s | এ সমাজ, সে মানুষ আর এ মানুষ, এবং সে কালের আর এ কালের শিক্ষার কি প্ৰভেদ, এ সব কিছুই ভাবিয়া দেখেন না। বোধ হয় দেখিতেও চাহেন না। ২১ বাল্য-বিৰাহ-প্ৰথা প্ৰবত্তনের কারণ । হিন্দু-বিবাহটা একটা খেলাখেলির ব্যাপার নয়, এটা একটা বিশেষ বিবেচনাপূর্বক ভাবিবার বিষয় । বিশেষরূপে বহন করার নাম বিবাহ। এখানে বিবাহ অর্থ বিলাস কিংবা ভোগ নয়। স্ত্রী এখানে কেবলমাত্র ভালবাসার, বিলাস অথবা ভোগের সামগ্ৰী নয়। সে এখানে অৰ্দ্ধাঙ্গিনী, সহধৰ্ম্মিণী এবং গৃহলক্ষ্মী। এখানে গ্ৰহণ আছে ত্যাগ নাট, জীবন আছে মরণ নাই, প্রেম আছে বিচ্ছেদ নাই। স্ত্রী এখানে শুধু প্ৰণয়িনী নহে, আৰ্দ্ধাঙ্গিনী—সংসারধৰ্ম্মে সহধৰ্ম্মিণী। এমনই বটে। ইহাকে বলে বিবাহ, এবং ইহাই আৰ্য্যঋষিগণের কল্পনা ও ধারণা। 光 米 崇 আর, এই বিবাহের উদ্দেশ্য-উত্তেজনার উপশান্তি করা নয়, বিলাসের বিষম বাসনা পরিতৃপ্তি করা নয়, প্ৰণয়ের সুখসাগরে আহ্নিক করা নয়, প্ৰমোদকাননে উদভ্ৰান্ত প্রেমিক প্ৰেমিকার শ্লেষ্কাভিনয় করা নয়, উচ্ছঙ্খলা কি বিচ্ছ খিলা নয়, পরিত্যাগ কি পািৰ্মষ্ঠাপিও নয়। একটী বিশাল সংসার-তকর সংস্থাপন করাই এই বিবাহের উদ্দেশ্য। স্বামী এবং স্ত্রীর সংযোগই এই লৈ বৃক্ষের সংস্থাপন। মানে “স্বামী-{-স্ত্রী = সংসার।” এই বিবাহ ।
পাতা:সমাজ-সমস্যা - যামিনীমোহন ঘোষ.pdf/২০
অবয়ব