পাতা:হিন্দুধর্ম্মের নবজাগরণ - দ্বিতীয় সংস্করণ.pdf/৫৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


‘যখনই ধৰ্ম্মের গ্লানি ও অধৰ্ম্মের অভু্যুথান হয়, তখনই আমি ধৰ্ম্ম পুনঃ স্থাপনের জন্য আবিভূত হই ।” হুে মহারাজ, এ কথাগুলি পবিত্র গীতাশাস্ত্রে সেই সনাতন *াকুরের বাক্য ; এই বাক্য জগতে আধ্যাত্মিক শক্তিপ্রধাহের সনাতন উথান পতন নিয়মের মূলমন্ত্রস্বরূপ। এই সকল পরিবর্তন বার বার নূতন তালে, নূতন ছন্দে জগতে প্রকাশিত হইতেছে আর যদিও অন্যান্য মহান পরিবর্তনের স্থায়, তাহাদের কার্য্যক্ষেত্রের মধ্যগত প্রত্যেক ক্ষুদ্রাৎ ক্ষুদ্রতম বস্তুর উপর তাহারা প্রভাব বিস্তার করিতেছে, তথাপি অনুকূর্ম স্থানেই তাহাদের কার্য্যকারিত অধিক প্রকাশ পায় । সমষ্টিভাবে যেমন জগতের আদিম অবস্থা ত্রিগুণের সাম্যভাব, ( এই সাম্যভাবের চু্যতি ও তাহ পুনঃপ্রাপ্তির জন্য সমুদয় চেষ্টা লইয়াই এই প্রকৃতির বিকাশ বা ব্ৰহ্মাণ্ড ; যতদিন না এই সাম্যাবস্থা পুনরায় আসে, ততদিন এই ভাবেই চলিতে থাকে ) ব্যষ্টিভাবে তেমনি

  • রাজপুতানার অন্তর্গত খেতড়ির মহারাজের অভিনন্দনপত্রের উত্তর ( ১৮৯৫ ) ।

8や