lar ( 8 থাক তবে পুণ্য লাভ করিবার জন্য যত্ন কর; পুণ্য লাভ করিলে সকল ফল লাভ করিবে।” ঐবি । জিজ্ঞাসা করিলেন “মা ! আমাদের দুঃখ কে নিবারূৰ্ণ করিবে ;” সুরুচি বলিলেন-“বাছা ! সৰ্ব্বদুঃখ शौ उ१ांतान आभाप्नद्र श्ःश्ः দূর করিবেন।” পুত্র জিজ্ঞাসা করিল “ ভগবানকে কোথায় পাইব ?” জননী বলিলেন “তিনি সর্বত্রই আছেন। যেখানে গিয়া ডাক পাইবে।” এই কথা বলিলেন বটে ; কিন্তু তঁাহার মনে বড় ভয় হইল কি জানি অভিমানে বালক কি করিয়া বসে । এই মনে করিয়া জননী আবার বলিলেন “বাছা! তিনি অরণ্য মধ্যে থাকেন সেখানে কেহ যাইতে পারে না, সে স্থান মানুয্যের আগম্য।” এই বলিয়া দুঃখিনী সুনীতি পুত্র কোলে করিয়া রজনীতে শয়ন করিলেন ; কিয়াৎক্ষণ পরে সুনীতি নিদ্রাভিভূত হইলেন। ধ্রুব সেই অবসরে উঠিলেন, উঠিয়া মাতার চরণ বন্দনা করিলেন ও দুঃখিনী মাতাকে না জাগাইয়া কুটীর হইতে নিবিড় বনে গমন করিলেন । অরণ্যে গিয়া ধ্রুব কোথায় দুঃখহারী পরমেশ্বর দেখা দেও, বলিয়া চীৎকার করিয়া আকুল ভাবে কাদিতে লাগিলেন। এক একবার ঝড় উঠতেছে আর ধ্রুব মনে করিতেছেন এই বুঝি আমার হরি । পুরাণে কথিত আছে বালক ধ্রুব সরল প্ৰাণে অরণ্য মধ্যে এইরূপ বলিতেছেন। হিংস্ৰ জন্তুগণ র্তাহার কাছে আসিয়া তাহার সরলতা দেখিয়া তাহদের স্বভাব ভুলিয়া কিছু বলিতেছে না । এদিকে সুনীতি নিদ্রাভঙ্গের পর তঁহার প্রাণের ধ্রুব কাছে নাই দেখিয়া পাগলিনীর ন্যায় ইতস্ততঃ অন্বেষণ আরম্ভ করিলেন। ধ্রুব ধ্রুব করিয়া কঁাদিয়া বেড়াইতে লাগিলেন। এদিকে ধ্রুব কঠোর তপস্যায় প্ৰবৃত্ত হইলে নারদমুনি আসিয়া তঁহার নিকট দেখা দিলেন। གཉིས་ -ܝܫ 기| | amaladas bakarragarvar ru তিনি আসিবা মাত্র ধ্রুব তাহার চরণ বন্দনা করিলেন, তিনি হস্ত উত্তোলন করিয়া আশীবৰ্ব্বাদ করিলেন এবং বলিলেন “এগ্রুব। আমরা এতদিন ধরিয়া তপস্যা করিলাম, আমরা যাহাকে পাইলাম না তুমি সামান্য বালক হইয়া তাহাকে কিরূপে পাইবে ? বৎস! যাহা সিদ্ধ হইবার নয়। তুমি সে আশা ত্যাগ করা; তোমার দুঃখিনী মাতার নিকট যাও।” ধ্রুব বলিলেন “প্ৰভু আমি হরিকে না পাইলে তা গৃহে যাইব না।” নারদ বলিলেন “তুমি দ্বাদশ বৎসর তপস্যা কর। তবে হরিকে পাইবে।” একদিন তপস্যা করিতে করিতে র্তাহার প্রাণের হরি তাহাকে দেখা দিলেন। বালকের এত আনন্দ হইল যে তিনি বাহা জ্ঞান রহিত হইয়া প্রার্থনা করিতে লাগিলেন, তখন ঈশ্বর তঁাহাকে বলিলেন “বৎস ধ্রুব! তোমার প্রার্থনায় আমি পরিতুষ্ট হইয়া তোমাকে বরদান করিতে আসিয়াছি। এক্ষণে বর প্রার্থনা করি।” বালক দয়াময়ের এই কথা শুনিয়া আনন্দে বিভোর হইয়া বলিলেন “প্ৰভু! আমি আর কিছুই চাই না। আমার প্রার্থনায় তুমি যদি পরিতুষ্ট হইয়াছ তাহা হইলে আমি ইচ্ছানুসারে তোমার স্তব করিতে পারি ঈদৃশ বরদান কর । কারণ পণ্ডিতেরাও তোমার তত্ত্ব নিরূপণ করিতে পারেন নাই। আর আমি সামান্য বালক হইয়া স্তব করিতে কি করিয়া সমর্থ হইব । হে পরমেশ্বর । আমি যাহাতে তোমার ভক্ত হইতে পারি ও তোমার শ্ৰীচরণ পূজা করিতে পারি। এইরূপ বর প্রদান কর।” দয়াময় ঈশ্বর সদয় হইয়া বলিলেন “বৎস তুমি নয়ন খুলিয়া আমায় বাহিরেও দেখা।” তিনি বলিলেন “না প্ৰভু আমার ভয় হইতেছে চক্ষু খুলিলে আমি আর তোমায় দেখিতে পাইব না। আমি অনেক འ────་ * - يعة"
পাতা:সখা (১ম ২য় ৩য় বর্ষ) - শিবনাথ শাস্ত্রী .pdf/৫১১
অবয়ব