পাতা:আরোগ্য - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/১১৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কেশবের হাত ঘড়ির হিসাবে পুরো দু’ঘণ্টা তেরো মিনিট পরে ডাক্তার দত্ত তাকে কামরায় ডাকে- অনিমেষের লেখা পরিচয় পত্ৰটী *Tiछेiएन। नएस७ । কেশবের মনে হয়, পরিচয় পত্র না। এনে সোজাসুজি নিজে এসে ধন্ন দিলেই বোধ হয় ভাল করত ! ডাক্তার দত্ত হাসিমুখে বলে, অনেকক্ষণ বসিয়ে রেখেছি ? উপায়। নেই। দিন দিন রোগীর ভিড় বাড়ছে, আর পেরে উঠছি না। আমি । ডাক্তার দত্তের রকম দেখে আর মুখের ভাব দেখে কেশব আশা ছেড়ে দেয়। রোগীর ভিড়ে ডাক্তার বিহবল হয়ে গেছে । বিশেষ রোগী হিসবে তার বিশেষ চিকিৎসা কি এর দ্বারা সম্ভব হবে ? ডাক্তার দত্ত ক্লান্ত শান্ত সুরে জিজ্ঞাসা করে, ব্যাপারটা কি ? বসুন। রোগীর চেয়ারে বসতে না বলে আপনাকে অন্য চেয়ারে বসতে বলা উচিত ছিল । আজ পৰ্য্যন্ত আপনার মত সুস্থ সবল রোগী আমার চেম্বারে আসে নি । কেশব বিনীতভাবে বলে, আপনার যদি আজ সময় না থাকেডাক্তার দত্ত ক্লান্ত মুখে হাসি এনে বলে, আপনি কতক্ষণ সময় আমাকে দিতে পারেন। আর আমি কতক্ষণ সময় আপনাকে দিতে পারি পরীক্ষা হোক না ? সাতটায়। এ চেয়ারে বসেছি, এগারোটা বাজে । সন্ধ্যা পৰ্য্যন্ত নয় বসব আপনার জন্য । আপনি পারবেন তো ? হঠাৎ খুলীর যেন সীমা থাকে না কেশবের ! সে টের পায় ডাক্তার দত্ত তার চিকিৎসা সুরু করে দিয়েছে । নইলে সামান্য একটা ড্রাইভার রোগীর জন্য এতবড় স্পেশালিষ্ট ডাক্তার এমন বক বক সুরু করে ? ডাক্তার দত্ত মেরুদণ্ড সোজা করে হাই পাওয়ার চশমায় স্থির N N R