্ষা নীচু, ততক্ষণ নদীর জল সাগরেই পড়িবে। কিন্তু যদি কোন কারণে সাগরের জল নদীর জল অপেক্ষা উচ্চ হইয় উঠে, তাহা হইলে সাগরের জল নদীর মধ্যে প্ৰবেশ না করিয়া থাকিতে পারেন । তখন নদীর জলের গতি ফিরিয়া যায়। এতক্ষণ যে জল সাগরের দিকে যাইতেছিল, তাহা এখন বিপরীত দিকে চলিবে । এই বিপরীত প্রবাহের নামই নদীর জোয়ার । এখন বুঝিলে যে সাগরের জলে জোয়ার হওয়ায় জল ফুলিয়া উঠে এবং ঐ উচ্চ জল নদীর মধ্যে প্ৰবেশ করিলেই নদীতে জোয়ার হয় । কাজেই এখন এই প্রশ্ন মনে উঠিবে।--যে সাগরে জোয়ার কেন হয় ? আমরা এইবার তাহার উত্তর দিব । সমুদ্রই পৃথিবীর অধিক ভাগ ব্যাপিয়া আছে। সমস্ত পৃথিবীকে চারি ভাগ করিলে, প্ৰায় তাহার তিন ভাগ জলে ঢাকা, আর এক ভাগের কিছু বেশী স্থল দেখা যাইবে (ওয়ান্ডের ম্যাপ দেখ। ) এই সমুদ্র ভাগ যে কত গভীর তাহার এখনও সকল স্থানে ঠিকানাই হয় নাই। হিমালয় পৰ্ব্বত যে এত উচ্চ, তাহার মত পৰ্ব্বত ও সাগরের মধ্যে লুকাইয়া থাকিতে পারে এবং তাহার উপরে ও অনেক জল থাকে। এই অতল অকুল জলরাশি পৃথিবীর গায়ে লাগিয়া রহিয়াছে কেন ?—সকলেই জান যে পৃথিবী নিজ আকর্ষণ শক্তি দ্বারা উহাকে টানিয়া স্থির করিয়া রাখিয়াছে। মনে কর যদি আর একটা প্ৰকাণ্ড গ্ৰহ পৃথিবীর নিকটে আসিয়া জলটাকে টানিত, তাহা

SAAAcSH HHS LS LS LLS SLM SLLLLLLSLL LSLSLSL SAML0LLSL SSL L LSSSqSqS S SSAASS qqSS qS A SiSSS SSqqqS qSASA SASSS CSCLSqASq qq S S HSLLS LA S qqSS S LLSLLLAASq SqA AS aaH SMS AAAAA AAAASS AAASSq LL AAALLS SASALASSS SA AAAASAAALLS LLLLMSSSq SSqqSqq S SASASTTMM ESE LSLYS LMMSq AAASAALSSS SSAS SSSSSSMSSAS Sq 一+ HMLMAS StSSLMLSS qA SAqA SA qeLSSSTeALLLLSA SLA LLS SLLS SLLLLe LeLeAL ATLL LLL LLLLLS SSLLLAASAHAeA ALALASSASAMLSLSALSLALALSASALSLASAALSLASLLA ALATATTTAMASALSALSLALLSSMLSLA LA qASLMLA AqSA AAASAALSLSLSSSMMSeALLAAAAALAAAAALSAALASLSALMLSSLALALALALALAALSALLSLLLAAASAA AAAA AAAASASASS হইলে ঐ জল আর স্থির থাকিতে পারিত না। এখন দেখা পৃথিবী এই রূপে জলে আবৃত হইয়া আছে, আর আকাশের সমস্ত গ্রহ ও উপগ্ৰহ, সুৰ্য্য ও নক্ষত্ৰাদি সকলেই জলস্থলময় পৃথিবীকে আকর্ষণ করিতেছে। সহজেই বুঝিতে পারিতেছি যে চন্দ্ৰ সৰ্ব্বাপেক্ষা অধিক নিকটে বলিয়া উহার আকর্ষণই খুব বেশী হইবে। সূৰ্য্যটা একটা অতি প্ৰকাণ্ড জিনিস, সুতরাং সে দুরে থাকিলেও চন্দ্রের পরেই তাহার আকর্ষণ । নক্ষত্র সকল এত দূরে আছে যে মনে ধারণা করাই যায় না । সুতরাং কেবল চন্দ্ৰ সুৰ্য্যের আকর্ষণই অনুভব করা যায়। পৃথিবীর যে সমস্ত অংশ স্থলময় তথায় কোন পরিবর্তন দেখা যায় না ; কেননা স্থল কঠিন । কিন্তু যে সকল ভাগ সাগরে আবৃত, তথায় এই আকর্ষণের কাৰ্য্য বেশ দেখা যায়। যখন যে সাগরের উপর এই আকর্ষণ কাৰ্য্য করে, অর্থাৎ যাহার উপর সূৰ্য্য বা চন্দ্ৰ উদিত থাকে, তথাকার জল তরল বলিয়া ঐ টানের জোরে একটু উপর দিকে ফুলিয়া উঠে। এই ফুলিয়া উঠার নাম জোয়ার হওয়া । কোন কঠিন পদার্থের এক দিক ধরিয়া টানিলে সেই সঙ্গে তাহার সমস্তটাই আসে ; কিন্তু তরল জিনিসের যেখানটা টানা যায়। সেখান তইতেই খানিকটা সরিয়া আসে । জোয়ার হওয়ারও কারণ সেইরূপ । পৃথিবীর জল ও স্থল উভয়ই আকৃষ্ট হয়। স্থল কঠিন বলিয়া তাহাতে কোন পরিবর্তন দেখা যায় না, যেমন ছিল তেমনি থাকিয়া যায় ; কিন্তু সমুদ্রের অগাধ জল তা সেরূপ কঠিন নহে, কাজেই সূৰ্য্য বা চন্দ্ৰ আকর্ষণ করিলে খানিক পরিমাণে সেই দিকে উচু হইয়া উঠে, তাই সেখানে তখন জোয়ার হয় । যখন যে সাগরের ঠিক উপরে সূৰ্য্য ও চন্দ্ৰ གལ་ uppgrypnusung Uppg