পাতা:আরোগ্য - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/১২৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বুঝে গিয়েছি। এবার চিকিৎসা আরম্ভ হবে । এটা भरने অসুখ তাই তোমার চিকিৎসাটাও হবে মানসিক । কেশব প্ৰতিবাদ জানিয়ে বলে, কিন্তু আমার তো কাবিরোগ নেই। সার ? বরং রসকষ খুব কম। গাড়ী হাকাই, রোগটার कछे आigछ् ডাক্তার দত্ত হেসে বলে, কাজেই তুমি নীরস কাঠখোটা মানুষ হয়ে গেছ ? একেবারে চাচাছোলা বস্তুবাদী ? এইখানেই হযেছে তোমার মুস্কিল। নিজেকে বোঝে না, কিন্তু তেজের সঙ্গে সেটা তুচ্ছ করে উড়িয়ে দিতে পার। তুমি জেনে রেখেছ রসিক ভাবুক মানুষরা কথায় কথায় হেসে কেঁদে আকুল হয়, ভাবাবেগে গদগদ হয়ে থাকে। কাব্যিরোগ বলতে তুমি বোঝে। ছ্যাবলামি, ন্যাকামি । তুমি ভাব যেহেতু তুমি সব সময় সব বিষয়ে সিরিয়াস, কাজেই কাব্যিরোগ তোমার হতেই পারে না । কেশব চুপ করে থাকে। ; কিন্তু সিরিয়াসলি নিয়েছ বলেই কি তোমার অবাস্তব অসম্ভব। কল্পনা আর ইচ্ছাগুলি বাস্তব হবে, সম্ভব হবে ? তুমি যে মেয়েলি হিষ্টিরিয়া দেখেছ, তোমার কাছে ছ্যাবলামি পাগলামি ঠেকলেও তারা নিজেদের কাছে কি কম সিরিয়াস ? ভাব তো কতখানি সিরিয়াসলি নিলে মানসিক ভুল ধারণা দেহের ক্রিয়াকে কণ্টেল করতে পারে ? একটু দরদের জন্য কত রকম উদ্ভট কাণ্ড করে, তোমার কাছে ওই ফাক দরদের কোন দাম নেই । দরদের লোভে রোগের ভাণ করার কথা তুমি ভাবতেও পার না। জেগে থেকে হাল্কা মিষ্টি স্বপ্নের জাল বোনা তোমার আসে না, ওরকম কাব্যি রোগকে তুমি ঘেন্না কর। বেশ কথা। কিন্তু তুমি যে দুটাে জগৎকে জয় করতে চাও ভোগ করতে > R