পাতা:আত্মচরিত (প্রফুল্লচন্দ্র রায়).djvu/২৪২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কেবল সেই স্থলেই তিনি বস্তৃতা দেন, আলোচনা করেন এবং এইভাবে ছাত্রদের মধ্যে জ্ঞানান্বেষণের প্রবত্তি জাগ্রত রাখেন। বারট্রান্ড রাসেলের ভাষায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষায় পাঠশালার গরগিরির স্থান আর এখন নাই।...... f “আমি এ পর্যন্ত, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা প্রণালীর ৪টি গরতের ক্রটার উল্লেখ করিয়াছি—শিক্ষার বাহন, ছাত্র নিবাচনের অভাব, অধ্যাপকের বস্তৃতা দেওয়ার বাধ্যতামলক রীতি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজের সঙ্গে ছেলেদের যোগসত্রের অভাব। আরও অনেক ঘটী আছে, তন্মধ্যে একটি বিশেষরাপে উল্লেখযোগ্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের মাকৰ্ণধারীদের জন্যই কেবল ঐ প্রতিষ্ঠানটি একচেটিয়া থাকিবে, এরপ ধারণা ভ্ৰমাত্মক, আমরা যতদিন বিশ্বাস করিতাম যে, আমাদের শিক্ষাদানপ্রণালী নিভুল এবং শিক্ষালাভযোগ্য সকলের ভারই আমরা গ্রহণ করিতে পারি, ততদিন পর্যন্ত এ ধারণার একটা অৰ্থ ছিল। এরপ দাবী একান্ত অমলক। যদি আমরা স্বীকার করিয়া লই যে বিশ্ববিদ্যালয় মৌলিক গবেষণার কেন্দ্রস্বরুপ হইবে, তাহা হইলে, যে কেহ মৌলিক চিন্তা, ও গবেষণার পরিচয় প্রদান করিবে, তাহারই জন্য উহার বার উন্মুক্ত করিতে হইবে, ছাপ তাহার দেহে থাকুক আর নাই থাকুক। এরপ উদার নীতি অবলম্বনের ফলে উন্নতির গতি রন্ধ হইবে, কোন শিক্ষা ব্যবসায়ী এমন কথা বলিতে পারেন না। পক্ষান্তরে, যদি আমরা চিন্তা করি যে, সমাজের অতি সামান্য অংশই শিক্ষা লাভের সুযোগ পাইতেছে, এবং অজ্ঞাত প্রতিভা হয়ত সযোগের অভাবে আত্মপ্রকাশ করিতে পারিতেছে না, তাহা হইলে প্রচলিত সঙ্কীণ নীতির পরিবতন করা একান্ত প্রয়োজন। পৃথিবীর মহৎ ও প্রতিভাশালী ব্যক্তিদের যদি একটা হিসাব আমরা করি, তাহা হইলে দেখিতে পাইব যে, তাঁহাদের মধ্যে অধিকাংশই বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকট, এমন কি কোন বিশেষ শিক্ষা প্রণালীর নিকটই ঋণী নহেন। সেক্সপীয়র গ্রীক ও লাটিন অতি সামান্যই জানিতেন। আমাদের দেশের কেশবচন্দ্র সেন এবং রবীন্দ্রনাথ, অপরাজেয় কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টাপাধ্যায় এবং শ্ৰেষ্ঠ নাট্যকার গিরিশচন্দ্র ঘোষ কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের বার অতিক্রম করেন নাই। (২১) বিশ্ববিদ্যালয় সাধারণ বধির ছাত্রদেরই আশ্রয় দেয়, এ অভিযোগ যেমন সম্পণে অমলক নহে, তেমনি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিভার বিরোধী, এমাসনের এ অপবাদও সম্পণেরপে (২১) গিরিশচন্দ্র এবং শরৎচন্দ্র উভয়েই প্রগাঢ় পণ্ডিত। গিরিশচন্দ্র সবখে জনৈক লেখক অমৃতবাজার পত্রিকায় (২৬–১–৩১) লিখিয়াছেন—“গিরিশচন্দ্র অক্লান্ত অধ্যয়নশীল ছিলেন। যাহা কিহু পড়িতেন, তাহাঁই আয়ত্ত করিতে পারিতেন। বৎসরের পর বৎসর ছাত্রদের মতই তিনি BBB DD DDBB BBBBB BB BBBB BBBBB SBBB B BSBB BBB gS DBBD DDD DD S BBBBBB BBBB BBB BB BuB BB DD DD DD e পড়িয়ছেন। -