পাতা:আত্মচরিত (৪র্থ সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/১৩৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


So P दिनांथ भौद्ध 'कांकृ5बिड [ ৫ম পরিঃ মৌনব্ৰত ধরিলাম। এই মনের কাণমলাটা তখন অতিরিক্ত মাত্রায় কিরিতাম । হৃদয়ে ধৰ্ম্মভাবের উন্মেষ হওয়া অবধি আমি কলেজের পরীক্ষাতেও উৎকৃষ্ট হইতে লাগিলাম। তদবধি প্ৰতিবৎসর আমি কলেজে প্ৰথম স্থান অধিকার কবিতে লাগিলাম। আত্মনিগ্রহের উদ্দেশ্যে, পাঠ্যবিষয়ে মধ্যে মধ্যে অগ্ৰীতিকবি বোধে যে যে বিষয় অবহেলা কবিতাম, তাহাতে অধিক মনোযোগী হইলাম। আমার মনে আছে, অগ্ৰে অঙ্কে অমনোযোগী ছিলাম, তাহার ফলস্বরূপ পরীক্ষাতে কখনও একশতের মধ্যে বিশের উপর নম্বর পাইতাম না। ১৮৬৬ সাল হইতে তাহা বদলাইয়া গেল। অঙ্কে এরূপ মনোযোগী হইলাম যে ঐ বৎসর বিশ্ববিদ্যালয়েব প্ৰবেশিকা পৰীক্ষাতে প্ৰথম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হইয়া সেকেণ্ড গ্রেড স্কলারশিপ পাইলাম ; কলেজেও প্ৰথম হইলাম। তৎপবে সেই প্ৰতিজ্ঞ ও সেই দৃঢ়ব্ৰত রহিয়া গেল। কি কঠিন সংগ্ৰাম করিয়া ১৮৬৮ সালে এল এ পরীক্ষাতে উত্তীর্ণ হইয়াছিলাম ও ৫৯২১ টাকা স্কলারশিপ পাইয়াছিলাম, তাহার বর্ণনা ক্রমশঃ করিতেছি। আমার নব ধৰ্ম্মভাব আমাকে সেই সংগ্রামে শক্তি দিয়াছিল। BDDDDBBBDSDB TD LgOBD YSTTBBD DBDS BBBDD ধৰ্ম্মজীবনের আরম্ভ হইতে এই ১৮৬৮ সাল পৰ্যন্ত কালকে শ্রেষ্ঠকাল বলিয়া মনে করি । এই সময় যে ভাবে যাপন করিয়াছিলাম, সেজন্য মুক্তিদাতা প্ৰভু পরমেশ্বরকে মুক্তকণ্ঠে ধন্যবাদ করি। বিনয়, বৈরাগ্য, ব্যাকুলতা, প্রার্থনাপরায়ণতা প্ৰভৃতি ধৰ্ম্মজীবনের অনেক উপাদান এ সময়ে আমার অন্তরে বিদ্যমান ছিল। আমার যতদূর স্মরণ হয়, তখন আমার মনের ভাব এইপ্ৰকার ছিল যে, আমার ধৰ্ম্মবুদ্ধিতে থাকিয়া, ঈশ্বর যে পথ দেখাইবেন, তাহাতে চলিতে হইবে, ক্ষতি লাত যাহা হয় হউক। সকল বিষয়ে ও সকল কাৰ্য্যে ঈশ্বর-চরণে প্ৰাৰ্থনা করিতাম, এবং যাগে একবার কর্তব্য বলিয়া নির্ধায়ণ করিতাম, তাহাতে দুৰ্জয় প্ৰতিজ্ঞার সহিত কণ্ডায়মান