পাতা:অমরনাথ (কৃষ্ণচন্দ্র রায় চৌধুরী).pdf/১৪৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অমরনাথ । *\లిసి মনের কথা কি বল দিখি ? তোমার চেহারা দেখে আমারই তোমার সামনে বোসতে ভয় হোচ্চে। যেন তোমার হাতে ছুরি টুরি কি আছে। তুমি উঠে দাড়াও, আমি তোমার হাত পা ভাল কোরে দেখি, তা নৈলে অামার বিশ্বেস হয় না । পঃ কথা । র্যাড়ে। হজুর বলেন কি ! তোমার মনে এমন অবিশ্বেস আমার উপর? কিন্তু হজুর,যা এ চেচে, তাইই বটে। ওতো এখন হল জজ। কাল রাত্রেই ষাবে । তা হলেতো আমাদের সকল মস্তন্ন গোলে গেল । ও এখানে না থাকুলে তো ওকে ফৌজদুরিতে ফেলা যাবেন! আর দাওয়ানিতে কিছু ওর সঙ্গে পারা যাবে না। তাই বোলুচি যে, একেবারে নিকেশ করাই ভাল । জমি। তুমি বল কি ! একেবারে উন্মাদ হয়েছে ? ওকি আমার রেয়ত যে তুমি ষা মনে কোলে তাই কোলে ? এই দেশমৃদ্ধ লোক ওর মুখ তাকিয়ে আছে। ওর গায় একটা নখের আঁচড় দিলেই একটা হুল স্থল হয়ে উঠবে। আর বিশেষত বাঙ্গালিতে যে সহোদর ভাইকে খুন করে, এমনতে কোথাও শুনিনি। আর কোন উপায় থাকে তো কর । র্যাড়ে। (স্বগত) ইনি একে বারে সাত হাত পেছিয়ে পোড়লেন । এর ছাগলের সিঙ্গি সিঙ্গির ছাগল। একটু বড় গোচ দেখলেই বলেন আমার এক হাতে ঢাল এক হাতে তরাল, দুহাত বনা, আমি কি কোরে লড়াই করি । ( প্রকাশ্য) ই হজুর আর একটা উপায় আছে। ষওরাম যাতে লাগেন তার একটা নিবংসা না কোরে ছাড়েন না ; কিন্তু তোমার একটু তাতে ছুক হবে। জমি । কি কি কি ! বল বল। র্যাড়ে। এই অগ্ৰদানী পাড়াতে দুটো মেয়ে মানুষ থাকে। একজন মা একজন মেয়ে। সেই মেয়ের কাছে আমাদের বাবু যাওয়া আসা করেন।