পাতা:হরিলক্ষ্মী.djvu/৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
হরিলক্ষ্মী

একটি ছেলে-মেয়ে সঙ্গে লইয়া ঘরে ঢুকিলে আর খুঁত ধরিবার কিছু থাকিত না! তবে সে যে সুন্দরী, এ কথা তাহারা স্বীকার করিল। ফল কথা সচরাচর বড় বয়সের চেয়েও লক্ষ্মীর বয়সটা কিছু বেশি হইয়া গিয়াছিল, বোধ করি, উনিশের কম হইবে না। তাহার পিতা আধুনিক নব্যতন্ত্রের লোক, যত্ন করিয়া মেয়েকে বেশি পর্য্যন্ত শিক্ষা দিয়া ম্যাট্রীক পাশ করাইয়াছিলেন; তাঁহার অন্য ইচ্ছা ছিল, শুধু ব্যবস ফেল পড়িয়া আকস্মিক দারিদ্র্যের জন্যই এই সুপাত্রে কন্যা অর্পণ করিতে বাধ্য হইয়াছিলেন।

 লক্ষ্মী সহরের মেয়ে, স্বামীকে দুই-চারি দিনেই চিনিয়া ফেলিল। তাহার মুস্কিল হইল এই যে, আত্মীয় মিশ্রিত বহু পরিজন পরিবৃত বৃহৎ সংসারের মধ্যে সে মন খুলিয়া কাহারও সহিত মিশিতে পারিল না। ওদিকে শিবচরণের ভালবাসার ত আর অন্ত রহিল না। শুধু কেবল বৃদ্ধের তরুণী ভার্য্যা বলিয়াই নয়, সে যেন একেবারে অমূ্ল্য নিধি লাভ করিল। বাটীর আত্মীয় আত্মীয়ার দল কোথায় কি করিয়া যে তাহার মন যোগাইবে, খুঁজিয়া পাইল না। একটা কথা সে প্রায়ই শুনিতে পাইত—এইবার মেজবৌয়ের মুখে কালি