পাতা:আরোগ্য - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৩৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কুলিগিরি করেই হোক। পাক ঘরে দুধে ভাতে কিম্বা ভাঙ্গা কুঁড়েতে আধপেটা শাকভাত খেয়ে জীবন কাটবে মানুষ যার যেমন অদৃষ্টে আছে। কিন্তু বয়স গেলে যে বিয়ে করার সুখটাই নষ্ট হয়ে গেল জীবনে ? দুদিনের জন্য হলেও এই তো বয়েস বিয়ের আসল রস আর আনন্দ পাবার। জীবনটাই তো অস্থায়ী মানুষের । কেশবের নিজের ফসকে গেছে কিনা, অন্যের জীবনে এ রস আর আনন্দের কোন দাম তার কাছে নেই । সহর থেকে এটা ওটা আনার ফরমাস ছিল দু’তিন জনের। বিমলা জিজ্ঞাসা করে, খালি হাতে এলি, পাটি আনিস নি তো ? কেশব বলে, নাঃ । আমি বলে অ্যাকসিডেণ্ট হয়ে মরছিলাম; মাগো ! বলিস কি রে ? ভগবান দীনবন্ধু । ফরম্যাসী জিনিষ না আনা হয়ে থাকলে যারা অনুযোগ দেবার জন্য উপ্তত হয়েছিল তার একেবারে চুপ করে যায়। সংক্ষেপে ঘটনার বিবরণ জানিয়ে জামাকাপড় ছেড়ে কেশব পুকুরে BB DDD DBBB BBB SS S SBDBBDBD DDD DDSDDD BDSS S SDBBB আধডজন ছেলেমেয়েকে খেতে বসিয়েছে, ওরা খেয়ে না। উঠলে মায়া এসে শুনতে পাবে না। তার দুর্ঘটনার কাহিনী । সে ফিরে যেতেই গোবিন্দ বলে, তুমি যে আমাদের ভাবিয়ে রেখে গেলে । হয়েছে কি ? এসে বোসে । দাওয়ায় মাদুর বিছানো হয়। কেশব বসতেই সকলে তাকে ঘিরে বসে । মায়া নিঃশব্দে গোবিন্দের পিছনে বসে, যেখান থেকে মুখ দেখা যায় কেশবের । কেশবের দুর্ঘটনার কথা বলতে সুরু করলে ঘরের ভেতর থেকে NR