পাতা:স্বর্ণ-শৃঙ্খল নাটক.pdf/২৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


) ఆ স্বর্ণ-শৃঙ্খল নাটক বুড়ী। ( দ্রৌপদীর মুখের নিকট দৃষ্ট করিয়া) ওম রাজলক্ষ্মী আমার ! তোমার বালাই নে মরি, আ মুখে আগুন ! পোড়া মুখে মুড়ো জেলে দি । ( দ্রৌপদীর চিবুকে হস্ত দিয়া বারস্কার চুম্বন । ) দ্রৌপদী । ( ঈষদ্ধাস্যপূর্বক ) কার মুখে মুড়ে জেলে দাও, আমার ? বুড়ী । ও আমার ষেটের বাছা যাঠ ষাঠ ! ( আপনার কেশহীন মস্তকে হস্ত দিয়া ) এই আমার মাথার যত চুল তত আই হোগ, হাতের নো বজ্জর হোয়ে থাকুক, পাকা মাথায় সিন্দুর পর, হে পরমেশ্বর । রাজমাতা হও, নাইতেও যেন কেশ ছেড়ে না, পায় যেন দুৰ্ব্বোর অঙ্কুরও ফোটে না । বুড়ীর আর কেউ নাই মা, তোমা বই বুড়ী ব’লে কেউ জিজ্ঞাসা করে না মা, বুড়ী ব’লে সব্বাই হেনস্ত করে । ( হাউ হাউ করিয়া রোদন । ) ( চেটীব প্রবেশ ) । চেট । মা ঠাকুরুন ! অর্জুনদেব পুষ্পগৃহে আসিতেছেন । বুড়ী । ( চেটীর প্রতি দৃষ্টিপাত করিয়া ) আমর ছুড়ী মর, চুলোয় যা, গোল্লায় যা, ভাতার পুতের মাথা খা, চোকের মাতা থাকী, সাতগতর থাকী আমায় দেখলে আবার ন্যাকরা বাড়ান । ওই কি বলে গেল । দ্রৌপদী। না, ও তো তোমায় কিছু বলে মাই। চেটার গমন, দ্রৌপদীর দৃষ্টি বহির্গত হইয়া বুড়ীর প্রতি মুখ বিকৃতি করিয়। পলায়ন । ) বুড়ী। ওই তো ভালথাকী রাড়ী অামায় মুখ ভেঙ চে গেল, জামর ! "এখন বোঝেন যৌবনের ভরে, পশ্চাৎ কাদবি অজস্ব ঝরে ।”